প্রতিবেদককে হত্যার হুমকি
গণপূর্তে মাফিয়াখ্যাত তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের লাগামহীন দূর্নীতি অব্যাহত

গনপুর্ত অধিদপ্তরের একাধিক বিবাহের নায়ক বদরুলের নেতৃত্বে সুন্দরী নারীদের দিয়ে আমলাদের ব্লাকমেল সহ নানাবিধ অভিযোগ পাওয়া গেছে। গনপুর্ত অধিদপ্তরের দুনীতির মাস্টার মাইন্ড, নারী কেলেঙ্কারির হোতা,মহা ক্ষমতাধর গনপুর্ত সার্কেল -১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের নেতৃত্বে বেপরোয়া ঘুষ কমিশন বানিজ্য অব্যহত এখনও আছে বহাল তরিয়াতে। বদকর্মে যেমনি চ্যাম্পিয়ন নারী কেলেঙ্কারীতেও তেমনি সেরা বদরুল। গণপূর্ত অধিদপ্তরে দুনীতির আতুর ঘরে পরিনত করে সরকারি অর্থ লুটকারী, দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের মুল হোতা গনপুর্তের লুটেরা নামে ক্ষ্যাত, নারীখোড় একাধিক বিবাহের নায়ক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান।
গণপূর্তের দুনীতির বরপুত্র এই গুণধর কর্মকর্তা বর্তমানে আছেন ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১ এর দায়িত্বে। সেখানে তাঁকে মিস্টার ১০% নামে সু পরিচিত গনপুর্ত অধিদপ্তরের কর্মরত সাধারণ কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের নিকট। সুত্রে আরও যানা জায়, বিগত সময়ে তাঁর সার্থ হাসিল করার লক্ষে সুন্দরী নারী মিডিয়াকর্মীদের ব্যবহার করে সচিব পর্যায়ের একাধিক আমলাদের হাানিট্র্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে বিগত পাঁচ বছরে পোষ্টিং পদোন্নতি বাণিজ্যসহ অগাধ সুযোগ-সুবিধা বাগিয়ে নিয়েছেন বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান । তাঁর অধিনে গনপুর্ত অধিদপ্তরের ডিপার্টমেন্টের সকল উন্নয়ন মুলক কাজের বিপরীতে ঠিকাদার কতৃক গোপন দর প্রদান করে, বেপরোয়া কমিশন, চাঁদাবাজীসহ এই ধারা বর্তমানেও অব্যাহত আছে। বিগত সময়ে দুদক, কিংবা সংসৃষ্ট মন্ত্রণালয়ের গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হলেও তাঁর অবৈধ ক্ষমতা ও টাকার প্রভাবে সেই সকল অভিযোগ ধামাচাপা পরে যায়। অদৃশ শক্তির কারণে, এপস্টেইন প্রকৌশলী বদরুলের এ ধরণের নারীবাজি লুচ্চামি ভন্ডামির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড। কথায় কথায় তাঁর দেশের বাড়ি বি- বাড়ীয়া বলে এখন হুমকি ধামকী দিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে বোঝাতে চাই বি- বাড়ীয়ার লোক জন গুরুপিং মারামারি দখলবাজীতে তত্বপর তারা কাউকে পরোয়া করেন না। গণপূর্ত সাধারণ প্রকৌশলীরা তাঁর ও তাঁর গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছ, ফ্যসিস্ট আ’লীগ সরকারের পুরোটা সময় বদরুল অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ওই নারীকে দিয়ে উচ্চ মহলে তদবীর করিয়েছেন সরকারের উচ্চ মহলে শুধু মাত্র তার সার্থ হাসিলের জন্য। গনপুর্তের একাধিক কর্মকর্তার, ভাষ্যমতে তার বিছানাসর্জা, পালিত সেই কথিত মহিলা তিনি নিজেকে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী একটি ইংরেজীর দৈনিকের সাংবাদিক হিসাবে পরিচয় দিতেন। তাকে দিয়ে ধানমন্ডির শংকরে অবস্থিত নন্দিণী সোসাইটি তথা নন্দিণী হোটেলে প্রভাবশালী আমলাদের নিয়ে গোপণ বৈঠকের নামে মধুচন্দ্রিমার আসর বসাতেন ঐ নারী সাংবাদিক কে