ডিএই’র প্রশাসনের ছত্রছায়ায় চলছে হরিলুট

একাধিক নিবাহী প্রকৌশলী থাকলেও অযোগ্য উপ সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হারুনকে নিবাহী প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্তের দ্বায়িত্ব প্রদান 

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ১৯:৪২:৫৫

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অযোগ্য অদক্ষ্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পাওয়ার) দুনীতির বর পুত্র ইকবাল হারুন বাপ্পীর কে নিবাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) সহ একাধীক পদে দ্বায়িত্বে থেকে তার নেতৃত্বে বেপরোয়া  ঘুষ,  কমিশন বানিজ্য ও ভুয়াবিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সুত্রে আরও জানা জায়, ডিএইর একাধিক যোগ্য নিবাহী প্রকৌশলী থাকা শর্তে ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে জুনিয়র ইন্জিনিয়ার কে নিবাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) দ্বায়িত্ব দিয়ে তাঁর মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিপরীতে অতিরিক্ত বরাদ্দ নিয়ে নয়,ছয় করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। (ডিএইর) পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী/ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইকবাল হারুন বাপ্পীর আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে  সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও এখনো বহাল তবিয়তে ঘুষ বানিজ্যর মহোৎসব চলছে তাঁর নেতৃত্বে।  বর্তমান মহা পরিচালক, আব্দুর রহিম কে অন্তরালে রেখে  প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তীদের প্রতক্ষ মদর্দে জুনিয়র প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পীর ঘারে ভরকরে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটপাটের মহোৎসব চলছে বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। তাঁরা আরও বলেন যোগ্য প্রকৌশলীদের মুল্যায়ন না, করে কোন সার্থে ডিএইর উন্নয়ন কাজ করাচ্ছেন, তার-ও আবার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পাওয়ার) কে দিয়ে। এই নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজমান আছে সাধারণ নিবাহী প্রকৌশলী সহ প্রকৌশলীদের মাঝে।

অনুসন্ধান তথ্য সুত্র মতে, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মূল অভিযোগ ডিএইর অধিনে সকল কর্মকর্তার ব্যবহারীত গাড়ি মেরামত সংস্কার যন্ত্রাংশ কেনাকাটা বিপরীতে ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধের বিপরীতে উচ্চ মুল্য কমিশন বানিজ্য নিয়ে ১০% থেকে শুরু করে আবার কোথাও কোথাও  ২০-৩০% টাকা নিয়ে গাড়ি মেরামতের নামে চলছে রমরমা কমিশন বানিজ্যর মাধ্যমে গিলে খাচ্ছেন সরকারের বরাদ্ধের সিংহভাগ টাকা।

ডিএইতে জুনিয়র প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পীর লাগামহীন দুনীতি কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড। সম্প্রতি ডিএইর প্রথম বিল্ডিং, দ্বিতীয় বিল্ডিং এর বাহির সাইডে রং করা বাবদ ২৫ লক্ষ টাকা সহ ড্রেন পরিস্কার, ছোট ছোট টিপিয়া রিং, ইলেক্ট্রনিক্যাল,পানির লাইনে কাজের বাব মোট (৬৫) লক্ষ টাকা বরাদ্ধ নিয়ে তাঁর মনোনীত ঠিকাদার দের নাম মাত্র কাজ করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করার পায়তারা করছেন মহা ক্ষমতাধর দুনীতি পরায়ন লীগের দোসর ইকবাল হারুন বাপ্পী। তাঁর সিন্ডিকেটের অন্য তম  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস আর ট্রের্ডাস মাধ্যমে সে নিজেই ঠিকাদারি কাজ করে যাচ্ছেন মহা ধুর্তবাজ বাপ্পী। এখুনিই তাঁর লাগাম টানতে না,পারলে ডিএইর অধিনে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশ্নের মুখো মুখোমুখি হতে হবে সংসৃষ্ট মন্ত্রণালয়ের উদ্ধতন কর্মকর্তা দের নিকট। বরাদ্ধের সিংহ ভাগ টাকা গিলে খাচ্ছে নিরবে মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ ইকবাল হারুন বাপ্পী ও প্রশাসন শাখার কর্তারা। অবকাঠামো উন্নয়ন নামে সরকারি অর্থ গীলে খেয়ে সর্বশান্ত করে নিজের আখের গুছিয়ে লাগামহীন দুনীতি করেছেন প্রশাসনের কর্তাদের মদদে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের সংবাদ কে জানান একাধিক কর্মকর্তারা।

সুত্রে জানা জায়, সাবেক মহা পরিচালক স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর দুনীতির দায়ে অভিযুক্ত বেনজির আলমের ক্যাশিয়ার ক্ষ্যাত উপ সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পী। সাবেক ডিজি বেনজির আলমের পতন হলেও এখনো বহাল তরিয়াতে আছেন তিনি। বেনজির আলমের (এটিআই) প্রকল্পের দ্বায়িত্বে থেকে ঠিকাদার দের নিকট থেকে কাজের বিপরীতে কমিশনের দ্বায়িত্ব পালন করেন লীগের দোসর ইকবাল হারুন বাপ্পী।

জুনিয়র প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পীর ডিএইতে সুবিশাল অফিস দখল করে সেখানে তাঁর গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন হরহামেশেই। অদৃশ্য শক্তি বলে একাধিক প্রকল্পের দেখভাল এর নামে চলছে রমরমা কমিশন বানিজ্য। উল্লেখীত ডিএইর অধিনে প্রকল্পে দ্বায়িত্ব যেমন ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিরিড়তা বৃদ্ধি করন প্রকল্প, চর অঞ্চল প্রকল্পের,কুমিল্লা অঞ্চলের প্রকল্প, পার্টনার প্রকল্প সহ একাধিক প্রকল্পের দেখভাল করা সহ খামার বাড়ির অধিকাংশ প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন ও প্রত্যয়নের দ্বায়িত্ব থেকে ঘুষ কমিশন ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ঘুষখোর ইকবাল হারুন বাপ্পী।

সিন্ডিকেট ও আর্থিক অনিয়মের ব্যারাজালে দুনীতি মাস্টার মাইন্ড সাবেক সদ্য অবসরে যাওয়া পরিচালক (প্রশাসন) হাবিবউল্লাহর সাথে মিলে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই চক্রের মাধ্যমে অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কেনাকাটায় ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম এবং ঘুষ বাণিজ্যের তথ্য গণমাধ্যমের প্রকাশিত হলে ও কতৃপক্ষের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। তদন্তের দাবিতে অধীদপ্তর সহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, অধিদপ্তরের সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে এই দুর্নীতি সিন্ডিকেটের সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, এই সব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান (ডিএই) প্রশাসন আমার অতিরিক্ত দ্বায়িত্বের বিষয় ভালো বলতে পারবেন?  আর্থিক দুনীতি বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর না দিয়ে লাইন টি কেটে দেন। ডিএই’র সদ্য পিআরএলে যাওয়া কৃষি সেক্টর ধ্বংস কারী দুনীতির বরপুত্র পরিচালক প্রশাসন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন সাবেক পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ। ও সাবেক মহা পরিচালক বেনজির আলমের আস্থাভাজন ক্যাশিয়ার এখনো সকল ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েগেছেন কোন অদৃশ্য শক্তির বলে।