বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসের কেরানি আব্দুর রহমান

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬ ১৯:৩৮:৩৭

তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কেরানী আব্দুর রহমানের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন সাধারণ দলিল লেখক গন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন মহা ঘুষখোর কেরানি আব্দুর রহমান। তাঁর চাহিদা মাফিক ঘুষে টাকা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন দাতা গ্রহীতারা।  একাধিক সুত্রে যানা গেছে, নকল নবিশ হিসেবে যোগদান করে সাভার সাবরেজিস্ট্রার অফিসে আব্দুর রহমান। সেখানে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলে সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি। সেই সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা প্রভাবিত করে সাভার সাবরেজিস্ট্রার অফিস  নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্ষমতা জাহির করে হাতিয়ে নিয়েছিলেন কোটি কোটি টাকা। অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন কেরানি আব্দুর রহমান। সাভারের কয়েক কোটি টাকা দিয়ে রেডিও কলোনির পাশে ৫ তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি।

সাভার বাসস্টেন্ডে বহুতল মার্কেটে কয়েকটি দোকান যার বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা। সাভার পৌর এলাকাতে থানার পিছনে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, সাভার পল্লি বিদ্যুৎ এলাকায় দেড় বিঘা যায়গার ওপরে বাগান বাড়ী, নামে বেনামে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী আব্দুর রহমান। এছাড়া ও রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বাহীরে অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা পাচার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে। দুদক ক্ষতিয়ে দেখলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সের সাধারণ কর্মচারীরা। সুত্রে আরও যানা যায়, মহা ক্ষমতাধর লীগ পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করছেন বিগত সময়ে, এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স কেরানি আব্দুর রহমান। দলিল লেখক জাহিদ হোসেন আজকের সংবাদ কে জানান খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসের কেরানি আব্দুর রহমানের হাতে জিম্মি হয়ে পরেছেন তাঁরা।কারণে অকারণে দলিল আটকে রেখে হয়রানি করে যাচ্ছে তিনি। আবার তাঁর চাহিদা মাফিক ঘুষ দিলে সহজেই সবই ঠিক আছে বলে দলিল সম্পাদন করা হয়। সুত্রে যানা যায়, সাভার অফিস থেকে নকল নবিশ থেকে, মোহরার পদে পদায়নে পদোন্নতি পেয়ে খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কেরানী পদে যোগদান করে, পরবর্তীতে কেরানি পদে পদায়ন করে আব্দুর রহমানকে কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে যোগদান করে সেখানে তাঁর নেতৃত্বে কমিশন বানিজ্য করার কারণে দলিল লেখকগন আন্দোলন অব্যহত ছিল। তাঁর বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য বন্ধ করতে ব্যার্থ হয়েছিল দলিল লেখকেরা,কারণ তার গড়ে তোলা সিন্ডিকেট বাহীনি কাছে অসহায়ের মতো ছিল সাধারণ দলিল লেখক ও দাতা গ্রহীতারা।

দীর্ঘ ১ বছর অধিক সময় ধরে খিলগাঁও সাবরেজিস্টার অফিসে কেরানী আব্দুর রহমান   কর্মরত থেকে ঘুষ বানিজ্য ও অসহায় হয়ে পরেছেন দলিল লেখকেরা। বিগত সময়ে (আইজিআর) অফিসে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত  অভিযোগ ভরি ভরি থাকলেও অদৃশ্য শক্তি আর তাঁর অবৈধ টাকার প্রভাবে সেই সকল অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি আজও পর্যন্ত। খিলগাঁও সাবরেজিস্টার অফিসে কেরানী আব্দুর রহমান নেতৃত্বে চলছে হরিলুট ও ঘুষের রাজত্ব। চলছে লুটপাটের মহা- উৎসব, বিগত সময়ে ঢাকার ধামরাইয়ের কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানী আব্দুর রহমানের ঘুষ বাণিজ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়লে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।মূল ঘটনা:ভিডিও ভাইরাল: ভিডিওতে কেরানী আব্দুর রহমানকে অর্থের বিনিময়ে কাজ করতে দেখা যায়।আলোচনা-সমালোচনা, এই ঘটনাটি এলাকায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ঢাকা জেলায় ধামরাইয়ে কালামপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানী আব্দুর রহমানের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক) এ ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা ঝড়।

 প্রতিনিয়ত খিলগাও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানী আব্দুর রহমান দলিল প্রতি দলিল লেখকদের কাছে থেকে টাকা নিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। খিলগাঁও সাবরেজিস্ট্রার অফিসে দলিল লেখকদের কাছে থেকে দলিল প্রতি এন এন ফি বাবদ ৫৭২ টাকা সরকারি ফি নেওয়ার কথা থাকলেও নিয়ে থাকতেন,তাঁর থেকে অনেক বেশি। এরপরও লেখকদের ফি এর টাকা নেওয়ার পরও অনেক লেখকই এর কোন রিসিট দেননা তিনি। কিন্তু কিসের জন্য অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকেন এর কোন সদুত্তর এখনো পাওয়া যায় নি। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেই সকল দলিল লেখক দের কে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল হতে হয় আব্দুর রহমানের হাতে বলে একাধিক দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান। এককথায় হয়রানির আরেক নাম খিলগাঁও সাবরেজিস্টার অফিসে কেরানী আব্দুর রহমান।

বিগত সময়ে কালামপুর সাবরেজিস্টার অফিসে ঘুষের টাকা গুনতে দেখা যায় প্রকাশ্যে আব্দুর রহমানে তাঁর একটি ভিডিও ২০ মে ২০২৫ দুপুরের দিকে টাকা নেওয়ার ১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুক)  এ ছড়িয়ে পড়ে। কৃত পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নী। যার ফলে চরম উত্তেজনা বিরাজমান ছিল সেই সময়ে। এ নিয়ে সুশীল সমাজের মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠলেও নিরব ভুমিকা রেখেছে জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকা।

কেরানী কালামপুর থেকে তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর খিলগাঁও  সাব রেজিস্ট্রার অফিসে বদলি হয়ে আসার পরই ঘুষের রেইড আরও বৃদ্ধি পেয়েছে চার গুন। ঘুষের লেনদেনের কাজ করে যাচ্ছেন দের্দাচ্ছে বলে জানা যায়। এ বিষয়ে কেরানী আব্দুর রহমান টাকা লেনদেনের বিষয়টি জানতে তার মোবাইল ফোনে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।