বেপরোয়াভাবে চলছে বদলী-পদোন্নতি ও কমিশন বানিজ্য
পিআরএলকে সামনেরেখে মরিয়া হয়ে ঘুষের রাজত্ব কায়েম করছেন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী বেলাল
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দুনীতির মাস্টার মাইন্ড, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে, নিয়োগ বানিজ্যের, বদলী, পদোন্নতি ও কমিশন বানিজ্যর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্র মতে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যাক্তীদের দোহাই দিয়ে পকেট কাটছেন সাধারণ কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক দের নিকট থেকে বলে অভিযোগ আছে। বিগত স্বৈরাচারী লীগ সরকারের দাপটে এলজিইডি “র” সদর দপ্তরে এসি/ এডমিশন থাকা কালিন তিনি তাঁর গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ঘুষ দুনীতির সমরাজ্য চালিয়েছেন বেপরোয়াভাবে।
একাধিক সুত্রে জানা যায়, প্রকল্পের ও সরকারী রাজস্ব বরাদ্ধের বিপরীতে কাজ না করে বিল উত্তোলন। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর পিরোজপুরের এমপি, ও উপজেলার চেয়ারম্যান মিরাজ, মহারাজ, সাবেক নিবাহী প্রকৌশলী দুনীতিবাজ আব্দুল ছাত্তার মিলে কাজের বিপরীতে বরাদ্ধ প্রদান করে কাজনা করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করছেন ইফতি ইটিসেল নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মালিক মিরাজ ও মহারাজ সাথে আতাত করে সাবেক এসি/ এডমিশন বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন। ব্যবসায়ী পার্টনার ছিলেন বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন ও সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার মিলে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি ও তার এই সিন্ডিকেট বর্তমানে দুদকে তদন্তাধীন আছে।
অবৈধভাবে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করে বনে গেছেন শত শত কোটি কোটি টাকার অঢেল সম্পদের মালিক দুনীতির বর পুত্র প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন। তাঁর নেতৃত্বে কমিশন বানিজ্য, বদলি বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর্থিক অনিয়মের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে সকল উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড। শুধু মাত্র তার আর্থিক দুনীতির কারনে।
স্বৈরাচারী পতিত লীগ পন্থী, লীগের সুবিধাভোগী প্রধান প্রকৌশলী বেলাল এখন বনে গেছেন রাতারাতি বিএনপি পন্থী। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক প্রকৌশলীরা আজকের সংবাদ কে জানান, সংসৃষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রতিমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এলজিইডি তে।
দুনীতি পরায়ন লীগের দোসর প্রকৌশলী বেলাল হোসেন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশ হলেও তাঁর অবৈধ ক্ষমতা ও অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা পরে যায় অদৃশ শক্তির কারণে।
লীগপন্থী প্রকৌশলী বেলাল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিশাল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির প্রধান অভিযোগ সমূহ অবৈধ পদায়ন ও বদলি বাণিজ্য: সার্ভেয়ার ও কার্যসহকারী পদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে প্রায় ৪১২ জনকে অবৈধভাবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে চলতি বা ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে ৪০ থেকে ৬০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যাক্তীদের নিরব ভুমিকা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ এলজিইডির সাধারণ কর্মকর্তা দের মাঝে। আগামী কয়েক মাস পরে পি আর এল এ যাবেন সেই জন্য মরিয়া হয়ে অনিয়ম দুনীতি মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছ, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ: ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও পদায়নে ঘুষের মাধ্যমে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তার সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহার: বিগত লীগ সরকারের সময় থেকেই অধিদপ্তরে নিজের প্রভাব বিস্তার এবং বিশেষ সিন্ডিকেট পরিচালনার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের দুর্নীতি নির্দিষ্ট অভিযোগে দাপ্তরিক অনুসন্ধান চলছে তাঁর অবৈধ সম্পদের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
একাধিক সুত্রে যানা জায়, এলজিইডির প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে কাজ না করে বিল উত্তোলন, বদলি বাণিজ্য এবং শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দুদকে জমা হওয়া বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর এসব আর্থিক অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।দুর্নীতিবাজ প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন অভিযোগ সমূহের অন্তনেই? অবৈধ সম্পদ অর্জন: জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে শত কোটি টাকার মালিক হলেন কোন পথে যা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক দের চাপ প্রয়োগ করে|
এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ৪০টি উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজ না করেই শতভাগ বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্য: সারাদেশে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবৈধ পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্য করার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে । প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ বদলী, পদন্নোতি কমিশন বানিজ্য সহ নানান ভাবে চলতে নৈরাজ্য। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তোলা সিন্ডিকেট বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দের বিপরীতে কমিশন বানিজ্য, বদলী বানিজ্য, পদন্নোতি বানিজ্য সহ নানান ভাবে চলতে ঘুষের রাজত্ব। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন এর মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।