সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিএডিসি’র বরখাস্তকৃত কর্মচারী ইব্রাহিম খলিলকে ২ সপ্তাহের ব্যবধানে পুনবহাল করলেন চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ১৯:৩৭:০৬

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসির) দুনীতিবাজ,সাবেক গুদাম রক্ষক,ইব্রাহিম খলিল সুমনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক দুনীতির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রমানিত হলেও সংস্থার প্রধান( চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত সচিব)  আজিজুল ইসলাম দায় মুক্ত করে চাকরিতে বহাল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে যানা গেছে, দুনীতির বর পুত্র সাবেক গুদাম রক্ষক,বর্তমান সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ট্রেনিং সেন্টার মধুপুরে বিরুদ্ধে বিগত সময়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের কারণে  সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে পুনরায় বহাল করা হয়েছে। সুত্রে আরও জানা গেছে, গত ১২ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে বরখাস্ত করা হয়,(৩৬,১৭,৪৫৬) টাকা আত্মসাৎ ও( ৫,৫৫,৫০১) টাকা অডিট আপত্তি জন্য মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন ইব্রাহিম খলিলকে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের প্রতক্ষ মদর্দে সরকারি অর্থ লুটপাট কারী  ইব্রাহিম খলিলকে গত ১২ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে বরখাস্ত করা হলেও ২৫ শে আগষ্ট ২০২৫ তারিখে শর্ত সাপেক্ষে পুর্নবহালের আর্দেশ প্রদান করা হয়েছে কোন সার্থে? বিএডিসি “র” চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের হস্তক্ষেপে ও বিএনপির রাজনৈতিক চাপের কারণে দুনীতিবাজ, সরকারি অর্থ লুটপাটকারী ইব্রাহিম খলিল সুমনকে চাকরিতে পুর্ন বহাল করিয়েছেন বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। এতে করে বিএডিসির চেইন অব  কমান্ড ভেঙ্গে পড়েছে,দুনীতির দায়ে অভিযুক্ত কি ভাবে দায়মুক্ত হতে পারে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তদন্তে দাবী জানিয়েছেন বিএডিসির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

সুত্রে জানা গেছে, ২৫/৮/২৬ তাঁরিখে বিএডিসির উপ সচিব, আবু জাফর রাসেদের স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে জানাগেছে, মো: ইব্রাহীম খলিল, বরখাস্তকৃত সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএডিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, মধুপুর, টাঙ্গাইল [প্রাক্তন সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত), বিএডিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মধুপুর, টাঙ্গাইল দপ্তরে সংযুক্ত]। তিনি সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গুদামরক্ষকের দায়িত্বসহ অন্যান্য শাখার দায়িত্ব থাকা কালিন, সাবেক  উপ-পরিচালক (বীবি) এর দপ্তরে বিএডিসি, রাঙ্গামাটি হিসেবে কর্মকালীন ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বোরো ধানবীজের বিক্রয়লব্ধ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করে সদর দপ্তরে স্থানান্তর করার জন্য যুগ্মপরিচালক (বীবি), বিএডিসি, চট্টগ্রাম দপ্তরের স্মারক নং-৫৯৯, ৬২৯ ও ৬৭৩; তারিখ: ২০ এপ্রিল, ০৮ মে ও ২৪ মে ২০২৫ মোতাবেক নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এছাড়াও উপপরিচালক (বীবি) বিএডিসি, রাঙ্গামাটি দপ্তরের স্মারক নং- ৩৪১, ৩৯৩ ও ৪৪২; তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০ এপ্রিল ও ২৭ মে ২০২৫ মোতাবেক সমুদয় অর্থ তাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বোরো ধানবীজ বিক্রি অনেক আগেই শেষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি বোরো ধানবীজ বিক্রির টাকা সংশ্লিষ্ট হিসাবে জমা প্রদান করেননি সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করে মহা ধ্রতবাজ ইব্রাহিম খলিল।

বিগত ১৫ মে ২০২৫ তারিখে মোজাদ্দেদ নাজির হোসেন, উপব্যবস্থাপক (বীজ বিতরণ), বিএডিসি, ঢাকা এর পরির্দশনের সময় চূড়ান্ত হিসাব পর্যালোচনা করে দেখে ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বিক্রিত বোরো ধানবীজের বিক্রয়লব্ধ অর্থের অজমাকৃত টাকার পরিমাণ( ৩৬,১৭,৪৬৫/-) টাকা; এবং ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বোরো ধানবীজের বিক্রিকৃত টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান না করা ও উক্ত দপ্তরের বীজ গুদামসহ বীজ সম্পর্কীয় যাবতীয় রেকর্ড পত্র, রেজিষ্টার ও হিসাব নিকাশ যথাসময়ে বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণীত হয়। সংস্থাপন বিভাগের স্মারক নম্বর: ১২.০৬.০০০০.২০৩.২৭.০৬৭.২১-১৭৫২; তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ মোতাবেক দুনীতিবাজ ইব্রাহিম খলিল কে ব্যাখ্যা তলব করা হয়।

