কেরানীগঞ্জ মডেল সাবরেজিস্ট্রার ফ্যাসিবাদের দোসর মিরাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে চলছে রমরমা ঘুষ বানিজ্য

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর কেরানিগঞ্জ মডেল সাবরেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিনের ঘুষ বানিজ্য সহ নানান ভাবে দলিল আটকে রেখে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রারের অধিনে কেরানীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিন ও তাঁর গঠিত একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ব্যাপক ঘুষ আদায় ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষ বাণিজ্য: জমির শ্রেণি পরিবর্তন, জাল দলিল তৈরি এবং প্রতিটি দলিলে সরকারের নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ নানা উপায়ে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর চাহিদা মাফিক ঘুষ দিতে হিমসিম খাচ্ছেন সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতারা বলে একাধিক দলিল লেখক সুত্র যানা জায়। তাঁর গঠিত সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে একটি দালাল চক্র গড়ে ওঠে, যাদের মাধ্যম ছাড়া কেরানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কোনো দলিল বা সেবা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
বিগত সময়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চড়াও হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ভরিভরি। দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশে ক্ষিপ্ত হয়ে দলবল নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার করলেও পতিত লীগ সরকারের দাপটে ও অবৈধ ক্ষমতার তছনছ করে ধামাচাপা পরে যায় অদৃশ শক্তির কারণে। সুত্রে যানা জায়, কেরানীগঞ্জ মডেল সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মিরাজ উদ্দিনের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, বিতর্কে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার। ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে লোভনীয় অফিস মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে ৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে বদলীর আদেশ করান আইন মন্ত্রণালয় থেকে। গজারিয়াতে ২ বছরের অধিক সময় পার করে, পুনরায় ঢাকা জেলার কেরানিগঞ্জ মডেল সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে বদলী হয়ে আসেন আরেক লোভনীয় অফিসে। যখন যেখানে কর্মরত থাকেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি। সেই সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে চলছে রমরমা ঘুষ বানিজ্য। সাধারণ দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান তাঁরা জিম্মি হয়ে পরেছেন বলে আজকের সংবাদকে জানান।
কেরানি গঞ্জের সাবরেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিন ও তার সিন্ডিকেট বাহীনি জিলাপির মতন আরায় প্যাচ দেখিয়ে দলিলের ধরন বুঝে গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। আর যে সকল দলিল লেখক কিংবা, দাতা গ্রহীতারা, তাঁর দাবি কৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তাদের কে জিলাপির আরাই প্যাচ দিয়ে আটকে রাখেন। এককথায় হয়রানির আরেক নাম সাবরেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিন। সরকারের রাজস্ব ফাঁকিদিয়ে অর্থ লুটপাট করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। তাঁর গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনি নিকট অসহায় হয়ে পরেছেন সাধারণ দলিল লেখক গন।
রেজিস্ট্রেশন জমির শ্রেণি পরিবর্তন, দলিল সম্পাদনে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দের্দাচ্ছে। ছাত্র লীগ করার কারণে সাবরেজিস্ট্রার পদে চাকরিটি হাতিয়ে নেন, লীগ সরকারের আমলে। বিগত সময়ে আইন মন্ত্রণালয়ে ও জেলা রেজিস্ট্রারের নিকট দুনীতিবাজ সাব-রেজিস্ট্রি, মিরাজ উদ্দিন ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অভিযোগ এনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। তাঁর অবৈধ টাকার প্রভাবে সেই সকল অভিযোগ আজও পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গত ৩ মে কেরানিগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১০.৬৬ কাঠা জমির একটি সাব-কবলা দলিল সম্পাদন করা হয় (দলিল নম্বর ৩৪৫৯)। খোজ নিয়ে জানা যায় বাস্তবে জমিটি বসতভিটা হলেও দলিলে সেটিকে ‘নাল জমি’ হিসেবে দেখানো হয়। এতে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি ও দলিল প্রক্রিয়ায় চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
কেরানীগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিন ও তাঁর গঠিত একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ব্যাপক ঘুষ আদায় ও অনিয়মের জর্জরিত। আইজি আর, আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এর নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ সাবরেজিস্ট্রার দের মুখ মুখে। তাঁর নেতৃত্বে কমিশন বানিজ্য ঘুষ বানিজ্যর কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সরকারের রাজস্ব।
গুরুতর তথ্য:ঘুষ বাণিজ্য: জমির শ্রেণি পরিবর্তন, জাল দলিল তৈরি এবং প্রতিটি দলিলে সরকারের নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ নানা উপায়ে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।সিন্ডিকেট: তাঁর নেতৃত্বে একটি দালাল চক্র গড়ে ওঠে, যাদের মাধ্যম ছাড়া কেরানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কোনো দলিল বা সেবা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে একাধিক সুত্রে আরও যানা জায়। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার মিরাজ উদ্দিনে মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে ব’লেন এই নাম্বার টা সাবরেজিস্ট্রারের পার্সোনাল নাম্বার। স্যার ব্যাস্ত আছে পরে ফোন দিবে বলে লাইন টি কেটে দেন।
