পিআরএলকে সামনে রেখে প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক বাজেট সাইফুজামানের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য

প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব, বাজেট শাখার পরিচালক ডাঃ সাইফুজামান এর বেপরোয়া ঘুষ দুনীতি কারণে ডুবতে বসেছে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। বেপরোয়া হয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর নেতৃত্বে চলছে হরিলুট।
সুত্রে জানা গেছে, পরিচালক সাইফুজামান বাজেট শাখার যোগদান করে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট। তাঁর নেতৃত্বে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে, টাকার জন্য মারিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। কারণ আগামী দুই মাসের পরে পি,আর,এলে যাবেন দুনীতিবাজ পরিচালক সাইফুজামান। নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। যে কারণে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশে।রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানানোই তাঁর কাজ। একাধিক সুত্রে যানা গেছে, পতিত লীগের দোসর দের কে পুর্নবাসন করতে উঠে পরে লেগেছেন তিনি।
গত কয়েক মাস পুর্বে প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের অধিনে তৃতীয় শ্রেণী,চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত কারচুপি করে তাঁর পচ্ছন্দের লোক জন দের কে নিয়োগ প্রদান করেন তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিজনের কাছ থেকে দশ/ পনের লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে, বলে একাধিক কর্মকর্তা রা আজকের সংবাদ কে জানান। খোঁজ নিয়ে আরও যানা গেছে, পরিচালক হিসাব বাজেট শাখার অধিনে সাভার ডেইরি ফার্মের জন্য আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগের দরপত্র আহ্বান করেন।
এছাড়া জাতীয় চিরিয়াখানার জন্য আউটসোর্সিং এর দরপত্র আহ্বান করেন তিনি। আহবান কৃত টেন্ডারের বিপরীতে বেশ কিছু নামীদামী কোম্পানি দরপত্রে অংশ গ্রহণ করেন। শুধু মাত্র তার আর্থিক সুবিধার নিয়ে অনিয়ম করে আল আরাফা সিকিউরিটি সার্ভিস কে ডেইরি ফার্মের জনবল নিয়োগের কার্যাদেশ প্রদান করেন ৬/০১/২০২৬ তারিখে। একইভাবে পতিত লীগ সরকারের দোসর ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারির আত্মীয়ে ফার্ম নর্থ বেঙ্গল কে চিরিয়াখানার আউট সোসিং এর জনবল নিয়োগের কার্যাদেশ প্রদান করেছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ পরিচালক সাইফুজামান।
অভিযোগ রয়েছে, নর্থ বেঙ্গলের মালিকের ছেলে ছাত্রলীগের নেতা,রনি স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের। পরিচালক সাইফুজামানের ঘুষ দুনীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। সুত্রে আরও যানা গেছে, তাঁর অধিনে সকল কেনাকাটা, বিভিন্ন জেলায় অর্থ বরাদ্দ, পত্রিকা তে বিঙ্গাপন প্রকাশ সহ বিভিন্ন খাত দেখিয়ে কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। এককথায় হয়রানির আরেক নাম প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক বাজেট শাখা। এছাড়াও তাঁর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন দরপত্রের গোপন দর প্রদান করে তাঁর পচ্ছন্দের কোম্পানিকে কার্যাদেশ প্রদান করেন দুনীতিবাজ পরিচালক সাইফুজামান। সাধারণ ঠিকাদাররা জিম্মি হয়ে পরেছেন তাঁর ও তাঁর সিন্ডিকেট এর নিকট। তাঁর বেধে দেওয়া ঘুষের নির্ধারণের টাকা না দিতে পারলে তাদের ভাগ্যে কাজ মিলেনা বলে একাধিক ঠিকাদারগন আজকের সংবাদ কে জানান। দুনীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি।
উক্ত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর মতামত জানতে চাইেল তিনি তাঁর অফিসে যেত বলেন গত ৬/১/২৬ তাঁরিখে বিকালেতার অফিসে গিয়ে পতিত লীগ পন্থী ঠিকাদার কে নোয়া/ কার্যাদেশ প্রদানে ও কারচুপির মাধ্যমে জাতিয় চিরিয়াখানার, ডেইরি ফার্মের জনবল নিয়োগের কার্যাদেশ প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংসৃষ্টি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ও মহাপরিচালকের নিদর্শনায় তাদেরকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। আরেক প্রশ্নে আপনি কি এর দায় এরাতে পারেনা জবাবে পরিচালক সাইফুজামান উত্তেজিত হয়ে তাঁর রুম থেকে বাহির হয়ে যেতে বলেন? তিনি আরও বলেন তাঁর বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশিত হলে তাঁর কিছুই হবেনা বলে বিভর্ষ ভাষায় কথা বলেন।
