জিম্মি সাধারন ব্যবসায়ীরা
কাওরান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজী ভিন্নক্ষাতে নেওয়ার জন্য মরিয়া তেজগাঁও যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান

রাজধানীর কাওরানবাজার এলাকায় ব্যবসায়ীদের নিকট আতংকে আরেক নাম যুবদলের বহিষ্কৃতনেতা আব্দুর রহমান। তাঁর বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজী, মামলাবাজি, দখলবাজী,সহ নানান বিধি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে যানা জায়, কাওরান বাজার এলাকায় পাইকারি কাচামালের আরৎ,সহ নানান পন্যসামগ্রিই পাইকারি খুচরা বিক্রয়ের অন্যতম বাজার কাওরান বাজার। এখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পন্য সামগ্রি বিক্রয়ের জন্য সাধারণ ব্যবসায়ী, স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা চাঁদাবাজীর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন বলে একাধিক ব্যবসায়ীরা আজকের সংবাদ কে জানান । অত্র এলাকার সকল ব্যবসায়ীদেকে জিম্মি করে চাঁদা বাজী করে যাচ্ছেন বেপরোয়া হয়ে বহিষ্কৃত যুবদলের নেতা আবদুর রহমান ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহিনী। চাঁদা বাজী কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি চরম ভাবে খুন্ন হচ্ছে। বিগত সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে মানব বন্ধন,সংবাদ সম্মেলনের তাঁর চাঁদাবাজীর বিষয় তুলে ধরে মানব বন্ধন করেন কাওরান বাজার এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তাতে কোন লাভ হয়নি বরং আব্দুর রহমানের চাঁদার ধরন,রেড বৃদ্ধি হয়েছে আরও দিগুণ ।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বিএনপির, সেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাধারণ সম্পাদক মুসাব্বির হত্যার পরে আরও বেপরোয়া হয়ে কাওরান বাজারে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঁদা উত্তলন করে যাচ্ছেন আবদুর রহমান ও তাঁর সাংঙ্গ পাংঙ্গরা। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক ব্যাবসায়ীরা এই প্রতিবেদককে জানান, একাধিক চাঁদাবাজীর মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি, সাধারণ ডায়েরি আছে তাঁর নামে ডজন খানেক। অথচ তেজগাঁও থানার ডিউটিরত পুলিশ সদস্য,শিল্প অঞ্চল এলাকায় কর্মরত থাকা এসবি সদস্য দের সাথে প্রকাশ্যে গলায় গলাই,হাত দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে নিজেকে জাহির করছেন মহা ক্ষমতা ধর আব্দুর রহমান। লীগের সুবিধাভোগী আব্দুর রহমান বিগত সময়ে দাপটের সাথে চাঁদাবাজী করে চলেছিলো তেজগাঁও এলাকায়। এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী হিসেবে চাঁদাবাজী ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন পুরো কাওরান বাজার তেজগাও এলাকায়। এ যেন দেখা’র কেউ নেই। তেজগাঁও থানার পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ ব্যবসায়ীদের নিকট। তারা আরও বলেন, একদিকে বিভিন্ন সমিতি,ব্যাংক লোনে জর্জরিত। আবার রহমান ও তাঁর বাহীনির চাঁদা বাজদের চাঁদাবাজির কারণে অতিষ্ঠ, এক এবং দুইএর ভেতর এখন রিনগ্রস্ত হয়ে সর্ব শান্ত হয়ে পরেছেন তাঁরা। এ যেন মরার উপরে খরার ঘা।
একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান কাওরান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজী ভিন্ন ক্ষাতে আরাল করার জন্য ও সাধারণ ব্যাবসায়ীদের ভাবমূর্তি চরম ভাবে খুন্ন করার জন্য মিশনে নেমেছেন তিনি মোটা অংকের টাকা নিয়ে।কাওরান বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীদের নিকট খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সম্প্রতি একটি অন লাইনে, ঢাকা উত্তরে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ লুৎফর রহমান (এল রহমান) সহ সাধারণ ব্যাবসায়ীদের হেও প্রতিপন্ন করার লক্ষে মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করে যাচ্ছেন ছবি যুক্ত করে। ব্যবসায়ীরা জানান বিএনপির সাবেক তেজগাঁও থানার সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাবেক সহ-সভাপতি, বিগত স্বৈরাচারী লীগের সময়ে ৪০ টির ও অধিক মামলা,গায়েবি মামলার আসামি ছিলেন এল রহমান।
