ডিএই’র সদ্য পিআরএলে যাওয়া দুনীতির বরপুত্র পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ দায়িত্বে থাকা কালিন দুনীতির তদন্তে দাবী

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬ ১৮:২৪:২৪  আপডেট :  জুন ২৩, ২০২৬ ২০:১৮:০৫

সদ্য অবসরে যাওয়া মহা দুনীতিবাজ ঘুষের রাজত্ব সৃষ্টি কারী সরকারি অর্থ লুটপাটের মুল হোতা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই’র) প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক প্রশাসন মো: হাবিবউল্লাহ বিভিন্ন ক্ষাত দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পি আর এল এ গেছেন চলতি মাসে ১৮/৬/২৬ তারিখে। একাধিক যোগ্য নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা সত্বেও শুধুমাত্র তার আর্থিক সুবিধা নেয়ার কারনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে উপসহকারী প্রকৌশলী ইববাল হারুন বাপ্পীকে দিয়ে করছেন হরিলুট।

বিএনপি সরকারের মৎস ও প্রানিসম্পদ ও কৃষি মন্ত্রী মো: আমিন উর রশিদ নাকি তার নিকটতম আত্মীয় পরিচয় দিয়ে বেপরোয়া ভাবে বদলী বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্যসহ সকল অপকর্ম চালিয়ে গেছেন দেদারছে এবং নারী কেলেংকারীতেও পিছিয়ে নেই তিনি। তার অধিনস্থ সুন্দরী নারীদেরকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করতেন। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলী বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য, কমিশন বানিজ্য ও ভুয়া বিল ভাউচার সহ বিভিন্ন পন্থায় নিজের আখের গুছিয়ে লাগামহীন দুনীতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।

সুত্রে আরও যানা গেছে, অন্তবর্তী সরকারের আমলে সাবেক স্বরাষ্ট্র, কৃষি  মন্ত্রী জাহাঙ্গীর আলমের আস্থাভাজন হিসেবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন সু -চতুর হাবিবউল্লাহ। সেই দাপটে অনিয়ম দুনীতির সর্গরাজ্য পরিনত করেছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মহা ক্ষমতা ধর হাবিবউল্লাহ। রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানিয়ে তাঁর সিন্ডিকেট বাহীনি মুল হোতা উচ্চমান সহকারী আমির হামজাকে দিয়ে সকল অপকর্ম চালিয়েছেন তিনি। খামারবাড়ির দুনীতিবাজ অনেক কর্মকর্তা বদলী হলেও এখনো বহাল তরিয়াতে আছেন হাবিবউল্লাহের ক্যাশিয়ার ক্ষ্যাত প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উচ্চমান সহকারী আমির হামজা, প্রধান সহকারী, হাবিবুর রহমান।

মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ ক্ষমতা অপব্যবহার করে, (ডিএইতে) প্রায় ৩০০, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার কর্মরত থাকা সর্তে ও একজন জুনিয়র ইন্জিনিয়ার, উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইকবাল হারুন বাপ্পীর কে নিবাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব দিয়ে তাঁর মাধ্যমে  ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। সুত্র মতে, ভৌত অবকাঠামো কর্মরত যোগ্য নিবাহী প্রকৌশলী থাকা সর্তে ও তাঁর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষে জুনিয়র ইন্জিনিয়ার দিয়ে অবৈধভাবে টেন্ডার বানিজ্য, গাড়ি মেরামত সংস্কার কেনাকাটা সহ ভুয়া, ফুয়েল বানিজ্য সহ সরকারের আর্থিক অপকর্ম করে নীরবে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ তাঁর সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে। নাম না বলার শর্তে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান, ৫ ই আগষ্টের পরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে এককছত্র কায়েম করে বিভিন্ন প্রকল্পের, প্রকল্প পরিচালক দের নিকট থেকে প্রতিমাসে ৫০.০০০ থেকে ১.০০০০০ টাকা পর্যন্ত মাসিক মাসোহারা উত্তোলন করছেন তাঁর আস্থা ভাজন উচ্চমান সহকারী আমির হামজা কে দিয়ে।

নিয়োগ সংক্রান্ত ও প্রাথী সংগ্রহ, তাদের সাথে লেনদেনের দ্বায়িত্বে ছিলেন ড্রাইভার আলমগীর যিনি বর্তমানে উপ-পরিচালকের কার্যালয়, কুষ্টিয়ায় কর্মরত সহ একাধিক ড্রাইভার আবুল কালাম ১-২, আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী, আবু ইউসুফ, নজরুল ইসলামসহ নব নিয়োগ প্রাপ্ত ড্রাইভারদের প্রশ্ন ফাঁশ, ড্রইভার নিয়োগ পরীক্ষা ও প্রেক্টিক্যাল নেন এই মোল হোতারা। খামারবাড়ি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালনের আগে যেসকল স্থানে কর্মরত ছিলেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তোলা সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে অনিয়ম কে নিয়মের পরিনত করে সরকারি অর্থ লুটপাটের মহোৎসব চালিয়েছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন সাবেক পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ। উল্লেখীত অভিযোগ বিষয়ে সদ্য অবসরে যাওয়া পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহে মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে কথা না বলে, লাইন টি কেটে দেন। উপ সহকারী প্রকৌশলী, ইকবাল হারুন বাপ্পীর মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই, পরবর্তী তে তাঁর মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠালে ও কোন উত্তর মেলেনি।