বিআইডব্লিউটিসির স্বঘোষিত বিএনপি পন্থী নেতা আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে বদলী ও টেন্ডার বানিজ্যের অভিযোগ

বিআইডব্লিউটিসির স-ঘোষিত নেতা আলাউদ্দীনের বেপরোয়াভাবে বদলী,টেন্ডার বানিজ্যর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে যানা যায়, বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের পতনের পরে বিআইডব্লিউটিসির জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়ারী ইউনিয়নের ঘরোয়া ভাবে কমিটির মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগীয়ে নিয়ে বদলী বানিজ্য কমিশন বানিজ্য টেন্ডার বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। অনন্তবর্তী সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা ক্ষমতা ধর আলাউদ্দিন। গত দের বছরে কয়েকশো জাহাজের মাস্টার, ড্রাইভার, সহ অন্য অন্য পদে বদলী বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। তাঁর অবৈধ্য বদলি করতে অপারগতা প্রকাশ করলে সেই সকল কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি নাজেহাল হতে হয়েছে বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। শুধু মাত্র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন আলাউদ্দীন ও তার সাংঙ্গ পাংঙ্গরা।বিএনপির সিনিয়র নেতা আমির খসরু দুনীতির জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়ে আশার কথা বললেও বিআইডব্লিউটিসির কথিত বিএনপির নেতা আলাউদ্দীনের বেপরোয়া বিশৃঙ্খল,বদলী বানিজ্য থামানো যাচ্ছেনা কোন ভাবেই। লুটপাটের মহোৎসব চালাচ্ছেন ফজলে রাব্বি ও আলাউদ্দিন সিন্ডিকেটরা।
আর তাঁকে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন বিআইডব্লিউটিসির চিফ পার্সোনেল ম্যানেজার ফজলে রাব্বি। ফজলে রাব্বির দেশের বাড়ি পাবনা জেলায় ও (টিএস) আলাউদ্দীনের বাড়ি একই এলাকায় হাওয়াতে তাদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলী বানিজ্য সহ নানান অপকর্মে চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশেয়। সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই দুই কর্মকর্তার নিকট জিম্মি হয়ে পরেছেন।
খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায়, আলাউদ্দীনে কর্মস্থল শরিয়তপুর হলেও তিনি তাঁর কর্মস্থলে না গিয়ে বিআইডব্লিউটিসিতে বদলী বানিজ্য, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন আলাউদ্দীনগংরা। সুত্রে আরও যানা যায়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহকে জিম্মি করে, মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিসির অফিসার্স এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারী অন্যতরে বদলী করার জন্য মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিসির মেনগেটে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। তাকে বদলী আদেশে স্বাক্ষর করার জন্য নজিরবিহীন বর্বরোচিত ঘটনা ঘটায় আলাউদ্দীন ও তার অবৈধ্য বাহিনী নিয়ে। যার পরিপেক্ষিতে ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে অফিসার্স এসোসিয়েশন, সাধারণত কর্মকর্তা, চেয়ারম্যান সলিম উল্লাহ সহ অন্য অন্য প্রমুখ মতবিনিময় করার সময়ে আলাউদ্দীন ও তার অনুসারীরা অতর্কিত হামলা করে।
বিআইডব্লিউটিসির (জিএম) পদমর্যাদার দুই না’রী কর্মকর্তার গায়ে হাত দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। দুনীতিবাজ (টিএস), আলাউদ্দীন বহিরাগত লোকজন এনে সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে ত্রাসের সৃষ্টি করে, লাগামহীন ক্ষমতার জানান দেন। আলাউদ্দীনের ক্ষমতার উৎস কোথায়? বিএনপির নির্বাচিত সাংসদরা সবে মাত্র গতকাল শফত গ্রহণ করলো আর আজকের মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিসিকে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতার দাপটে। এখুনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা জাতীয় বাদী শ্রমিক দলের স- ঘোষিত নেতা আলাউদ্দীনের অবৈধভাবে ক্ষমতার দাপট থামাতে না পারলে বর্তমান বিএনপি সরকারের ভাবমূর্তি চরম ভাবে ক্ষুন্ন হবে বলে মনে করেন বিআইডব্লিউটিসির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
সুত্রে যানা যায়,মাত্র দের বছরের ব্যাবধানে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন আলাউদ্দীন। রাজধানীর মিরপুর সহ তার দেশের বাড়ি পাবনাতে বিপুল অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি। এছাড়া নামে বেনামে গড়েছেন অঢেল সম্পদ।বিআইডব্লিউটিসির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের একটায় প্রশ্ন সামান্য তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা এত সম্পদশালী হলেন কোন পথে। দুদক খতিয়ে দেখলে অবৈধ সম্পদের খোজ মিলবে,থোলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা।
জীবননগর থানা পুলিশ কর্তৃক ০১ (এক) টি জিআর যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার। চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জীবননগর থানার চার্জ অফিসার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব রিপন কুমার দাস এর তত্তাবধানে এএসআই (নিঃ) মোঃ রেজা হাসমত, এএসআই (নিঃ) মোঃ আহসান হাবিব ও সংগীয় র্ফোসসহ অদ্য ১৭/০২/২৬ তারিখ জীবননগর থানাধীন একতারপুর এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে জিআর সাজা- ৮৪/১৪, দায়রা- ২৯৭/১৫, প্রসেস নং- ৩৭/২৬, তারিখ- ০৩/০২/২০২৬ খ্রিঃ, খানজাহান আলী থানার মামলা নং- ০২ (১১) ১৪ এর যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী সুমন খাঁ ওরফে সুমন আহম্মদ, পিতা- মৃত রবিউল খাঁ, সাং- একতারপুর, ঈদগাহ পাড়া, থানা- জীবননগর, জেলা- চুয়াডাঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিচারার্থে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
