ফ্যাসিবাদের দোসর ডিএই'র সাবেক মহা পরিচালক বেনজিরের ক্যাশিয়ারখ্যত দুর্নীতির বরপুত্র পিডি হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে চলেছে হরিলুট

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের লীগের দোসর সাবেক মহা পরিচালক বেনজিরের ক্যাশিয়ার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সুবিধাভোগী প্রকল্প পরিচালক হুমায়ূন কবির এখনো বহাল তবিয়তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন খামারবাড়িতে। সুত্রে মতে, পতিত স্বৈরাচারী লীগ সরকারের দাপটি সাবেক পিডি,মহা - পরিচালক বেনজির আলমের আস্থাভাজন ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে অন্তরালের ক্যাশিয়ারখ্যত লীগের দোসর দুনীতি পরায়ন হুমায়ূন কবির কে বিশেষ সুবিধা দিয়ে পিডি বানিয়ে ছিলেন তিনি। এখন আবার ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী দাবী করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, বর্তমান সরকারের কৃষি মন্ত্রীর ছোট ভাই হুমায়ুন কবিরের বন্ধ বলে প্রকাশ করে যাচ্ছে অনেক কর্মকর্তা দের মাঝে। নারী কেলেংকারী তে পিছিয়ে নেই মহা ক্ষমতার পিডি হুমায়ূন কবির। দুনীতি মহা উৎসব চলছে ও রমরমা কমিশন বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। (ডিএই) কর্তৃক পরিচালিত “বাংলাদেশে বাজারমুখী কৃষি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যান ফসল কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প”র পিডি হুমায়ূন কবির (বকুল) এর আর্থিক দুনীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রকল্পের আওতায় সকল কার্যক্রম।
আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালে প্রকল্পটি সমাপ্ত হওয়ার কথা আছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ক্ষুদ্র উদ্যান ফসল (শাকসবজি ও ফলমূল) চাষিদের প্রচলিত কৃষি চেতনা পরিবর্তন করে বাজারমুখী বা লাভজনক কৃষিতে রূপান্তর করা। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় তেমন উন্নয়ন না হলেও পিডি হুমায়ূন কবিরের ব্যপক আর্থিক উন্নয়ন হয়েছে বলে একাধিক সুত্রে আরও যানা গেছে। আওয়ামী সুবিধা ভোগী দুনীতির মহাগুরু নামে সু বিশাল পরিচিত খামারবাড়ি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মুখে মুখে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে ছাত্র লীগে করার সুবাদে ছাত্রলীগের কোটায় সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা এন,এস,আই এর চাকরি হাতিয়ে নেন তিনি। সেখানে তেমন কোন আর্থিক সুবিধা করতে না,পেরে পুনরায় লীগের অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ২৮ তম বিসিএসের মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাকরি হাতিয়ে নেন মহা ক্ষমতাধর হুমায়ুন কবির। পতিত লীগ সরকারের দোসর সাবেক মহা পরিচালক বেনজির আলমের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিল অল্প দিনের মধ্যে। তাঁর পরে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। জাঁইকার অর্থায়নে উল্লেখীত প্রকল্পের পিডি পদ বাগীয়ে নিয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে বরাদ্ধের বিপরীতে কমিশন বানিজ্য করে বনে গেছেন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক।
প্রকল্পটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত (SHEP (Smallholder Horticulture Empowerment and Promotion) পদ্ধতি অনুসরণ করে কাজ করার। কৃষকরা “উৎপাদন করে বাজারে বিক্রির” চেষ্টা করতেন (Grow and Sell) প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে “বাজারের চাহিদা বুঝে বিক্রির জন্য উৎপাদন” করা (Grow and Sell)। অর্থাৎ চাষ করার আগেই বাজারের চাহিদা, ক্রেতা এবং সঠিক মূল্য যাচাই করে ফসল নির্বাচন করা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যসমূহ কৃষকের আয় বৃদ্ধি: ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক উদ্যান চাষিদের কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বার্ষিক আয় বৃদ্ধি করার। কৃষকদের সহায়তা দক্ষতা উন্নয়ন: কৃষকদের ব্যবসায়িক জ্ঞান বা ‘কৃষক বিজনেস স্কুল’ (Farmer Business School) মডেলের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার কথা ডিপিপিতে উল্লেখ করা থাকলেও প্রশিক্ষণের বিপরীতে কাগজে কলমে বরাদ্দ দিলেও, বাস্তব সেই বরাদ্ধ ফেরত নিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করছেন বলে একাধিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষকদের জানা যায়। কৃষক, সরকারি সম্প্রসারণ কর্মী, বীজ ও সার কোম্পানি, বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি টেকসই বাজার সংযোগ (Market Linkage) তৈরি করা হয়েছে কাগজে কলমে বাস্তবে তাঁর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন জেলায়।