দিয়ে। ফলে ওইসব আমলারা বদরুলের কোন তদবীর বা আবদার ফেলতে পারতেন না। এভাবে পূর্ত মন্ত্রণালয়ে ধীরে ধীরে বদরুল অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে উঠেন। গনপুর্ত অধিদপ্তরের কর্মরত সাধারণ কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে ঐ নারী সাংবাদিক একজন মহা ক্ষমতাবান বলে বদরুল জাহির করতেন। ক্ষমতাধর বদরুল ২০২৫ সালের এক আমলার জন্য ডিসেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের সময় তার জন্য ১৯ কেজি ওজনের লাগেজে ভরে বিভিন্ন ধরণের মূল্যবান উপহার সামগ্রী নিয়ে যান। ওই আমলাকে ম্যানেজ করতে। বদরুল সেই আমলাকে দিয়ে উচ্চপদে ও বিভিন্ন দপ্তরে, দপ্তর প্রধান চেইঞ্জ করতেন সেই বিষয়েও বিস্তারিত বলেছেন নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে। বদরুল তার লাগাতার দুর্নীতি ও ক্রম বর্ধমান লুটপাটের অবৈধ সাজ্জাজ্যের রামরাজত্ব কায়েম করতে যাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করতেন, তাদেরকেই একেবারে শেষ করে দিতে চেয়েছেন। তার এমনই এক আক্রোশের শিকার ঢাকা গণপূর্ত শের-ই-বাংলা নগর বিভাগ ৩ এর সদ্য সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামসহ অসংখ্য গণপূর্ত প্রকৌশলী। বিগত সরকারের সময়ে ঢাকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি সর্গরাজ্য পরিনত করেছিলেন সৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের সুবিধা ভোগী প্রকৌশলী বদরুল।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান মিডিয়া কর্মী ও কথিত স্মার্ট কলগার্লদের (কথিত মডার্ণ ভাষায়-আই ক্যান্ডি) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তদবীর বাণিজ্যের সিন্ডিকেট তৈরী করে একটি গোপণ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। সুন্দরী মিডিয়াকর্মীদের ব্যবহার করে তিনি অতি ক্ষমতাধর আমলা, প্রভাবশালী রাজনীতিবীদদের হাত করে তার অগনিত সহকর্মীকে ব্ল্যাকমেইলের শিকার বানিয়েও হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা। এভাবে নামে-বেনামে সহায়-সম্পদসহ শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, সকল বদকর্মে পারদর্শী নারী লোভী প্রকৌশলী বদরুল।
সেই অবৈধ টাকা ওইসব কথিত বান্ধবীদের দিয়ে বিদেশে পাচারও করেছেন এবং এখনও করছেন নিয়মিত বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছে। সুন্দরী নারী দেরকে আবার কাউকে কাউকে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে লিভ টুগেদার বা স্বামী-স্ত্রীর মতো অবাধ মেলামেশাও করেছেন বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এক নারী আজকের সংবাদ কে। ভুক্তভোগী ওই নারী আগে দেশের প্রভাবশালী একটি ইংরেজী দৈনিকের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন। প্রকৌশলী বদরুল ব্যক্তিগত জীবনে আগে থেকে বিবাহিত ও দুই কন্যা সন্তানের জনক। ঢাকার খিলগাঁও এ ২২ নম্বর সড়কে প্লট নম্বর-৩/৫-এ যে বাড়িতে থাকেন সেটি করেছেন তার শ্বশুরের নামে । শিয়ালের চেয়েও বেশী ধূর্ত বাজ পাখির ন্যায় শিকার ধরার অভ্যাসে পরিণত বদরুল এভাবে শালা-শালি, ভাই-ভাতিজাসহ বিভিন্ন নিকটাত্মীয়দের নামে গার্মেন্টস ডেভেলপার ব্যবসাসহ শতাধিক কোটি টাকার অবৈধ সহায়-সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। ওই ভূক্তভোগী নারী সাংবাদিক অবশ্য জানতেন তিনি বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক। সবকিছু জেনেবুঝেই অবৈধ অর্থের লোভে পড়ে তিনি বদরুলের পরকীয়া প্রেমের সাগরে ঝাঁপ দিয়ে হাবুডুবু খেয়েছেন। গত বছর সেই নারী বদরুলের পাঁচার করা টাকাসহ অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। প্রবাসে বসেও তাদের অবৈধ পরকিয়ার রঙ্গলীলা অব্যাহত আছে । নারী কেলেংকারী হোতা বদরুল গত মার্চ মাসে (চলতি বছরের মার্চ) প্রকৌশলী বদরুল দেশের প্রভাবশালী বেসরকারী স্যাটেলাইট টিভির↑ সুন্দরী নিউজ প্রেজেন্টারকে গোপণে বিয়ে বিয়ে করেন। নাজ নাহার নামে ওই সংবাদ পাঠিকাকে নিয়ে গণপূর্তের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও বিভিন্ন লোকেশনে ঘুরেছেন-এ রকম ফটোগ্রাফ রয়েছে গণপূর্তের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের মোবাইলে। এই বিয়ের কারণে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী নারী সাংবাদিক চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। সম্প্রতি ওই নারী ও তার বান্ধবীরা গণমাধ্যমকে বদরুলের মাগিবাজি বা সুন্দরী নারীদের ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন ও কাড়ি কাড়ি নগদ অর্থের লোভে ফেলে তাদের নিয়ে অবৈধ রঙ্গলীলার অনেক গোপণ তথ্য জানিয়েছেন। দৈনিক আজকের সংবাদের সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারীর গোপনীয়তা রক্ষা ও এ-সম্পর্কিত অত্যন্ত কু-রুচিপূর্ণ ছবিগুলো প্রকাশ করা যাচ্ছে না। বর্তমানে বুয়েট থেকে পাশ করা ওই নারী নিউজ প্রেজেন্টারকে নিয়ে সচিব মন্ত্রীসহ ঊর্দ্ধতন পর্যায়ে তদবীর বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন- বলে অভিযোগ আছে ওই সংবাদ পাঠিকার সমন্বয়ে তাকে দিয়ে উঠতি বয়সের কতিপয় মডেল নায়িকাদের নিয়ে নতুন করে ‘হানিট্র্যাপ সিন্ডিকেট’ তৈরী করেছেন নারীলোভী বদরুল বলে সুত্রে যানা জায়।
বদরুলের ধান্দা বাজীর কারণে ডুবছে গণপূর্ত! প্রশ্ন উঠেছে গণপূর্ত’র প্রধান প্রকৌশলী কে? বদরুল না খালেকুজ্জামান! তবে ফ্যসিস্ট আ’লীগ সরকারের পুরোটা বদরুল অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ওই নারীকে দিয়ে সরকারের আমলে অবৈধ ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে আমলাদের ও উচ্চ মহলে তদবীর করিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মহিলার ভাষ্যমতে দেখানোর সেই হোয়াটসঅ্যাপ এর স্ক্রিনশটও ওই প্রবাসী নারী সাংবাদিক গণমাধ্যমের সাথে শেয়ার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাকে ব্যবহার করে বদরুল স্বৈরাচার আওয়ামী এবং অন্তরবর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন কর্মকর্তাকে ভয় দেখিয়ে কমপক্ষে ২শ’ কোটি টাকা চাঁদাবাজী করেছেন। লুটেরা, বদরুলের কাছে নাকি এখন দেড়শ’ কোটি টাকা রয়েছে। ওই নারী সাংবাদিককে তিনি স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে কয়েক কোটি টাকা মানি লন্ডারিং করেছেন।
