আইন মন্ত্রনালয়ের অসাধু কর্মকর্তাদের আর্শিবাদে অবৈধ তৎপরতা অব্যাহত
পতিত স্বৈরাচারী লীগ পন্থী ছাত্র লীগের ক্যাডার নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের নেতৃত্বে চলছে ঘুষের রাজত্ব
স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের পতন হলেও এখনো রয়েগেছেন ছাত্র লীগের সাবেক নেতা,বর্তমানে নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসান। বি আর এস এর নেতাদের দোহাই দিয়ে ও আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এর নাম ভাঙ্গীয়ে চলছে রমরমা ঘুষ বানিজ্য। সীমাহীন দুনীতির কারণে সরকার হারাচ্ছেন কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। ভিটা জমিকে নালা দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে লুটপাটের মহোৎসব চলছে নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার অফিসে। এযেন দেখার কেউ নেই। নারী কেলেংকারী তে পিছিয়ে নেই মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল।
সুত্র মতে, ঢাকা নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসানের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য এখন চরম পর্যায়ে। রেজিষ্ট্রেশন বিধিমালা কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে সরকারি ফির বাহিরে অতিরিক্ত ফি আদায় করছেন সাবরেজিস্ট্রার।
অসহায় হয়ে পরেছেন সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতারা দলিল লেখক গন বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। দুনীতির মাস্টার মাইন্ড হিসেবে আছেন তাঁর সিন্ডিকেটের প্রধান সেনাপতি কেরানি রাসেল। ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ দলিল লেখক দের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ দৈনিক। সাধারণ দলিল লেখক দের দাবী কারণে অকারণে দলিলের ধরন, মৌজা বুঝে গুনতে হয় মোটা অংকের ঘুষের টাকা। আর যেসকল দলিল লেখক কিংবা দাতা গ্রহীতারা তাদের দাবী কৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তাদের কে বিভিন্ন অজুহাতে ত্রুটিপুর্ন দেখিয়ে দলিল আটকে রেখে হয়রানি করে থাকেন ঘুষখোর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল,কেরানি ও তাদের গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনি। এককথায় হয়রানির আরেক নাম সাবরেজিস্ট্রার নবাবগঞ্জ।
ঢাকার নবাবগঞ্জ ও ধামরাইয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাব-রেজিস্ট্রার মো. নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে ব্যাপক ঘুষ গ্রহণ, কমিশন বাণিজ্য ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তবে মানিকগঞ্জে তাঁর কোনো নির্দিষ্ট সম্পদের পাহাড় গড়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য মূলধারার বা প্রামাণ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। অবৈধ সম্পদের খোজে ও তাঁর দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে মানিকগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলার চালায় তার পালিত গুন্ডা বাহীনি দিয়ে।
দুর্নীতির অভিযোগ ও অনিয়মঘুষ ও কমিশন বাণিজ্য: সাব-রেজিস্ট্রার নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে দলিল রেজিস্ট্রি, নামজারি ও বিভিন্ন ফি বাবদ সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে।
রাজনৈতিক প্রভাব: বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে তিনি সাব-রেজিস্ট্রার পদে আসার পর থেকে বেপরোয়াভাবে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয় দলিল লেখক ও সেবাগ্রহীতারা অভিযোগ করেন।সাংবাদিকদের ওপর হামলা: তাঁর দুর্নীতির তথ্য ও অনুসন্ধানে গিয়ে মানিকগঞ্জ বা এর কাছাকাছি এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীরা হামলা ও বাধার মুখে পড়েছেন।সম্পদের তথ্য সংক্রান্ত বিভ্রান্তি মানিকগঞ্জে সহ ঢাকায় অঢেল সম্পত্তি: তাঁর নিজ এলাকা বা মানিকগঞ্জে সাটুরিয়া উপজেলার বেনামি বা দৃশ্যমান বিশেষ সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে। আগলা মৌজাই- ২০২৬ সালে ৩৪৫৬ নং দলিলে ভিটা জমিকে নালা দেখিয়ে কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। একই ভাবে গালিমপির মৌজাই ২০২৫ সালের ৫৬৭২ নং দলিলে একইভাবে মোটা অংকের রাজস্ব লুট করছেন কেরানি ও সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল, অসাধু দলিল লেখক দের যোগসাজশে। রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানানোই সাবরেজিস্টার নাজমুলের কাজ। টাকার জন্য মরিয়া হয়ে অনিয়ম দুনীতি, ঘুষের রমরমা কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে তিনি।
বিগত সময়ে তার আর্থিক দুনীতির বিষয়েএকাধিক লিখিত অভিযোগ করেন আইন মন্ত্রণালয়ের একাধিক ভুক্তভোগী। পতিত স্বৈরাচারী লীগের দাপটে সেই সকল অভিযোগ অদৃশ্য শক্তি কারণে ধামাচাপা পরে যায়। কিংবা সরকারি কোনো তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।
স্বল্প সময়ে চাকরিতে সম্পদ: তাঁর মূল কর্মক্ষেত্র ঢাকা ও এর আশেপাশের উপজেলায় হলেও, তাঁর স্বল্প চাকরিজীবনে আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ও বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ব্যাপক ভাবে। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়ায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নী।