বাস্তবায়ন পদ্ধতি কৃষক গ্রুপ গঠন: প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র ও নারী কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করে বিভিন্ন ‘কৃষক গ্রুপ’ (Farmer Groups) গঠন করা হয়েছে। * বাজার জরিপ (Market Survey): চাষ শুরু করার আগে কৃষকরা নিজেরাই সরাসরি স্থানীয় বা আঞ্চলিক বাজার পরিদর্শন করে ক্রেতাদের চাহিদা, কোন জাতের ফসলের দাম ভালো এবং কোন সময়ে চাহিদা বেশি থাকে তা জরিপে দেখা যায় তার উল্টো চিত্র। ক্রপ ক্যালেন্ডার তৈরি: বাজার জরিপের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কৃষকরা একটি নির্দিষ্ট ‘ফসল রোপণ পঞ্জিকা’ বা ক্রপ ক্যালেন্ডার তৈরি করা। প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর: নিরাপদ ফসল উৎপাদন, উত্তম কৃষি চর্চা (GAP), আধুনিক হিমাগার বা ফসল সংগ্রহ-উত্তর ব্যবস্থাপনা (Post-harvest management) এবং বিপণন কৌশল বিষয়ে কৃষকদের নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রধান অংশীজন ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি যৌথভাবে এবং সমন্বিত উপায়ে কাজ করেছে, যেখানে রয়েছে: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) (প্রধান বাস্তবায়নকারী সংস্থা) বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে। প্রকল্প টির অর্থায়মের সহায়তা করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (JICA) (আর্থিক ও কারিগরি সহায়তাকারী হিসেবে।
বিভিন্ন বেসরকারি বীজ ও কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় কৃষি নীতিতে এই বাজারমুখী SHEP ধারণাকে স্থায়ী রূপ দিতে এবং দেশব্যাপী সমস্ত ক্ষুদ্র চাষিদের মাঝে এই মডেল ছড়িয়ে দিতে কৃষি মন্ত্রণালয় ও ডিএই উক্ত প্রকল্পটি হাতে নেয়। এই প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি জেলার নির্দিষ্ট অঞ্চলের সুবিধাভোগী বা কৃষক গ্রুপের সাথে কথা বলে জানা গেছ প্রশিক্ষণের বিপরীতে অর্থ প্রদান করার জন্য বলা হয়েছিল,কিন্তু তাঁর তেমন কোন আর্থিক সুবিধা দেননি। তারা আরও জানান, কৃষকদের সহজ শর্তে কম সুদে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণসহ কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে অঙ্গীকার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে নিরুৎসাহিত করে পিডি নিজেই। ‘বাংলা-শেপ’ প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে ক্ষুদ্র কৃষক, গড় আয় বেড়েছে ২৪% বলে প্রকাশ করা হচ্ছে, অথচ বাস্তবে তাঁর ধারের কাছেই নেই। সরেজমিন প্রকল্পের কর্যক্রমের অর্থিক অনিয়মের খুঁজতে অঞ্চল: ১৪টি (ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, সিলেট, রাজশাহী, সহ অন্য অন্য সুবিধা ভোগী কৃষক দের সাথে কথা বলে জানা গেছ প্রশিক্ষণের বিপরীতে অর্থ প্রদান না, করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করেছেন পিডি সহ সংসৃষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের যোগসাজসে। মায়মনসিংহ সদরের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃষক আব্দুল মান্নান আজকের সংবাদ কে জানান কৃষি কর্মকর্তারা তাদের নিকট থেকে স্বাক্ষর নিলেও তাদের প্রশিক্ষণের ভাতা প্রদান করেন নাই তারা। আরার অনেক জেলায় নাম মাত্র ভাতা প্রদান করেছেন তারা। প্রকল্পের আওতায় কেনা কাটা সহ বিভিন্ন ভাবে আনুসাঙ্গীক খাতে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। উল্লেখীত অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক হুমায়ূন কবিরের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি এই প্রতিবেদকের হুমকির স্বরুপ কথা বলেন।
