নিজেই করছেন ঠিকাদারি ॥ তাঁর নেতৃত্বে চলছে সীমাহীন দুনীতি ও লুটপাটের মহোৎসব

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ২টি অফিস অবৈধ দখলে রেখেছেন ভেটেরিনারি সার্জন কবির উদ্দীন

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২৬ ২০:০১:০০  আপডেট :  জুন ২০, ২০২৬ ২০:৩৩:৩৬

প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন, মহা ক্ষমতাধর, হাসিনা সরকারের সুবিধা ভোগী দুনীতির চ্যাম্পিয়ন খ্যাত ডাঃ কবির আহমেদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষ বানিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, সীমাহীন দুনীতি ও লুটপাটের মহোৎসব চলছে দুনীতির বরপুত্র কবির উদ্দীনের নেতৃত্বে। একজন ৯ র্ম গ্রেড এর কর্মকর্তা হয়ে সরকারি অধিক সুবিধা ভোগী ৩ স্থানে অফিস দখল করে চালাচ্ছেন ঘুষের রাজত্ব ও টেন্ডার বানিজ্য। মহা পরিচালক ও মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যাক্তীদের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরে সাধারন কর্মকর্তাদের মাঝে। 

সুত্রে যানা জায়, বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলা,সাবেক প্রভাব শালী সচিব ও নির্বাচন কমিশনার তাঁর বোন জামাই নুরুল ইসলামের দাপটে,দাপট দেখিয়ে এস কে ট্রেডার্স এর মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আরালে কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করেন এই সরকারি কর্মকর্তা কবির উদ্দীন। এখনো বহাল তরিয়াতে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছেন। সরকারি বিধি বহির্ভূত ভাবে শুধু ক্ষমতার দাপটে।

শুধু তাই নই, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের বিল্ডিং এর নিচতলায় একটি অফিস, মাঝখানে বিল্ডিং এর নিচতলায় দুই রুমের আরেকটি অফিস এসি সংযুক্ত দখল রেখে তার নেতৃত্বে চলছে, চাঁদাবাজী,টেন্ডার বাজী,সহ নানান অপকর্মে। মহা ঘুষখোর কবির উদ্দীন, সহকারী পরিচালকের আরেকটি (অতিরিক্ত পদে) কর্মরত থেকে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে বলে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান। তাঁর ছত্রছায়ায় আশির্বাদ হিসেবে রয়েছে নাকি পিডি রহিম বলে প্রকাশ আছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সকলের মুখে মুখে। তার প্রকল্পের ১ কোটি টাকার ঠিকাদারী কার্জাদেশ বিপরীতে মালামাল সাপ্লাই দেয় এস কে ট্রেডার্সের মালিক কর্মকর্তা কবির। সরকারি বিধি মালায় একজন কর্মকর্তা ৩ বছরের অধিক সময় একই কর্মস্থলে কর্মরত থাকতে পারবেন না। অথচ তাঁর বেলায়ই উল্টো চিত্র? দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ নারায়নগঞ্জের ভিএস হিসেবে কর্মরত থেকে, সরকারি গবাদি পশুর খাবার, ঔষধ, কারচুপি ও টেন্ডার বানিজ্য করে যাচ্ছে একক ছত্রে কবির উদ্দীন। তাঁর অধিনে কর্মরত কর্মকর্তা দের কে জিম্মি করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে নামে চাঁদা উত্তলন করছেন বেপরোয়া হয়ে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ক্ষমতার অপব্যবহার-করছে ডাঃ কবির আহমেদ একজন ভেটেরিনারি সার্জন হয়ে। তিনি ৯ম গ্রেডের কর্মকতা, যে গ্রেডের কর্মকর্তা সেই গ্রডের কর্মকর্তারা সরকারি গাড়ি প্রাপ্তের অধিকারী নন। তথাপিও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিডি রহিম এর যোগসাজশে ঢাকা মেট্র -ঠ-১৩-২১৮৮, পাজারো জিপের চালক ড্রাইভার বাবুল। একজন ৯ র্ম গ্রেড এর কর্মকর্তা হয়ে সরকারি তেল,ফুয়েল ব্যবহার করে নিজেকে মস্ত বড়ো অফিসার বলে নিজেকে জাহির করছেন প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরে। এ যেন দেখা’র কেউ নেই, গাড়িখানা অবৈধভাবে সার্বক্ষণিক ব্যবহার করছেন। সরকারি জ্বালানি পোড়াচ্ছেন।

এটি একটি অপরাধমুলক কাজ হলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেটির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা  না নেওয়াতে সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে চলছে চরম ক্ষোভ। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান মহা ক্ষমতা ধর লীগের সুবিধাভোগী ডাঃ কবির উদ্দীনের নাকি ঘনিষ্ঠ বন্ধু মৎস্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব। যে কারণে সাধারণ কর্মকর্তারা তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক দুনীতির বিষয়ে মুখ খুলতে সাহসও পাননা বলে জানান। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আশু পদক্ষেপ কামনা করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাধারণ কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে আরও যানা জায়, সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট প্রাকটিসে ব্যস্ত সময় পার করছেন নারায়নগঞ্জের চিটাগংরোডে অবস্থীত মেহেবুব পোল্ট্রি মেডিসিনের দোকানে। সেখানে তাঁর সংগ্রহে থাকা,বিনামূল্যে সরকারি গবাদিপশু ঔষধ চরামুল্যে বিক্রি করে যাচ্ছে বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক,মহা ঘুষের রাজত্ব কারী (অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকা)  ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ভ্যাটিরিনারী সিনিঃ সার্জন ডা: কবির উদ্দিন আহমেদের বেপরোয়া দুনীতি থামাতে না পারলে, প্রশ্ন বৃদ্ধ হচ্ছে।এই ক্ষাতের সরকারের লক্ষ বেহেস্তে যাবে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড।