গনপুর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশ্রাফুলের নেতৃত্বে চলছে পদোন্নতি বানিজ্য ।। কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ

লীগ সরকারের আমলে অবৈধ ক্ষমতা দাপটি,কর্মকর্তা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশ্রাফুল হকের নেতৃত্বে চলছে দুনীতির মহোৎসব। সুত্রে যানা যায়, গনপুর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(ই/এম) ঢাকা জনের আশরাফুল হকের নেতৃত্ব চলছে অবৈধ ভাবে পদোন্নতি, কমিশন বানিজ্য সম্রাজ্য।গনপুর্তের দুনীতির বর পুত্র আশ্রাফুল হকের দুনীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড। লীগের সুবিধাভোগী এই কর্মকর্তা এখনো বহাল থেকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গনপুর্ত অধিদপ্তরে। মন্ত্রণালয়ের নিরব ভুমিকা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা দের নিকট।
গণপূর্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল এর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে, যানা জায়, ২০২৬ সালের মে মাসের তথ্যানুযায়ী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক (ইএম শাখা ঢাকা জোনের)-এর বিরুদ্ধে পদোন্নতি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। সুত্রে জানা যায়, (২০২৬):পদোন্নতি সিন্ডিকেটের মুল হোতা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো তিনি গণপূর্তের পদোন্নতি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন।অবৈধ তদবিরে চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতির জন্য তিনি ১১ জনের পদন্নোতিতে প্রতি জনের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। তার বিরুদ্ধে বিগত সময়ে গুরুতর অর্থিক দুনীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে । টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্য: অভিযোগ রয়েছে যে তিনি ও তার গঠিত সিন্ডিকেটের ঠিকাদার সাইদুল ইসলামের একটি সিন্ডিকেট ইএম (Electromechanical) শাখায় টেন্ডার ও পদোন্নতি বাণিজ্য পরিচালনা করছেন। উল্লিখিত আশরাফুল হক ২০২০ সালে অবৈধ সম্পদের, ত্রুটিপুর্ন কাজের বিপরীতে ঠিকাদার দের নিকট আঁতাত করে কমিশন বানিজ্য সহ নানান বিধি অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধানপ্রাপ্ত হলেও তাঁর অবৈধ ক্ষমতার দাপটে ধামাচাপা পরে যায় অদৃশ শক্তির কারণে। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল বিরুদ্ধে অনিয়ম দুনীতির বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে, বিভিন্ন ভাবে অনুসন্ধানে জানা যায় ২০২৬ সালের তাকে 'অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম)'ঢাকা জোনে কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। গণপূর্তে আশরাফুল হকের যোগসাজশে মোটা অংকের টাকার কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। লীগের দোসর দুনীতি পরায়ন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বেপরোয়া ঘুষ দুনীতির কর্মকাণ্ডের কারণে গনপুর্তের ভাবমূর্তি চরম ভাবে খুন্ন হচ্ছে। সরকার গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন সাধারণ কর্মকর্তারা।
গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম) আশরাফুল হক নিয়ম কে অনিয়মে পরিনত ও অনিয়মের ও দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড, সকল ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েগেছেন।
নিয়োগ সংক্রান্ত কারচুপি করে, যাদের সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার কোন প্রমান নেই তাদেরকে বিধিমতে কোনোভাবেই পঞ্চম গ্রেডের উপরে পদোন্নতি দেবার সুযোগ নেই।
২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বঙ্গভবনের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালে সংসদ ভবনে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দাপটের সাথে।
লীগ সরকারের আমলে সংসদে সীমাহীন দুর্নীতির কারণে তাকে সরিয়ে সমীরণ মিস্ত্রিকে নির্বাহী প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়। যখনি কোন ওয়ার্কিং ডিভিশনে দায়িত্ব পেয়েছেন তখনি শুরু করেছেন লুটপাট। এমনকি পিএন্ডডিতে থাকাকালীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে গণপূর্তের শিডিউলভুক্ত করতে নিয়েছেন বিপুল অংকের অর্থ। দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী আশরাফুল হক দুই ছেলেকে কানাডা পাঠিয়ে নিয়মিত ডলার পাচার করছেন বলে অভিযোগ আছে।
একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছ, টেন্ডার প্রতি ২% টাকা গ্রহণ , টেন্ডারে ভুল ধরে ৫% পর্যন্ত টাকা নিয়ে অবৈধভাবে ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেবার মাস্টারমাইন্ড এই দুনীতিবাজ আশরাফুল হক। গভীর জলের মাছ আশরাফুল হক শেখ মুজিবের সমাধির সকল বৈদ্যুতিক কাজের পরিকল্পনা করে দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশি করতে। লীগের মন্ত্রী,কিংবা সাবেক স্বৈরাচারী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’র আস্তা ভাজন ছিলেন এই প্রকৌশলী। ডিপার্টমেন্টে তার বিরুদ্ধে অনেকেরই গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কেউ ভয়ে মুখ খোলার সাহস পায় নী বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে।
এসব বিষয়ের অভিযোগের সত্যতা জানান জন্য তাঁর মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করার কারণে কোন মতামত পাওয়া যায়নি। বলতেআশরাফুল হক এর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তা সম্ভব হয়নি।