পরবর্তীতে সংস্থাপন বিভাগের স্মারক নম্বর: ১২.০৬.০০০০.২০৩.২৭.০৬৭.২১-১৯৭৭; তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৫ মোতাবেক তাকে ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে সংস্থার প্রাপ্য( ৩৬,১৭,৪৬৫/-) টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসেবে জমা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান এবং অন্যথায় তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মর্মে বর্ণিত পত্র দ্বারা অবহিত করা হলেও বর্তমান সরকারের নেতাদের ছত্র ছায়ায় থেকে অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে,উদ্ধতন কর্মকর্তা দেরকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে নয় ছয় করে কাল ক্ষেপণ করেন ইব্রাহিম খলিল।

পত্র সুত্রে আরও যানা জায় অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (বীবি), বিএডিসি, ঢাকা বিভাগ হতে প্রেরিত তথ্য মোতাবেক ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বোরো ধানবীজ বিক্রির অজমাকৃত টাকার মধ্যে তার কর্তৃক গত ২৯ জুন ও ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখ (৫,০০,০০০+১,৫০,০০০)= ৬,৫০,০০০ টাকা সংস্থার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করা হয়েছে কিন্তু অবশিষ্ট টাকা অদ্যাবধি জমা প্রদান করা হয়নি। উল্লিখিত অভিযোগে ইব্রাহিম খলিল সুমনের  বিরুদ্ধে বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর প্রবিধি নম্বর: ৩৯ এর (ক), (খ) ও (চ) মোতাবেক দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ ও আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা (মামলা নং-১২/২০২৫) রুজু করে ১২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে,যার স্মারক নং  ১২.০৬.০০০০.২০৩.২৭.০৬৭.২১.২২৬৯ নং স্মারকের মাধ্যমে অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী প্রণয়নপূর্বক তার নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল।

বিএনপির দক্ষিণের এক নেতার ভাঙ্গী নাকি দুনীতিবাজ ইব্রাহিম খলিল  সেই দাপটে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন বিএডিসিতে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণীর জবাব দাখিল করেন এবং ব্যক্তিগত শুনানীর ইচ্ছা পোষণ না করায় তার ব্যক্তিগত শুনানী গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি মর্মে পত্রে উল্লেখ করেন। ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে বর্ণিত বিভাগীয় মামলায় দন্ড আরোপের পর্যাপ্ত ভিত্তি রয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিএডিসি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর প্রবিধি নম্বর ৪৩ (৩) অনুযায়ী আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য ড. মো: মাহবুবুর রহমান, যুগ্মপরিচালক (বীবি), বিএডিসি, সেচ ভবন, ঢাকা’কে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ইব্রাহিম খলিল সংস্থার প্রাপ্ত উল্লিখিত টাকা সংস্থার নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসেবে জমা প্রদান করেননি বিধায় তার বিরুদ্ধে বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর প্রবিধি নম্বর: ৩৯ এর (ক), (খ) ও (চ) মোতাবেক দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েও  অবৈধ ক্ষমতা বলে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন।

আর্থিক দুনীতি প্রমাণিত ও অর্থ আত্মসাৎ এর  অপরাধের জন্য বিএডিসি কর্মচারি চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯০ এর প্রবিধি নম্বর ৪০(১) মোতাবেক কেন তাঁর উপর এক বা একাধিক দন্ড আরোপ করা হবেনা, তার কারণ দর্শানোর জন্য সংস্থাপন বিভাগের ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখের( ৪৫২) সংখ্যক স্মারকযোগে দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ ইস্যু করা হয়।  উক্ত নোটিশের জবাব দাখিল করেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন ইব্রাহিম খলিল।

ইব্রাহিম খলিল সুমনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক দুনীতি অভিযোগ পাওয়াই বিভাগীয় মামলা হয়। মামলা নং-১২/২০২৫ এর অভিযোগনামা/অভিযোগ বিবরণী, সাময়িক বরখাস্ত আদেশ, অভিযুক্তের, তদন্ত প্রতিবদেন, ২য় শোকজ, ২য় শোকজের জবাবসহ নথিতে সংযুক্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোনামায় বর্ণিত অভিযোগ অর্থাৎ ২০২৪-২৫ বিতরণ বর্ষে বিক্রীত বোরো ধানবীজের বিক্রয়লব্ধ অর্থ (৩৬,১৭,৪৬৫/-) টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দেয়ার গুরুতর অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদন মতে প্রমাণিত হয়েছিল। সরকারী অর্থ জমা দেয়ার জন্য অনেকবার অভিযুক্ত ইব্রাহিম খলিলকে নির্দেশনা দেয়া হলেও তিনি  কর্মকর্তা দের কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে আত্বসাৎ কৃত সরকারী অর্থ জমা দেননি। যা বিএডিসি চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর ৩৯ (ক), (খ) ও (চ) মোতাবেক দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ ও আত্মসাতের দায়ে দোষী বলে উল্লেখ করেন পত্রে।

