বয়স জালিয়াতি করে চাকরি করছেন ড্রাইভার তোরাব

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রটোকল অফিসার আমিনুরের ড্রাইভার তোরাব আলী বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ১৯:৪৭:৫৩

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এর দুনীতিবাজ প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান ও ড্রাইভার তোরাব আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ লোপাট, ক্ষমতার অপব্যবহার জম্ম তারিখ লুকিয়ে অবৈধভাবে চাকরি করে যাচ্ছেন বলে গত ৫ ই এপ্রিল, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের গাড়ি চালক জনৈক, আব্দুল শরবার,মোঃ আব্দুল জব্বার নামক ব্যাক্তীরা মহা পরিচালকের নিকট পতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সুত্রে যানা জায়, মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান দীর্ঘদিন (ডিএই)কর্মরত থেকে সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা প্রভাবিত করে নিয়ন্ত্রণ করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন। তার সিন্ডিকেট বাহীনি মুল হোতা প্রশাসন শাখার প্রধান সহকারী শাহাদাত, ড্রাইভার তোরাব আলী সঙ্ঘবদ্ধ সিন্ডিকেট ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা।

অন্য দিকে আমিনুরের সিন্ডিকেটের অন্যতম সহযোগী ড্রাইভার সমিতির স্ব ঘোষিত সভাপতি  মোঃ তোরাব আলী,নেতৃত্বে, প্রশাসন ও অর্থ উইং,এর সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা জিম্মি হয়ে পরেছেন।  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে প্রটোকল অফিসার আমিনুর, শাহাদাত তোরাব আলী পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করেছেন। প্রটোকল অফিসার আমিনুরের নেতৃত্বে চলছে দুনীতির মহোৎসব। তাদের  বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি, জালিয়াতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহার একোন নিত্য নতুন নয়।বরং দীর্ঘদিন খামার বাড়িতে তাদের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট।

প্রশাসনের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা দের মাঝে। অভিযোগ সুত্রে আরও যানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও অর্থ উইং-এ কর্মরত ড্রাইভার মোঃ তোরাব আলী দীর্ঘদিন যাবৎ বহুমুখী দুর্নীতি, জালিয়াতি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে দপ্তরের শৃঙ্খলা ও সুশাসন মারাত্মকভাবে ক্ষুর করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ সহ লিখিত অভিযোগ টি ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা করছেন, প্রধান সহকারী শাহাদাত, সুত্র মতে চাকুরির নথিপত্রে অসঙ্গতি ও জালিয়াতির অভিযোগ: মোঃ তোরাব আলীর জন্ম তারিখ ১২-০৭-১৯৬৭ ইং হলেও তার ছোট ভাই মোঃ সাইদুল হকের জন্ম ১০-০৬-১৯৬৬ ইং, যা স্পষ্টতই বয়স সংক্রান্ত অসঙ্গতি নির্দেশ করে এবং তার চাকুরির রেকর্ড ও সার্ভিস বইয়ে জালিয়াতির সন্দেহ জোরদার করে। ছোট ভাই ডিএই থেকে বিগত দশ মাস পুর্বে  অবসরে গেলেও বড় ভাই তোরাব আলী বয়শ বেশি থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে চাকরিতে বহাল তরিয়াতে আছেন।

অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও কমিশন বাণিজ্য: দুনীতির দুর্গ পরিনত করেছেন মহা ক্ষমতা ধর, মব সৃষ্টিকারী সরকারের অর্থ লুটপাট কারী প্রটোকল অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম কমিশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত কমিশন প্রদান করে ইচ্ছামতো জ্বালানি (তেল) ভাউচার ও গ্যাস বিল ভাউচার প্রস্তুত ও উত্তোলন করে আসছেন, যা সুস্পষ্ট দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের শামিল বলে মনে করেন সচেতন মহল।

অভিযোগ সুত্রে আরও জানা জায়, জ্বালানি ও ওভারটাইম বিল সংক্রান্ত দুর্নীতি: মাস্টার মাইন্ড আমিনুরের যোগসাজশে ড্রাইভার তোরাব আলী তিনি নিয়মিতভাবে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জ্বালানি উত্তোলন এবং নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত (৮০ ঘন্টার স্থলে প্রায় ২৫০ ঘণ্টা) ওভারটাইম দেখিয়ে বিল উত্তোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন। প্রশাসন শাখায় প্রভাব খাটিয়ে একক প্রভাব বিস্তার করে দায়মুক্তি ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে নিয়মবহির্ভূত ভাবে চাকুরিকালীন সময়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধে জড়িত থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রভাব খাটিয়ে বারবার দায়মুক্ত থেকেছেন। বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি একটি প্রভাববলয় তৈরি করে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছেন। নিজেদের ক্ষমতা জাহির করে আমিনুল ও শাহাদাত গংরা।

লীগের ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে স্ব ঘোষিত সভাপতি পদ ব্যবহার করে অনিয়ম ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে আমিনুর সিন্ডিকেট। বর্তমানে ড্রাইভার সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তোরাব আলীর বিরুদ্ধে। সরকারি যানবাহনের অপব্যবহারের মাধ্যমে ড্রাইভার তোরাব আলীর  দায়িত্বে থাকা সরকারি মাইক্রোবাসটি দীর্ঘ ৫-৬ বছর যাবৎ অফিস গ্যারেজে সংরক্ষণ না করে নিজ বাসায় রেখে ব্যক্তিগত কাজে, পারিবারিক ব্যবহারে এবং ভাড়ায় ব্যবহার করে সরকারি সম্পদ নিজের জিম্মায় রেখে নয় ছয় করে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু মাত্র প্রটোকল অফিসার আমিনুরের কমিশন বানিজ্য ঠিক রেখে।  

বয়স জালিয়াতির মাধ্যমে এই চক্র  দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন খামার বাড়িতে অপ্রীতিরোদ্ধো ভাবে। সাধারণ কর্মকর্তারা প্রটোকল অফিসার আমিনুরে সিন্ডিকেট কাছে অসহায় হয়ে পরেছেন। এ যেন দেখা’র কেউ নেই। অভিযোগের, অনুলিপি সচিব কৃষি মন্ত্রণালয়েকে পেরণ করেছে।  নিরপেক্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনপূর্বক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী ঐ ভুক্তি ড্রাইভার আব্দুল জব্বার। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য ড্রাইভার তোরাব আলী মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান জম্ম তারিখের বিষয়ে আমার কোন মতামত নেই, অতিরিক্ত ফুয়েল, তেল সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রটোকল অফিসার আমিনুরের সাথে কথা বলতে বলেন, বলে দাম্ভিকতার সাথে এই প্রতিবেদককের সাথে কথা বলেন।