১০ দফা দাবিতে গণপূর্তের ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টটস্ এসোসিয়েশনের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ

সিডিউল রেট সংশোধন, প্যাকেজ টেন্ডার বন্ধ, তালিকাভুক্তি ও নবায়ন ফি বাতিল এবং বকেয়া বিল পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টটস্ এসোসিয়েশন (গণপূর্ত)।
সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত পূর্ত ভবন ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এসব দাবী তুলে ধরা হয়। এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্মারকলিপির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন এর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ খান। এ সময়ে এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন দুলাল, সহ-সভাপতি প্রদীপ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাইজুস সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সোরাবসহ এসোসিয়েশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধের কারনে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলেকট্রিক্যাল পণ্য, যন্ত্রাংশসহ সামগ্রিক পণ্যের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি পেলেও ২০২২ সাল থেকে ইএম-এর রেট সিডিউল বৃদ্ধি পায়নি। বর্তমান বাজার দরে সঙ্গে রেটসিডিউল সমন্বয় করার জোর দাবি করা হয়। বলা হচ্ছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারনে রেট সিডিউল অনুমোদন না পাওয়ায় দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন মান সম্মত হচ্ছে না।
এছাড়া কাজের ভ্যাট-ট্যাক্স চুক্তিপত্রের অর্থবছর অনুযায়ী করা, প্যাকেজ টেন্ডার প্রক্রিয়া বন্ধ করে ইএম-এর কাজের অংশ আলাদা টেন্ডার করার জোর দাবি জানানো হয়। সিডিউল মূল্য তালিকা হতে যে সকল পণ্যের বাজার দর বেশি সেই সকল পণ্য ক্রয় করা কিংবা নির্দিস্ট কোম্পানির পণ্য কিনতে বাধ্য করা যাবে না।
নতুন সংযোজিত তালিকাভুক্তি ও নবায়ন ফি বাতিল করে আগের মতো ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ারও জোর দাবি জানানো হয়। প্রতিটি ডিভিশনে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে নতুন সংযোজিত প্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ফ্রেমওয়ার্কে টেন্ডার বাতিল করে অন্যদের বঞ্চিত করা যাবে না। এছাড়া সিভিলের কাজের সঙ্গে সঙ্গে ইএম-এর আগাম টেন্ডার বন্ধ করার জোর দাবি জানানো হয়। গণপূর্তের বিভিন্ন ডিভিশনের ৭/৮ বছরের বকেয়া বিল পড়ে থাকলেও তা পরিশোধ করা হচ্ছে না। এসব বকেয়া বিল পরিশোধ করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এ সময়ে নেতারা বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও আধুনিক শক্তিশালী অবকাঠামো বিনির্মাণে তথা দেশ ও জাতির উন্নয়নে দাবিগুলোর সুষ্ঠু সমাধান প্রয়োজন।