লীগের আমলে নির্যাতিত, দলের মহাসচিব বের সাথে ও কারাভোগ করেছেন এই ত্যাগী নেতা। তাঁকে ঘিরে ও কাওরানবাজার আম্বর শাহ মসজিদের সহ সভাপতি, এল রহমান মুসল্লীদের সামনে মাইকিং করে প্রকাশ্যে কাওরানবাজার চাঁদাবাজদের পতিহত করার লক্ষে জনসম্মুখে প্রকাশ করলে। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়ে পরেছেন বলে জানিয়েছে কাওরান বাজার কিচেন মার্কেট এর ব্যাবসায়ী বেল্লাল হোসেন সহ একাধিক ব্যাবসায়ীরা। তাঁরা আরও জানান আবদুর রহমানের নেতৃত্ব ত্রাসের রাজত্ব, লুটপাট, দখলবাজীতে অতিষ্ঠ ফুটপাতের দোকান সহ অন্য অন্য দোকানের ব্যাবসায়ীরা বলে সাধারণ ব্যাবসায়ীদের দাবি। ব্যবসায়ীরা আরও বলেন আবদুর রহমানের চাঁদা বাজী ভিন্ন ক্ষাতে প্রভাবিত করার জন্য এই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
কিচেন মার্কেট এর ব্যাবসায়ীরা বলেন আমারা চাঁদা বাজীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে, নিরীহ ব্যাবসায়ীদেরকে অনলাইন প্লাটফর্মে ভুয়া তথ্য সরবরাহ করে মিথ্যা চার করে যাচ্ছেন বহিষ্কৃত নেতা আবদুর রহমান। গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন তারা। তাঁরা আরও জানান উল্লেখীত মিথ্যা প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সুত্র মতে, ১৯/০৯/২০২৪ইং তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর কর্তৃক আব্দুর রহমানকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ সহ তেজগাঁও থানা যুবদলের সচিব পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। কাওরান বাজার এলাকায় চাঁদা উত্তোলনের কারণে। দলের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলেও এখন বহাল তরিয়াতে চাঁদা বাজী করে যাচ্ছে আবদুর রহমান। তাদের চাঁদা বাজীর কোন ভাবে থামানো যাচ্ছে না।
বহিষ্কারের পর আরও বেপরোয়া হয়ে তার গঠিত বাহিনীর অত্যাচার এবং চাঁদাবাজীর দৌরাত্ম বহু গুনে বৃদ্ধি পেয়েছে। নোয়াখালী, আব্দুল হকের পুত্র,মাতার নাম নুজাহান বেগমের ছেলে,আব্দুর রহমান ওরফে চাঁদাবাজ রহমান,জিবিকার তাগিদে কাওরান বাজার এলাকায় এসে মিনতির কাজ করতো একসময়ে। তখন তার নুন আনতে পানতা ফুরাতো।
পড়াশোনা প্রাথমিকের গন্ডী না পেরুলে অতি চালাক ছিল তিনি।অল্প দিনের মধ্যে বিভিন্ন ফুডে চাঁদা উত্তলনের দায়িত্ব পেয়ে যান আবদুর রহমান। তার পরে আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। চলে ফুটপাতের হকারদের জিম্মি করে চাঁদা বাজী। এখনো তারই বড় ভাই মিজান,সেই ফুডে চাঁদা উত্তোলন করে যাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে যায় জায়, আব্দুর রহমানের চাঁদাবাজদের অন্যতম হাতিয়ার হলো মোঃ শাকিল আহমেদ মিন্টু ওরফে চশমা মিন্টু, রাসেল ওরফে মোটু রাসেল, মোঃ আমিনুল ইসলাম আমিন ওরফে কালা মোটা আমিন ওরফে পাতা আমিন, সাদ্দাম ওরফে চাঁন্দাবাজ সাদ্দম, বেল্লাল ওরফে রেল লাইন বেল্লাল, মোঃ জসিম উদ্দিন মিয়াজি ওরফে কারেন্ট জসিম, আনোয়ার গিলা কলিজা আনোয়ার, আব্দুর রহিম ওরফে ভেজাল ওষধ রহিম, মোঃ মিন্টু ওরফে ফুট মিন্টু,এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে রয়েছে নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আবদুর রহমানের।চাঁদা বাজ আবদুর রহমানের বিষয়ে পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তা, সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কাওরান বাজার এলাকার সাধারণ ব্যাবসারীরা উল্লেখীত অভিযোগের বিষয়ে আবদুর রহমানের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়াই তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
