মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বাড়ি পেয়ে শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করলেন বৃদ্ধ কাশেম

দিনমজুর,প্রতিবন্ধি ভূমিহীন ছিন্নমূল মানুষেরা এক সময় ঝড় বৃষ্টিতে আতংকে থাকতেন। তাদের নিশ্চিন্ত জীবন ব্যবস্থা করে দেয়ায় খুশিতে ভাসছেন তারা।প্রত্যেক নামাজ শেষে মুনাজাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি। বললেন ষাটোর্ধ বয়স্ক মৃত আলী হায়দারের ছেলে আবুল কাশেম।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা বাহারছড়ার শামলাপুর সৈকতে পলিথিনের ঝুপড়ি বাসায় বসবাস করে আসছিল পরিবার নিয়ে , ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের চেষ্টায় তিনি মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দালান বাড়ীতে ঘুমাচ্ছেন বলে কেঁদে ফেললেন।বৃদ্ধ আবুল কাশেম বলেন, আমার কোন জমি,ঘর ছিল না। একটা ভাঙা পলিথিনের তৈরি ঝুপড়ি ঘরে থাকতাম।বর্ষায় ঘরের চালের ছিদ্র দিয়া পানিতে সব ভিজত। কোন রকম থাকতাম। এমন দালান বাড়ির মালিক হব এটা জীবনেও ভাবতাম পারছিলাম না।
তিনি আরও জানান, একদিন হঠাৎ আমার ভাঙা ঘরে বাহারছড়া ভূমি অফিসার এসে আমার ছবি ও এনআইডি কার্ড নিয়ে যায়।পরে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার জমিসহ বাড়ী পাবো বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপহার দালানে জীবনের প্রথম ঘুমাইছি বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে বাড়ি পেয়েছে ভূমিহীন ও গৃহহীন হাজার হাজার পরিবার।
নিজস্ব ঠিকানা ও আশ্রয় পাওয়ার জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শিলখালীর এরশাদুর রহমানের ছেলে দিনমজুর দিল মোহাম্মদ (৬০) অন্তত পাঁচবার থাকার জায়গা পরিবর্তন করতে হয়েছে তাকে।পরিবার নিয়ে মেরিন ড্রাইভ রোডের পশ্চিম পাশ্বে সরকারি জায়গায় একটি ঝুপড়ি ঘর বেঁধে বসবাস করছিলেন দিল মোহাম্মদ। তাদের বর্ষাকাল শুরু হলেই বছরের প্রায় অর্ধেক সময় কাটাতে হত আতঙ্কের মধ্যে। এখন আর সেই দুর্চিন্তা নেই।
পরিবার নিয়ে পাকা বাড়িতে বসবাস করছেন তারা।শেষ বয়সে এ আশ্রয় পেয়ে তিনি অনেকটাই স্বস্তিতে আছেন।বাহারছড়া এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ছোট্ট ছোট্ট গ্রামগুলোতে রঙিন এসব ঘর শোভা পাচ্ছে।গৃহহীন ভূমিহীন মানুষকে জায়গাসহ সেমিপাকা বাড়ি। উপকাভোগীরা সরকারের দেয়া বাড়িটিকে দেখছেন জীবনের সেরা উপহার হিসেবে।
প্রতিবেদকের কথা হয় শামলাপুর এলাকায় ভূমি ও গৃহহীন ছৈয়দ আলমের সাথে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিসহ দালান ভূমি অফিসার আব্দুল জব্বারের চেষ্টায় আমার অসহায় মানুষ পরিবার নিয়ে দালান বাড়ীতে ঘুমাচ্ছি।আল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক বলে ও জানান তিনি।মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়েছেন সুবিধাভোগীরা জানান , আমাদের জমি- ঘরবাড়ি ছিলনা।
জীবনে দালান বাড়ীতে ঘুমাতে পারবো স্বপ্নে ভাবিনি।, বাহারছড়া ভূমি অফিসার আমাদের খোঁজে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি দালান বাড়ী দিয়েছেন।এবিষয়ে বাহারছড়া ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, দিনমজুর, গরীব অসহায়, ছিন্নমূল, প্রতিবন্ধী,বিধবাদের দুঃখ দুর্দশা বিবেচনা করে তাদেরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বরুপ ভূমিসহ বাড়ী দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে তারা ভীষণ খুশী হয়েছেন।বাহারছড়ায় মুলত ছিন্নমূল, ভূমিহীন গৃহহীন, দিনমজুররা পেয়েছেন।তিনি আরও জানান, যারা ঘর ও জমি পেয়েছেন তাদের যে আনন্দ,তা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘর গুলো তৈরিতে আমি সবার সহযোগিতা পেয়েছি বলে জানিয়েছেন তিনি।
