উখিয়া রেঞ্জের ৮ বিটে চলছে বনজ সম্পদ উজারের মহোৎসব

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম নামে রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্বে থাকলেও রেঞ্জের ৮টি বনবিটের পাহাড় কাটা, মাটি পাচার, অবৈধ বালি পাচার, অবৈধ করাত কল, সরকারি বনভুমির জায়গা বিক্রি, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, ঘুমধুমের ইট ভাটায় সামাজিক বনায়নের কাঠ পাচার থেকে শুরু করে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি সহযোগিতা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে উখিয়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ।
আর এতে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। কিন্তু দেখার কেউ নেই? অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সরোয়ার আলমের নামে লাখ লাখ টাকা মাসোহারা উত্তোলন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বন কর্মকর্তা এবং ফরেস্ট গার্ডরা এসব মাসোহারা উত্তোলন করে। ভিলেজার, বনভূমিতে বসবাসকারী, অবৈধ করাত কলের মালিক,ফার্নিসার দোকানি, বোট মালিক, পাহাড় দখলদার থেকে এসব চাঁদাবাজ উত্তোলন করে তারা। উখিয়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা বজলুল রশিদ এসব মাসোহারা উত্তোলন করে বিভাগীয় অফিসে পাঠায় বলে ভিলেজারগন জানিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগ অভিযুক্তরা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, যতই বনের দিকে যাই, কাঠ চোর সিন্ডিকেটের লোকজন নির্বিচারে সামাজিক বনায়নের কাঠ নিধনের দৃশ্য দেখা যায়। জানতে চাইলে বলেন, এসব মাসোহারা দিয়ে করছি বলে জানিয়েছেন তারা ?উখিয়া,ইনানী এলাকার বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ইট ভাটায় পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ধ্বংস করছে সরকারের কোটি কোটি টাকার বনসম্পদ।
কিন্তু দেখার কেউ নেই।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, কাঠ চোর সিন্ডিকেটের লোকজন বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে এ নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। ইট ভাটার মালিকদের সাথে কথা হলে তারা জানান, কাঠ নিচ্ছি টাকা দিয়ে, তারা কাঠ কোথায় থেকে আনতেছে সেটা জানার বিষয় নই।
