ফাসিস্টের সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের ক্যাশিয়ার পিডি জাহাঙ্গীর এখন বিএনপি পন্থী দাবি করে চালাচ্ছেন হরিলুট ॥ দেখার কেউ নেই

শেখ নাজমুল
শেখ নাজমুল
প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১৯:৩০:০৯

ফাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর দুনীতি পরায়ন বিএডিসি “র প্রকল্প পরিচালক এ কে এম,জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে চলছে বেপরোয়া কমিশন বানিজ্য। পতিত স্বৈরাচারী লীগ সরকারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের আস্থাভাজন ঘনিষ্ঠের কারণে ও অবৈধ ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে তত্বকালিন পিডি জয়নালকে সরিয়ে বিএডিসির অফিস ভবন এবং অবকাঠামো সমুহ সংস্কার আধুনিকীকরন ও নির্মাণ প্রকল্পের পিডির পদটি বাগীয়ে নিয়ে চলে তাঁর নেতৃত্বে ঘুষের রাজত্ব। লীগ পন্থী দাবি করে উক্ত প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ কাজের বিপরীতে ঠিকাদার দের নিকট থেকে অগ্রীম ১০-৩০% কমিশন নিয়ে ত্রুটি পুর্ন কাজ করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর পিডি জাহাঙ্গীর। বিএনপি সরকারের ভাবমূর্তি খুন্ন করার লক্ষে মিশনে নেমেছেন বগুড়ায় বাড়ি বনে যাওয়া জাহাঙ্গীর। লীগের দোসর পট পরিবর্তনের পরে বিএনপি বড় মাপের নেতাদের দোহাই দিয়ে পকেট ভারী করছেন, বিএডিসির সাধারণ কর্মকর্তারা নব্য বিএনপি পন্থী জাহাঙ্গীরে হাব ভাবে দিশেহারা হয়ে পরেছেন বলে একাধিক সুত্রে আরও জানা গেছে। দুনীতির মহাগুরু ও কমিশন বানিজ্যর মাস্টার মাইন্ড জাহাঙ্গীর আলম এখন বনে গেছেন রাতারাতি ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী। পিডি জাহাঙ্গীর’র বগুড়ায় বাড়ী রাজনৈতিক তকমা দিয়ে বিএডিসিতে চলছে অস্থিরতা। বিএডিসি’র ফ্যাস্টি লীগের দোসর, সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের ক্যাশিয়ার সাবেক পিডি জাহাঙ্গীর এখন বিএনপি পন্থী দাবি করে বিশ্ব ব্যংকের অর্থয়নে বড় প্রকল্পের পিডির দায়িত্বে থেকে চলছে হরিলুট

মহা ধুর্তবাজ জাহাঙ্গীরের বাড়ি বগুড়ায় হওয়াতে তিনি ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মন্ত্রীর দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন বিএডিসির সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে বলে একাধিক কর্মকর্তারা আজকের সংবাদ কে জানান। তাঁরা আরও জানান, বাংলাদেশ টেকসই পুনরুদ্ধার, জরুরি প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্প। প্রকল্পের কর্যক্রম অর্থিক অনিয়ম দুনীতির মহোৎসব চলছে পিডির জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্ব।

প্রকল্পের কার্যক্রম মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে অবকাঠামো নির্মাণ ও কৃষি ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এটি চালু করা হয়েছিল কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিনে। প্রকল্পের কার্যক্রমের উন্নয়ন না,হলেও পিডি জাহাঙ্গীর আলমের ব্যপক আর্থিক উন্নয়ন হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য অবকাঠামোর টেকসই পুনর্গঠন: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ রাস্তাঘাট, সেতু, কালভার্ট এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ জলবায়ু-সহনশীল করে পুনর্গঠন করা।

