ডিএই’তে দুর্নীতিতে রেকর্ড সৃষ্টিকারী ফাসিস্ট লীগের দোসর বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের নেতা প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীনে বদলী ঘিরে চলছে উত্তেজনা

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২৬ ১৮:২৪:৫০

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের লীগের দোসর ও লীগের সুবীধাভোগী গার্ড থেকে পদায়ন নিয়ে প্রধান সহকারী পদে বনে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের  সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দীনের খামারবাড়িতে বদলী ঘিরে চলছে নানান গুনজন।

অভিযোগ সুত্রে যানা জায়, ডিএই”র প্রশাসন শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তা দের আর্শীবাদে লীগের দোসর দের পুর্নবাসন করতে মারিয়া হয়ে উঠেছেন। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে অবৈধ ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছিলেন নাসির উদ্দীন। বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের নেতার পদবী ব্যবহার করে প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের প্রধান সহকারীর দায়িত্বে থাকা কালিন ঘুষ, নিয়োগ, বদলী, টেন্ডার বানিজ্যর মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন নাসির উদ্দীন। অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদকের মামলার চার্জশিট ভুক্ত আসামি নাসির উদ্দীন বলে অভিযোগ সুত্রে যানা জায়।

সুত্রে আরও যানা জায়, লীগের সুবিধাভোগী প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টটিউট,শেরেবাংলা নগরে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই তেমন কোন সুযোগ সুবিধা করতে না,পেরে প্রশাসন শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তা দের আর্শীবাদে গত ১৩ জুলাই মহা পরিচালক আব্দুর রহিমের স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালকের কার্যালয়ে প্রধান সহকারী হিসেবে বদলী করা হয়েছে। তাঁর বদলি ঘিরে চলছে ডিএইতে চরম উত্তেজনা বিরাজমান আছে, সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে চলছে নানান গুনজন।

লীগের দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে। এখনো বহাল তবিয়তে আছেন ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীন।

খোঁজ নিয়ে আরও যানা গেছে, বিগত স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের আমলে ডিএইতে গার্ড হিসেবে চাকরি জীবনে পা রাখেন নাসির উদ্দীন। সু চতুর নাসির তাঁর এক আত্মীয় ডিএইর সাবেক কর্মকর্তা হাত ধরে পুনরায় চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে এক লাগারে পদন্নোতি প্রাপ্ত হয় অবৈধভাবে। তাঁর পরে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট বাহীনি। সেই সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে বদলী বানিজ্য, নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেন। বনে যান রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক। বর্তমানে লীগ পন্থী কর্মচারীদের নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ করার পায়তারা করছেন বলে একাধিক কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান। প্রশাসন শাখার কর্মরত থেকে ঘুষ বানিজ্য মহোৎসব চালিয়েছেন সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দীন।

লীগের দোসর নাসিরের  সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা শর্তে ও লীগের দোসর দের পুর্নবাসন করতে মারিয়া হয়ে উঠেছেন কিছু অসাধু কর্মকর্তারা।  লীগের সুবিধাভোগী প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীন এর বিরুদ্ধে আর্থিক দুনীতি অভিযোগে বিগত সময়ে ফরিদপুর  জেলা উপপরিচালকের কার্যালয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে বদলী করা হলেও সেখানেও বেশি সুবিধা করতে না পেরে, সাভারে বদলী হয়ে আসেন। সেখানে ও আর্থিক দুনীতি করতে না,পেরে তাঁর অবৈধ টাকার প্রভাবে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বদলী হয়ে আসেন। ডিএইর ১৩ তম গ্রেডের কর্মকর্তা হলেও দামী গাড়ীতে চলা ফেরা করেন নাসির উদ্দীন। তাঁর হাব ভাব দেখলে মনে হবে মস্ত বড়ো অফিসার। দুনীতি পরায়ন লীগের দোসর নাসির উদ্দীন যখন যেখানে কর্মরত থাকেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে চলে রমরমা ঘুষ বানিজ্য।  তার বিরুদ্ধে তথ্য  প্রামাণ  বর্তমানের  দাপ্তরিক দুনীতির রেকর্ডে কারচুপী করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে খামারবাড়িতে। ডিএইতে ক্যান্টিন দখলের পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ সুত্রে জানা যায়।

ডিএইতে সাধারণ কর্মকর্তা দের দাবি নাসির উদ্দীনের  এই বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যর ভিত্তিতে বদলীর আদেশ বাতিল পূর্বক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। দাপ্তরিক কাজের গতিশীলতা আনয়ন হবে বলে মনে করেন সাধারণ কর্মকর্তারা। দুনীতিবাজ প্রধান সহকারী নাসির উদ্দীন সাভারে রেডিও কলোনি গড়েছেন অঢেল সম্পদ। এছাড়াও তাঁর স্ত্রী, সন্তানদেরকে নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন নাসির উদ্দীন।