জুলাই- বিপ্লবে আহত রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

জুলাই বিপ্লবে আহত রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। সাড়ে আটশ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিকেলে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল পূর্ণবাসন প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আহত ভর্তি রোগীদের মাঝে ইফতার বক্স তুলে দেয়া হয় । বক্সে ছিল দুইটা বিরিয়ানি প্যাকেট,আপেল, কমলালেবু, হালিম, খেজুর, রুটি,বুটসহ বিভিন্ন আইটেমের খাবার।ইফতার সামগ্রী বিতরণ শেষে সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে শহিদ এবং আহত সাড়ে আটশ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ।
এসব পরিবারকে ঈদসামগ্রী দেওয়া হবে।কয়েকদিন পরেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আমরা যারা সুস্থ আছি, ভালো আছি, তারা হয়তো আনন্দমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করব। কিন্তু জুলাই বিপ্লবে আমরা যাদের চিরদিনের জন্য হারিয়েছি, তারা কেউ আমার ভাই কেউ আমার সন্তান। সেই ভাইহারা এবং সন্তানহারা স্বজনদের পাশে দাঁড়াতে চায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ভাগাভাগি করে নিতে চায় তাদের আনন্দ-বেদনা। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে আমরা পৌঁছে যেতে চাই প্রতিটি শহিদ পরিবারের কাছে।’
ডাঃ ডোনার বলেন, ‘ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের নির্দেশনায় শহিদ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের কাছে পৌঁছে যাবে আমাদের সদস্যরা। ১৮ মার্চ থেকে শুরু করে ২৯ মার্চ পর্যন্ত এ কার্যত্রম চলবে’।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ ডোনার আরও বলেন, ‘ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমাদের চিকিৎসকরা ইতোমধ্যেই আহতদের সু-চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়েছেন এবং সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতে এই যোদ্ধাদের যে কোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবে ফাউন্ডেশনের চিকিৎসকরা।
তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এই প্রতিষ্ঠান দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আগামী দিনেও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্যরা যে কোনো বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়াবে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন , শহীদ আবু সাঈদের ছোট ভাই আবু হোসেন, শহীদ আকরামের বাবা শফিউল আলম, জেডআরএফের পরিচালক ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ আয়োজনের সদস্য সচিব ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন,নিটোরের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কেনান,পরিচালক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিশ সিমকী, ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, ডাঃ শামসুল আলম, ডাঃ সালেহীন,অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মো. শামীম, সাংবাদিক সাঈদ খান,ড. শেখ মনিরুদ্দিন জুয়েল, প্রকৌশলী আসিফ হোসেন রচি, ডাঃ যে রাকিবুল ইসলাম আকাশ, ডাঃ গালিব, ডাঃ আফিফসহ ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দুইটি হাসপাতালে আহত ভর্তি রোগীদের মাঝে প্রায় ৩০০ টি বক্স বিতরণ করেন।