জীবিকা ও সামাজিক সুরক্ষা: বন্যা-আক্রান্ত পরিবারগুলোর জীবিকা পুনরুদ্ধার করা, কর্মসংস্থান তৈরি করা এবং তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করার কথা উল্লেখ থাকলেও তাঁর সম্পুর্ন উল্টো চিত্র দেখা গেছে প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন জেলায়। দুর্যোগ প্রস্তুতি বৃদ্ধি: আধুনিক বন্যা পূর্বাভাস ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উদ্ধার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো কিন্তু অতি নিম্নমানের সরঞ্জাম সামগ্রী অতি নিম্নমানের ক্রয়ের কারণে সেগুলো তেমন কোন কাজে আসেনি। শুধু মাত্র পিডির আর্থিক দুনীতির কারণে।

সম্প্রতি প্রকল্পের আওতায় ৫ টি প্যাকেজে কুমিল্লা ২ টি, নোয়াখালী ৩ টি খাল খননের বিপরীতে ঠিকাদার দের সাথে আতাত করে বরাদ্ধের বিপরীতে কয়েক কোটি টাকার রফাদফা করেছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের সংবাদ কে জানান। প্রতিটি প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে কোটি টাকার উপরে। পিডি জাহাঙ্গীরের দুনীতির কারণে প্রকল্পের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ভেস্তে যেতে বসেছে।

বিশ্বব্যাংক অর্থায়নে  এই প্রকল্পের  অনুমোদন করেছিল কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের অগ্রগতি অপ্রত্যাশিত ফলাফল ও শুন্য,পিডির নেতৃত্বে হচ্ছে টা কি? প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৬ লাখ মানুষ সরাসরি বন্যা ও জলবায়ু ঝুঁকির বিরুদ্ধে সুরক্ষা পাওয়ার কথ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে তাঁর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে, শুধু মাত্র পিডির আর্থিক দুনীতি র কারণে। ৭৯টি বহুমুখী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ কাজের দরপত্রের বিপরীতে ঠিকাদার দের সাথে গোপন দর প্রদান করে তাদের কে কাজ পাইয়ে দিয়ে বরাদ্ধের বিপরীতে ১৫% হারে কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে পিডি জাহাঙ্গীর। গ্রামীণ যোগাযোগের আধুনিকায়নের ক্ষেত্রেই একই চিত্র, এ যেন দেখা’র কেউ নেই।

৩,৮০,০০০-এর বেশি মানুষ কর্মসংস্থান, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহায়তা কাগজে কলমে বাস্তবে তাঁর উল্টো চিত্র। প্রশিক্ষণের ভাতা না দিয়ে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। খাল পুনঃ খননের নামে সরকারের অর্থ লুট করছেন পিডি, প্রকল্পঃ- জলাবদ্ধতা দূরীকরনের জন্য খাল পুনঃ খনন করে এক ফসলী জমিকে ২/৩ ফসলী জমিতে রূপান্তীত করার উদ্দেশ্য থাকলেও দুনীতির মাস্টারমাইন্ড পিডির ধুমধামে দুনীতি অকেজো র্দুবল হয়ে পরেছেন প্রকল্পের কর্যক্রম। বক্স কালর্ভাট নির্মাণ প্রকল্পঃ- পানি নিষ্কাশন ও মাঠের ফসল আনা-নেওয়ার জন্য এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ফসলী মাঠের উপযুক্ত স্থানে খালে/রাস্তায় বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে কৃষি উন্নয়নে  সহযোগিতা বিপরীতে ঠিকাদার কতৃক আঁতাত করে কাজ নিম্নমানের ঝুঁকি পুর্ন বলে অনেকে মতামত ব্যক্ত করেন।

প্রকল্পঃ- বেশী গুরুত্বপূর্ণ ফসলী মাঠকে বন্যা মুক্ত রাখার জন্য এবং জনসাধারণের যাতায়াতে সুবিধার জন্য বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করে কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ থাকলেও অদৃশ্য  কারণে তাঁর বিপরীত চিত্র। লীগের সুবিধাভোগী পিডি জাহাঙ্গীর আলমের দুনীতি আড়াল করার জন্য কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মাঠে নেমেছেন আদাজল খেয়ে।

উল্লেখীত অভিযোগের বিষয়ে পিডি জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই, তবে উক্ত অধিদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে মোবাইলে sms দেয় সেখানে পিআরও উল্লেখ করেন (Jahangir is little bit busy)।