মহা ক্ষমতাধর বিএনপি পন্থী বনে যাওয়া অভিযুক্ত সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্তকৃত) ও বিএডিসি রাঙ্গামাটি বীজ বিপণন দপ্তরের সাবেক  গুদামরক্ষকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো: ইব্রাহীম খলিল-কে বীজ বিক্রয়লব্ধ সরকারী অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসেবে জমা প্রদানের জন্য ডিডি রাঙ্গামাটি, যুগ্মপরিচালক চট্টগ্রাম কর্তৃক অনেকবার লিখিত নির্দেশনা দেয়া হলেও অভিযুক্ত সরকারী অর্থ জমা প্রদান করেননি। টাকা জমা প্রদানের নির্দেশনা প্রেক্ষিতে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা ব্যাংক হিসেবে জমা প্রদান করলেও অবশিষ্ট সরকারি অর্থ অভিযুক্ত ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান না করে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেছেন মর্মে নথিদৃষ্টে ও তদন্ত প্রতিবেদন মতে প্রতীয়মান হয়। অভিযুক্তের ইব্রাহিম খলিল সুমনের দায়িত্বহীনতার বহিঃপ্রকাশ, অবিশ্বাস্য ও অগ্রহণযোগ্য প্রতীয়মান হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও যাবতীয় রেকর্ডপত্র পর্যালোচনান্তে অভিযুক্ত সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত)  মো: ইব্রাহীম খলিল, বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর ৩৯ (ক), (খ) ও (চ) মোতাবেক দায়িত্ব পালনে অবহেলা অসদাচরণ ও তহবিল তসরুপ/আত্মসাৎ এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলে ও অদৃশ্য শক্তির কারণে পুনরায় বহাল থেকে যায় তিনি।

তদন্তে দুনীতির সার্বিক বিবেচনায় বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯০ এর ৪০ (১) (খ) (এ) মোতাবেক অভিযুক্ত সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা  মো: ইব্রাহীম খলিলকে চাকরি হতে বরখাস্ত (ডিসমিসাল) গুরুদন্ড প্রদান করে বিভাগীয় মামলাটি (মামলা নং-১২/২০২৫) নিষ্পত্তি করা হয়। কিন্তু বেশি দিন সাময়িক বরখাস্ত করে রাখতে পারেনি বিএডিসির কতৃপক্ষ। সাময়িক বরখাস্তকাল বিনা বেতনে অসাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে এবং তার প্রদেয় খরপোষ ভাতা ফেরতযোগ্য হবে না মর্মে সংস্থাপন বিভাগের স্মারক নং-১২.০৬,০০০০.২০৩.২৭. ০০৪৮.২৫.১০৪৬; তারিখ: ০৭ জুন ২০২৬ মোতাবেক অফিস আদেশ জারী করা হয়।

মহা ধুর্তবাজ ইব্রাহিম খলিল পুনরায় তাঁর আত্মসাৎকৃত/অজমাকৃত সরকারী অর্থ জমা প্রদানের সুযোগ চেয়ে  আবেদন করেন কতৃপক্ষের নিকট।  বিভাগীয় মামলায় দন্ড প্রদান করা হয়েছিল সরকারী অর্থ জমা না দেয়ার অভিযোগে তাঁকে। অভিযুক্ত কর্তৃক অজমাকৃত সরকারী অর্থ সুযোগদানের প্রতিশ্রুতি, অর্থ জমা প্রদান, ভুল স্বীকারসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় দরখাস্ত গ্রহণের আইনগত সুযোগ কিনা? সেহেতু, অভিযুক্তের আপীল পুনর্বিবেচনার আবেদন শর্তসাপেক্ষে গ্রহণপূর্বক আদেশ দেওয়া হয়েছিল মো: ইব্রাহীম খলিলকে। বরখাস্তকৃত সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএডিসি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মধুপুর, টাঙ্গাইল কর্তৃক সংস্থার জমাকৃত ২৯,৬৭,৪৬৫/- টাকার মধ্যে এককালীন ৫,০০,০০০/- টাকা তার আবেদন অনুযায়ী আগামী ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসেবে জমা প্রদান করে জমা প্রদানের প্রমাণক দাখিল করবেন মর্মে অঙ্গীকার করে। অবশিষ্ট অজমাকৃত/আত্মসাৎকৃত (২৯,৬৭,৪৬৫.০০-৫,০০,০০০,০০) =২৪,৬৭,৪৬৫/- টাকা বিএডিসি কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০ এর প্রবিধি নম্বর ৪০ (১)(খ) (আ) অনুযায়ী (চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়ার পর) তার মূল বেতনের অর্ধেক অর্থাৎ ৫০% হারে মাসিক কর্তন করে সমন্বয় করা হবে।  একই সাথে  কর্তৃক সম্পাদিত কর্মের জন্য ৪০(১) (ক) (অ) প্রবিধি মোতাবেক তাকে “তিরস্কার” দন্ড দেয়া হলো যা সার্ভিস বুকে লিপিবদ্ধ থাকবে বলে উল্লেখ করেন। সরকারের অর্থ লুটকারীকে চাকরিতে বহাল করায় বিএডিসির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে চলছে নানান গুনজন। এই বিষয়ে বিএডিসির চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।