কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অনিয়মের সম্রাট ফ্যাসিষ্ট হাসিনার দোসর ত্রিরত্ন আমিনুর, হামজা,হান্নানের বেপরোয়া দুর্নীতি অব্যাহত

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অনিয়ম দুনীতির মহা নায়ক ত্রিরত্ন এখনো বহাল তরিয়াতে। ঘুষ বানিজ্যর মহা উৎসব চলছে এই ত্রিরত্নের নেতৃত্বে। সুত্রে যানা যায়, বিগত লীগ সরকারের আমলে দাপটি কর্মকর্তা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে,প্রধান সহকারী আমিনুর রহমান খান সেলিম,বর্তমানে প্রটোকল অফিসার, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের প্রধান সহকারী আমির হামজা, ও সরেজমিন উইংয়ের প্রধান সহকারী হান্নান এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। লীগের দোসর তিন কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে দুনীতির রিপোর্ট প্রকাশ হলেও এখন বহাল তরিয়াতে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন। অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। দীর্ঘদিন অধিদপ্তরের কর্মরত থেকে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট।
সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলী, কমিশন বানিজ্য, ততবীর বানিজ্য সহ নানান উপকরণ ক্রয়ের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতিমাসে এই তিন কর্মকর্তা। তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ কর্মকর্তারা। ফ্যাসিষ্ট লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তারা। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে তাঁরা আবার বিএনপি পন্থী দাবি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে। ডিএই এর সরকারি কর্মচারী কল্যান সমিতির একপক্ষে সভাপতি দাবি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর। টাকার জন্য মরিয়া হয়ে পরেছেন তিনি ও তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তোলা সিন্ডিকেট বাহিনী। ৪ ই আগষ্টের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করেছিল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মেনগেটের সামনে সাবেক কৃষি মন্ত্রী, সচিব অহিদার নেতৃত্বে। সেই ফ্যাসিষ্ট হাসিনার দোসর আমিনুর, হান্নান, আমির হামজা ও তার সাংঙ্গ পাংঙ্গরা মিছিলে অংশ গ্রহণ করে তান্ডব চালিয়েছিল তারা। ডিএই তে বিএনপি পন্থী কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভুয়া উড়ো চিঠি দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সদ্য অবসরে পাঠানো সচিবকে ভুল বুঝিয়ে বিতাড়িত করার পায়তারা করছেন এই ত্রিরত্ন ও তার সিন্ডিকেট বাহীনি বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। ৩ কর্মকর্তার দুনীতির ঘুষ বানিজ্য ও মূর্তিমান আতঙ্কের আরেক নাম প্রটোকল অফিসার আমিনুর।
তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুরুতর অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয়ে। অভিযোগের তীর উঠেছে আমিনুর রহমান খান সেলিম, আমির হামজা ও হান্নানের নামে। এই তিন ব্যক্তিকে ঘিরে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি অংশ সাবেক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা “দোসর” হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
প্রটোকল অফিসার আমিনুর অতি চালাক চতুর সে নিজেকে লীগ পন্থী থেকে বিএনপি পন্থা দাবি করে একাংশের কর্মচারীদের নিয়ে তরিঘরি করে১৪ টি অঞ্চলে কমিটি দিয়েছেন আবারও টাকার বিনিময়ে।
তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ডিএই তে এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক প্রভাববলয় গড়ে তুলেছিলেন আমিনুর রহমান খান সেলিম। সেই প্রভাববলয়ের আড়ালে বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানি লাইসেন্স নবায়ন, নতুন লাইসেন্স সহ অন্যান্য বদলী কাজের তদবির করে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তদবির কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছেন তিনি স্ব-ঘোষিত সভাপতি ব্যানারে আমিনুর। ভয়ভীতি প্রদর্শন, করে তাদের সার্থ হাসিল করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর। এহেন ও কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে তার নেতৃত্বে।এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী কর্মচারীরা। এই তিন কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে একাধিক অডিট আপত্তি থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে পার পেয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভাষ্যমতে, তাদের অবৈধ ক্ষমতা ও ঘুষ দুনীতির বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, সামাজিক অপপ্রচার কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানো এমন কৌশল নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া কি তাকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার এক অলিখিত লাইসেন্স দিয়েছিল? কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
তারা আরও দাবি করেন, বিগত লীগ সরকারের সময় ডিএইতে এক ধরনের “নীরব আতঙ্ক” বিরাজ করত। কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। এখন রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরোনো অভিযোগগুলো এখনো ধামাচাপা পরে গেছে। অভিযোগ এর বিষয় মহা পরিচালকের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক প্রশাসন হাবিবুল্লাহ সাথে কথা বলতে বলেন। পরিচালক প্রশাসন হাবিবুল্লা এর মোবাইল ফোন দিয়ে আমির হামজা ও আমিনুরের দীর্ঘদিন একই জায়গায় কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন প্রশ্ন করলে তিনি তেলে বেগুন জলে উঠেন এবং আমির হামজা দুধে ধোঁয়া তুলশী পাতা বলে দাবী করেন। বিগত দুইটা প্রকাশিত রিপোর্টের তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ধরাকে সরাগেন বুঝিয়ে উল্টো এই প্রতিবেদককে হুমকি শরুপ খারাপ আচরণ করে লাইন টি কেটে দেন। পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ অনিয়ম দুনীতি তথ্য আজকের সংবাদের হাতে এসেছে আগামীতে তা প্রকাশ করা হবে। আমিনুল ও হামজার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
