কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে চলছে হরিলুট
প্রটোকল অফিসার আমিনুর ও প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের আমির হামজার নেতৃত্বে চলছে ঘুষ বানিজ্য ॥ দেখার কেউ নেই

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান (সেলিম) এর নেতৃত্বে চলছে ঘুষ, বানিজ্যর মহা উৎসব। বেপরোয়া ঘুষ দুনীতি,কমিশন বানিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল কার্যক্রম। বিগত পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ উচ্চমান সহকারী আমিনুর।
বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের ব্যানারে দাপট দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক বনে গেছেন আমিনুর। লীগের দোসর বিগত সময়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে দীর্ঘদিন কর্মরত থেকে সু বিশাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন পন্থায় কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে জিম্মি করে চাঁদাবাজী করে গেছেন দেদারসে। এখন আবার লীগ পন্থী কর্মকর্তা কর্মচারীদের পুর্নবাসন করতে উঠে পরে লেগেছেন ও মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর। স্বৈরাচারী লীগ সরকারের পতন হলেও এখন লীগের দোসর আমিনুর রয়েগেছেন বহাল তরিয়াতে।
সুত্রে যানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে(ডিএই)সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির স্ব- ঘোষিত সভাপতি দাবিদার আমিনুর ও প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের আইন শাখার উচ্চমান সহকারী লীগের দোসর আমির হামজাকে নিয়ে সমিতির ব্যানারে চলছে রমরমা কমিশন, বদলী ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিকট চাঁদা বানিজ্য। সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা স্ব- ঘোষিত নেতার হাতে জিম্মি হয়ে পরেছেন বলে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান। সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন মহা ক্ষমতাধর আমিনুর ও আইন শাখার উচ্চমান সহকারী আমির হামজা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ে দুনীতিবাজ আমিনুর রহমান খান সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এর তদন্তে সাবেক ডিজি বাদল চন্দ্র বিশ্বাসকে দিলে তিনি আইন শাখার নেস্ত করলে তাঁর অভিযোগের আমলনামা ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন আইন শাখার উচ্চমান সহকারী আমির হামজা বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। দুনীতিবাজ আমির হামজা ও আমিনুরের আর্শীবাদ হিসাবে আছেন প্রশাসন ও অর্থ উইং (লীসাসা) উপ-পরিচালক,মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ- পরিচালক সহিদুল আমিনের প্রতক্ষ মদদে।
একাধিক সুত্রে যানা গেছে, বিগত লীগ সরকারের আমলে অবৈধ ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের spps প্রকল্পের পিডি লীগের দোসর মোবারকের যোগসাজশে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন উক্ত প্রকল্পের সাবেক হিসাব রক্ষক আমিনুর রহমান খান। খোঁজ নিয়ে আরও যানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে, ড্রাইভার, অফিস সহায়ক, কম্পিউটার অপারেটর, সহ অন্য অন্য কর্মচারীদের সংযুক্ত না করে শুধু মাত্র কেরানিদের একটি অংশ নিয়ে সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির গঠন করে ত্রাস সৃষ্টি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে খামারবাড়িতে। যেসকল সদস্য আছে তাদের মধ্যে অনেকেই লীগের দাপট দেখিয়ে লীগ পন্থী বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের নেতা ছিলেন। এখন ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী সংগঠনের নেতা দাবীদার আমিনুর রহমান ও তাঁর অবৈধ সংগঠনের নেতা কর্মীরা বলে একাধিক সুত্রেযানা গেছে।
প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান ( সেলিম) এর ডিএইতে আরেকটি প্রাচীন নাম আছে, মিস্টার ১০% নাম সু পরিচিত। দিনের ১২ টায় অফিসে আসেন, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের কর্মকর্তারা নির্বিকার। দেরীতে অফিসে আশা অবৈধ ক্ষমতাধর নেতার প্রটোকল অফিসার আমিনুরের কাছে জিম্মি বলে মনেহয়। কারণ আমিনুরের মাধ্যমে কমিশন নিয়ে থাকেন উপ- পরিচালক লীসাসা,নজরুল। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আজকের সংবাদকে জানান স্বঘোষিত নেতা প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান মাদকসেবী সারাদিন সেবনের উপরে থাকে। সাধারণ কর্মচারীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে গালাগালি করে হুমকি ধামকীর মধ্যে রাখেন তাদেরকে। আমিনুরের ডোপ টেষ্ট করলে প্রমাণিত হবে বলে তাঁরা জানান।আরও জানানযে নারী কেলেংকারীতেও পিছিয়ে নেই মহা ক্ষমতাধর আমিনুর।
সাভারের তাঁর নিজের বাগানবিলাস নামক একটি বাগানবাড়ি আছে সেখানে মদ,মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করেন আমিনুর ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা। এছাড়া ও সাভারের রেডিও কলোনিতে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। চলেন দামী গাড়ীতে। নামে বে নামে অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছিলেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর। তাঁর হাবভাব দেখলে মনে হবে মস্ত বড়ো শিল্পপতি কিংবা বড়মাপের অফিসার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তাদের গাড়ি ও হালানী তৈল,গ্যাস সরবরাহ করেন প্রটোকল অফিসারের অধিনে। তাদের সাথে গভীর সখ্য গড়ে তুলে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ দুনীতি সর্গরাজ্য পরিনত করেছেন।প্রকাশ থাকেযে বর্তমান কৃষি উপদেষ্টা, কৃষি সচিব এর সাথে রয়েছে নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বলে থাকেন প্রকাশ্য। লীগের দাপটে দেখিয়ে দাপ্তরিক কাজের বিপরীতে ঘুষের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো বিগত লীগ সরকারের আমলে, এখনো কৃষি মন্ত্রণালয়ের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব করেছেন দুনীতিবাজ প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম। উক্ত অভিযোগ এর বিষয় আমিনুর রহমানের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। উপ পরিচালক লিসাসা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।