অথচ বদরুল নিজেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত দেখিয়ে ভিকটিম কার্ড খেলে বিএনপিপন্থী হিসাবে দাবী করে প্রথমে সাভার সার্কেলে পরে ঢাকা সার্কেল ১ এ লোভনীয় পোষ্টিং বাগিয়ে নেন। ওই ভুক্তভোগী নারী এই প্রতিবেদককে আরো জানান, তার আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধু মহলে সবাই জানতেন যে বদরুল তার হবু স্বামী। তারা দীর্ঘদিন স্বামী-স্ত্রীর মতো অবৈধভাবে থেকেছেন বা মিশেছেন। কাপল হিসাবে প্রমোদ ভ্রমনে গিয়েছে দেশ-বিদেশে। যখন জানতে পারেন বদরুল ২য় বিয়ে করেছেন, তখন তিনি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ফলে তার চোখ ও স্নায়ুতন্ত্র মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ওই সংক্রান্ত মেডিকেল রিপোর্টও তার কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি অচিরেই বাংলাদেশে এসে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করবেন মর্মেও জানান।
শুধু এই ইংরেজী পত্রিকার প্রবাসী সাংবাদি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকা এ রকম বহু উঠতি নব নায়িকাদের নিয়ে প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করা সাবেক তিন প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম শাহাতাদ হোসেন ও শামীম আখতারের আস্থাভাজন ছিলেন। তিনি বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীরও আস্থাভাজন হওয়ায় বদরুল তাকে শায়েস্তা করতে জনৈক আমিরুল ইসলামকে দিয়ে মন্ত্রণালয়ে বেনামী অভিযোগ দায়ের করে সাধারণ কর্মকর্তা দের হয়রানি করাতেন মর্মে ওই নারী সাংবাদিক জানান।
তিনি আরো দাবী করেন তাঁর কথার বাহিরে যাওয়ার কারণে নিজে পিছন থেকে কলকাঠি নেড়ে নিবাহী প্রকৌশলী আতিককে তিরস্কার স্বরূপ লঘুদন্ড আরোপ করিয়ে মাগুরায় পোষ্টিংয়ের মাধ্যমে নিবর্তনমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আতিককে আরও বড় শাস্তি থেকে পরিত্রান দিতে বদরুল ২০লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে নিবাহী প্রকৌশলী আতিক তার ড্রাইভার পরিচয়ে একজনের মাধ্যমে ওই নারী সাংবাদিকের লোকের কাছে ২০লক্ষ টাকা দেন। পরে ওই টাকা বদরুল বুঝে নেন। ওই নারী আজকের সংবাদ কে আরও বলেন, বদরুল দুদক এর সাবেক কমিশনারকে নিজের নানা, হিসাবে পরিচয় দিতেন গনপুর্ত অধিদপ্তরের কর্মরত সাধারণ কর্মকর্তাদের নিকট।
গনপুর্তে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বদরুলের অনিয়ম দুনীতির বিষয়ে দৈনিক আজকের সংবাদে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করায়, তিনি এই প্রতিবেদককের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতে পারে মর্মে আশংকা করছি। হুমকি দাতা এই নাম্বার থেকে, আজকের সংবাদের প্রতিবেদককে হুমকি দেন।
+966598961370 এই নাম্বার থেকে ধনপ abc international group থেকে ফোন করে জনৈক সোহাগ নামে পরিচয় দিয়ে এই প্রতিবেদককে বলেন? দিন কাল কেমন যাচ্ছে, প্রতিবেদককে বলেন? আরামে আছেন তো? আরাম হারাম করে দিব? তোকে মেরে ফেলবো? বাসা থেকে কলমা পরে বাহির হবি? আমারা প্রতিদিন ২/১ টা করে মাডার করি,বলে লাইন টি কেটে দেন। এ বিষয়ে মতামত জানার জন্য প্রকৌশলী বদরুলের ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফেন দিয়ে তার মতামত জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ এর প্রতিবেদককে হুমকিস্বরুপ কথা বলেন, হুমকিদাতা বদরুলের কল রেকর্ড, সোহাগ নামে আরেক হুমকিদাতার কল রেকর্ড আজকের সংবাদের হাতে আছে।
