বদলী বানিজ্য করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

স্বৈরাচারের দোসর বিআইডব্লিউটিসির দাপটি ফজলে রাব্বি এখনো বহাল তবিয়তে

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৬ ১৯:১১:০১  আপডেট :  ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২৬ ১৪:৩০:১৩

স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর বিআইডব্লিউটিসির চিফ পার্সোনেল ম্যানেজার ফজলে রাব্বি”র” বেপরোয়া হয়ে বদলী বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর বদলি বানিজ্যের কারণে সাধারণ মাস্টার, ড্রাইভারা হিম শিম খাচ্ছেন। সুত্রে যানা যায়, ৫ই আগষ্টের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে স্বৈরাচারী লীগ সরকারের পতন হলেও, লীগের দোসর দুনীতিবাজ চিফ পার্সোনেল ম্যানেজার ফজলে রাব্বির ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় অদৃশ্য শক্তি কারণে। 

বিআইডব্লিউটিসির অধিনে ৮০ জন গিজার পদে নিয়োগ দিয়ে,প্রতি জন থেকে ঘুষ বাবদ ৮/১০ লক্ষ টাকা প্রতি জন থেকে নিয়ে নিয়োগ প্রদান করেছেন তিনি। শুধু তাইনয় আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিসির, মাস্টার, ড্রাইভার, সুকানী সহ একাধিক পদের বিপরীতে বদলী করে রেখেছেন অগ্রীম জন প্রতি ৩/৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে । সম্পূর্ন নিয়ম বহির্ভূত ভাবে শুধুমাত্র তিনি আর্থিক সুবিধা নিয়ে অনিয়ম কে নিয়মের পরিনত করেছেন এই দুনীতিবাজ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি।  এই ভাবে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন ফজলে রাব্বি গংরা।

সুত্রে আরও যানা যায়, বিগত ২০০৬ সালে অক্টোবর মাসে গবেষণা পদে চাকরি পায় বিআইডব্লিউটিসিতে ফজলে রাব্বি। চাকরি পেয়ে তাকে আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নী, তার নেতৃত্ব চলে বেপরোয়া ঘুষ, কমিশন,সিন্ডিকেট বানিজ্য।

বিআইডব্লিউটিসির এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের স্ব- ঘোষিত নেতা আলাউদ্দিনের প্রকাশ্যে মদদে এই সকল বদলী,নিয়োগ বানিজ্যের  লিপ্ত হয়ে পরেছেন ফজলে রাব্বি ও তার সিন্ডিকেট বাহীনি।

সুত্রে যানা গেছে, ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে অবৈধ্য নির্বাচন বিহিন নেতা দাবীদার আলাউদ্দীনের নিয়োগ সংক্রান্ত অডিট আপত্তি হলেও এখন বহাল তরিয়াতে আছেন আলাউদ্দিন। আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে গত ১৭/২/২৬ তারিখে বিআইডব্লিউটিসির মেন গেটে তালা ঝুলিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ কে অবরুদ্ধ করে জোর পুর্বক রুবেলুর জামাকে বদলীর আদেশের  সাক্ষর করতে বাধ্য করেন বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। তাঁরা আরও জানান, বিগত ৩/৪ মাস আগে মানসুরাকে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বদলী করা হয় পার্সনেল শাখায়।

তখন এই দুনীতিবাজ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি ও স্বঘোষিত নেতা আলাউদ্দীন মব সৃষ্টির করে চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ কে জোর পুর্বক বাধ্য করে মানছুরার বদলী আদেশ বাতিল করতে। এই ভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন তারা।

বিআইডব্লিউটিসিতে ফজলে রাব্বি গড়ে তুলেছেন সুবিশাল সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে,সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। খোঁজ নিয়ে আরও যানা গেছে, পতিত লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী শামসুল হক টুকুর অবৈধ্য ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এ জিএম প্রশাসন পদটি বাগীয়ে নেন। পরবর্তীতে একই পন্থায় ২০২০ সালে শুন্য পদ না থাকার সর্তে ও শুধু মাত্র লীগের দাপট দেখিয়ে চিফ পার্সেস অফিসার পদতী বাগীয়ে নেন তিনি। চিফ পার্সেস পদে পদায়ন নিয়ে চলে তার নেতৃত্ব জাহাজের মেরামত সংস্কার, যন্ত্রপাতি কেনা কাটার ধুমধাম। রাজধানী পুরান ঢাকা থেকে পুরাতন যন্ত্রঅংশ ক্রয় করে নতুন বিদেশি পন্যের দামে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। তার আমলে একাধিক অডিট আপর্তী থাকলেও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যাক্তীদের নিরব ভুমিকা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ।

সুত্রে আরও যানা যায়, ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার আমলে সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর দেশের বাড়ি পাবনা ও ফজলে রাব্বির দেশের বাড়ি একই এলাকাতে হওয়ায় তাঁর দাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন ফজলে রাব্বি বিআইডব্লিউটিসিতে। তিনি অবৈধ্য ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে রাম রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ চিফ পার্সোনেল ম্যানেজার ফজলে রাব্বি। সুত্রে যানা যায়, লীগ পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিভিন্ন খাত দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা। সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর সুপারিশে বিগত ২০২৩ সালে চিফ পার্সোনেল পদটি বাগীয়ে নেন তিনি। যার ঐ সময়ে তাঁর বদলীর আদেশের ফাইল যাচাই বাঁচায় করলে প্রমাণিত হবে। নারী কেলেংকারী তে পিছিয়ে নেই মহা ক্ষমতা ধর লীগের দোসর ফজলে রাব্বি, তার অধিনে এজেষ্টেন ম্যানেজারের সাথে রয়েছে নাকি ঘনিষ্ঠ অবৈধ্য সম্পর্ক।

বিআইডব্লিউটিসির সুন্দরী নারী দেরকে বিভিন্ন ভাবে কু- প্রস্তাব দিয়ে থাকেন তিনি। আর যে সকল কর্মকর্তা সুন্দরী নারীরা তার অবৈধ্য সম্পর্কে রাজি না হলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে  নাজেহাল হতে হয় বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। মাত্র কয়েক বছরের ব্যাবধানে বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি। রাজধানী মোহাম্মদপুরে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ক্রয় করে সেখানে তাঁর স্ত্রী সন্তান দেরকে নিয়ে বসবাস করেন। এছাড়া ও নামে বেনামে গড়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। তাঁর দেশের বাড়ি পাবনা তে ও বিপুল পরিমাণ অবৈধ্য পন্থায় হয়েছেন সম্পদশালী তিনি।উক্ত অভিযোগ এর বিষয় তার মতামত জানতে তার মোবাইলে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।