কালামপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের লীগের মহা ক্ষমতাধর ফ্যাসিস্ট নকল নবিশ আব্দুল মান্নানের অব্যাহত কমিশন ঘুষ বানিজ্যর কারণে বেসামাল হয়ে পড়েছেন দাতা গ্রহীতা সাধারণ দলিল লেখক

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৯:২৮:৫৩

ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে মহা ক্ষমতাধর কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার অফিসের নকল নবিশ আব্দুল মান্নান এখনো বহাল তবিয়তে দাঁড়িয়ে বেড়াচ্ছে দের্দাচ্ছে। হাসিনা সরকারের সুবিধাভোগী দুনীতি পরায়ন নকল নবিশ আব্দুল মান্নান   এখন ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী দাবি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে। তাঁর বেপরোয়া ঘুষ, দুনীতি থামাবে কে?

দুনীতির সম্রাজ্য চলছে  কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার অফিসের নকল নবিশ আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে যানা জায়,  ফাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর নকল নবিশ আব্দুল মান্নান ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে চলছে রমরমা কমিশন বানিজ্য। কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার অফিস কে তাঁর পারিবারিক অফিসে পরিনত করেছেন মান্নান। জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ দলিল লেখক ও দাতা গ্রহীতা দুপক্ষকেই।

নকল নবিশ আব্দুল মান্নানের দুনীতির সম্রাজ্যের অন্তরালে ঘুষের হাট বসিয়ে নিরবে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে  সাধারণ দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান নকল নবিশ আব্দুল মান্নান বিভিন্ন অজুহাতে দলিল  ত্রুটির কথা ব’লে, দলিল আটকে রেখে হয়রানি করে থাকেন। তার হয়রানির শিকার হয়ে অসহায়ের মতো হয়ে পরেছেন দলিল লেখক গন।

একাধিক অভিযোগ সুত্রে আরও যানা গেছে, বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। তাঁর রোষানল থেকে রক্ষা পায়নী সেখানে কর্মরত সুন্দরী নকল নবিশ গন রাও,লীগের দাপটি নকল নবিশ আব্দুল মান্নানের দুনীতির বিষয়ে  সাধারণ নকল নবিশ” রা” বিগত সময়ে জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও তার কোন পতিকার পায়নি ভুক্তভোগীরা। উল্টো অভিযোগ কারীদের বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল হতে হয়েছে।

অভিযোগ সুত্রে যানা জায়, বিগত লীগ সরকারের দাপটে আবদুল মান্নান ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহীনি অন্যতম সদস্য, নকল নবিশ মামুন তাদের অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে উক্ত অফিসের রেকর্ড রুম থেকে মুল দলিলের রশিদ ছাড়াই দলিল নং-১১০/১৪,৭২৯২/১৪,৭৩১৯/১৪,১২৯৯৪/১৫,১২৯৫৮/১৫,৬৯৫/১৬ সালের দলিল সহ আরও অজ্ঞাত দলিল জোড় পূর্বক রেকর্ড রুম থেকে নিয়ে যায় লীগের দাপট দেখিয়ে।

এই বিষয়ে তত্বকালিন জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল একাধিক ভুক্তভোগী সহ সাধারণ নকল নবিশরা। লিখিত অভিযোগে মান্নান মামুন সিন্ডিকেটর বিরুদ্ধে ব্যপক ক্ষমতার অপব্যবহার ও নকল নবিশ নারীদের ইভটিজিং সহ নানান বিষয় উল্লেখ করেন।

অভিযোগ এর বিষয়ে সাবেক জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকা বর্তমান (আইআরও) দীপক, তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেন সাবেক সাবরেজিস্টার  কে। সাবেক কালামপুর সাবরেজিস্ট্রার নকল নবিশ আব্দুল মান্নানকে ৯/০৪/২০১৮ সালে কৈফিয়ত তলব করেন। কৈফিয়ত তলবের চিঠিতে উল্লেখ সুত্রে জানা জায়, সাধারণ কর্মচারীদের সাথে  অসাদচারন,অহেতুক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা, উচ্চ স্বরে হৈচৈ মারামারি করা।

ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে উক্ত অফিস থেকে জোর পুর্বক কম্পিউটার সামগ্রী সহ অন্য অন্য কয়েকটি যত্রাংশ সকলের অগোচরে নিয়ে যায়। বিগত ২৫/০১/২০১৮ সালে উক্ত অফিসের নকল নবিশ মোসাঃ ইসরাত জাহান মুক্তিকে শ্লীলতাহানি করার  কারণে ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। বিগত সময়ে দলিল লেখক দের সভাপতি/সেক্রেটারী জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে জান ধুরুত্ববাজ মান্নান।

কৈফিয়ত তলবে আরও উল্লেখ করেন তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার সহ নানান বিষয় উল্লেখ করেন। জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকা কে তদন্ত প্রতিবেদনে দোষী সাব্যস্ত করে ১২/৪/২০১৮ সালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সাবরেজিস্ট্রার কালামপুর। লীগের দোসর নকল নবিশ আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পান।

লীগ সরকারের আমলে অবৈধ ক্ষমতার দাপটি নকল নবিশ এখনো বহাল তবিয়তে দলিল আটকে রেখে হয়রানি করে বিভিন্ন পন্থায় হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। সাধারণ দলিল লেখক দের দাবী বিগত স্বৈরাচারী লীগের দাপটি নকল নবিশ আব্দুল মান্নান এখনো কি ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হয়রানি করে যাচ্ছে কোন ক্ষমতার বলে।