কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জাধীন বনভূমিতে চলছে অবৈধ স্থাপনা সহ পাহাড় কাটার মহোৎসব

কক্সবাজারের রামুর পানেরছড়ায় চলছে নির্বিচারে পাহাড় ও গাছ কাটা চরম আকারে বেড়ে গেছে। চারদিকে শুধু পাহাড় কর্তন করে জায়গায় ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ পাহাড় খেকো সিন্ডিকেট পাহাড়ের মাটি ও বনের গাছ অবৈধ ভাবে কেটে ডাম্পার যোগে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে।
সরজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে রামুর পানেরছড়ার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকহারে পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন, বনভূমি দখল করে দালান, বাড়িঘর ও দোকান নির্মাণ করলেও বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরবতা পালন করছে। জানা যায়, রেঞ্জ কর্মকর্তা রতন লাল মহতকে ম্যানেজ করে পানেরছড়ার বলিপাড়ায় পাহাড় কেটে শত শত ডাম্পার মাটি পাচার করছে হেডম্যানের ছেলে নজরুল ইসলাম। গত রমজান মাসে এই নজরুল এর মালিকানাধীন ডাম্পার গাড়ি আটক করা হলেও পানেরছড়া রেঞ্জারের সহযোগিতায় গাড়িটি ছাড়িয়ে আনা হয়। অন্যদিকে তুলাবাগান এলাকার সৈয়দ আহমদ এর ছেলে নজরুল ইসলাম বাগান থেকে গাছ কেটে বনভূমিতে স্হাপনা নির্মাণের সময় বন বিভাগ খবর পেয়ে উচ্ছেদ করলেও নজরুল এর বিরুদ্ধে কোন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি রেঞ্জ কর্মকর্তা।
আরও জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের অভিযান তৎপরতা না থাকায় পাহাড় খেকো সিন্ডিকেট মাসিক মাসোহারা দিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে পাহাড় কেটে মাটি, বালি ও গাছ পাচার করছে। অন্যদিকে বনভূমি দখল করে বিক্রি ও স্থাপনা নির্মাণ করছে।বালি পাচার সিন্ডিকেট ও বনভূমি দখলকারীরা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করলে সব বৈধ হয়ে যায়,আর ম্যানেজ না করলে মামলা ও অভিযানের ভয়ভীতি দেখায়।বনভূমিতে প্রতিটি স্হাপনা নির্মাণে রেঞ্জ কর্মকর্তার পকেটে যায় মোটা অংকের টাকা। সরকারি বনভূমি হতে পাহাড় কর্তন ও মাটি সরবরাহ নিষিদ্ধ থাকলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তা ও বন বিভাগের কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে একের পর এক পাহাড় কর্তন ও বনায়নের গাছ কাটা হচ্ছে।
এভাবে নির্বিচারে পাহাড় কর্তনের ফলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন পরিবেশবাদী সংগঠন।স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সরকারি পাহাড় ও বনায়ন রক্ষা,অবৈধ স্হাপনা সহ অবিলম্বে পাহাড় কর্তন ও গাছ কাটা বন্ধের জন্য দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জের সমিতি পাড়ায় বনভূমি দখল করে পাহাড় কাটলেও বন বিভাগ নিরবতা পালন করে। রেঞ্জ কর্মকর্তাকে অবগত করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে পরে আর কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না! পাশে যে পাকা স্থাপনা গুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলোও বনভূমি দখল করে পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত ছিলেন।
এবিষয়ে জানতে রেঞ্জ কর্মকর্তা রতন লাল মহত এর মুঠোফোনে কল দেয়া হলে তিনি জানান এখানে যা কিছু হয়সবই ডিএফও স্যার ও এসিএফ স্যারের নির্দেশে হয়। আমি শুধু তাদের াাদেশ নির্দেশ পালন করি।
