স্বৈরাচার সরকার আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সাব-রেজিষ্ট্রাররা এখনও বহাল তবিয়তে
পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত মজিব নগর, সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম গংরা রয়ে গেছেন বহাল তরিয়াতে রয়ে গেছন সকল ধরা ছোয়ার বাহিরে।
পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত মজিব নগর, সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম গংরা রয়ে গেছেন বহাল তরিয়াতে রয়ে গেছন সকল ধরা ছোয়ার বাহিরে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ, ভুয়া শিক্ষার সনদ ও বয়স জালিয়াতি করে সাব-রেজিষ্ট্রার পদে চাকুরী হাতিয়ে নেন তারা।
চাকুরীতে যোগদানের পরে ঘুষ, বাণিজ্য লিপ্ত হয়ে সকলেই এখন কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকে অনেকেই হাজিরা দিচ্ছেন আবার অনেকেই পতিত সরকারের আমলে দুদকে অসৎ কর্মকর্তাদেরকে ম্যানেজ করে তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়ে গেছেন মর্মে জানা গেছে গোপন সূত্রে। ঢাকা জেলার ধামরাইয়ের কালামপুরের মজিব নগর, সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম এর দূর্নীতির কারণে সরকার বছরে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।
সূত্রে জানা যায়, ০৭-১২-২০০৯ সালে মজিব নগর কর্মচারী সাব রেজিষ্ট্রার হিসাবে চাকরী পেয়ে যান ভুয়া শিক্ষা ও মুক্তিযোদ্ধা সনদে। চাকুরী শুরু হইতে তজিমুদ্দিন ভোলা, আমতলী বরগুনা, মটবাড়ীয়া, পিরোজপুর, লক্ষীপাসা নড়াইল, সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী, বগুড়া সদর, গাইবান্ধা সহ পরবর্তীতে ঢাকা জেলা কালামপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ০২-০৭-২০২৪ তারিখে যোগদান করেন।
চাকুরী জীবনে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকী দিয়ে বনে গেছেন শত কোটি টাকার মালিক। লীগ সরকারের আমলে দাপিয়ে বেড়ানো সাব-রেজিষ্ট্রার মঞ্জুরুল ইসলাম বনে গেছেন এখন বিএনপি পন্থী। আগামী ১৫-০৬-২০২৫ সালে অবসরে যাবেন, যে কারণে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ, দুর্নীতি স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে কালামপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসকে। তার একান্ত সহচর হিসেবে আছেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নকল নবিশ পারুল আক্তার ও তার স্বামী অবসরপ্রাপ্ত টি সি মোহরার আব্দুস সাত্তার তাদের আরোও সহযোগী নকল নবিশ বজলুর রহমান, আব্দুর রহিম, আরিফুল গংরা।
কামালপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম এর সিন্ডিকেট একচ্ছত্র আধিপত্য ও দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে। সাব-রেজিষ্ট্রার ও নকল নবিশ পারুলের নিকট জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ দলিল লেখকগণ। চলতি অর্থ বছরে দলিল নং-১৩৪৬, ৭৫২,১০৮৬,১১৫৬,২১৩৭ নং দলিলগুলোর মোটা অংকের রাজস্ব ফাকি দিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করেছেন সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম ও নকল নবিশ পারুল আক্তার। অল্প কিছুদিনের ভিতরে অবসরে যাবেন বলে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ, বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। নারী কেলেঙ্কারীতেও পিছিয়ে নেই সাব-রেজিষ্ট্রি মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম।
সূত্র মতে চাকুরী প্রাপ্ত সময় ভুয়া শিক্ষা সনদ দেখিয়েছেন বিএ পাস এর সার্টিফিকেট দিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার পদ বাগিয়ে নেন। সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১৬ জুন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ছিল মাত্র ৪ বছর ৯ মাস। মজিব নগর কর্মচারী হিসেবে অন্যান্য একাধিক সাব-রেজিষ্ট্রারদের বয়স ছিলো ৪ থেকে ৬ বছর। এই বয়সে কিভাবে তারা মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহণ করলেন এবং কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন তার কোন স্বদউত্তর সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম আজকের সংবাদ কে দিতে পারেন নাই।
মজিব নগর সাব-রেজিস্ট্রার কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৯৬৭ সালের ২ এপ্রিল। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সময় চার বছর এক মাস বয়স ছিল তার। এত অল্প বয়সেও তারা মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে পেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। এই দুজনের মতো মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ২৭ জন সাব-রেজিস্ট্রার এখনো কর্মরত। মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে কর্মস্থলে তাদের রয়েছে ব্যাপক আধিপত্য।
প্রভাবশালী এসব কর্মকর্তা পদায়ন বাগিয়েছেন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে। সূত্রে জানা যায়, স্বৈরাচারী আওয়ামীল সরকারের আমলে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিকুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম কে কয়েক কোটি টাকা ঘুষের বিনিময়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেখিয়ে চাকুরী পায়ে দেন এই সকল সাব-রেজিষ্ট্রার কে। নিয়োগের তালিকা অনুযায়ী ১৯৬৭, ১৯৬৬, ১৯৬৫ সালে জন্মতারিখ আছে এমন সংখ্যা ছিল অনেক। অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধকালে তাদের বয়স ছিল ৪ থেকে ৬ বছর। জালিয়াতির মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া নিয়ে তখন নিবন্ধন অধিদপ্তরসহ আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে নাম প্রকাশ না করা শর্তে আইজিআর অফিসে একাধিক কর্মকর্তাগণ আজকের সংবাদকে জানান।
সর্বশেষ ২০২০ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ৬৭০ জন। এই মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিপ্রাপ্তদের বেশিরভাগই ভুয়া বলে অভিযোগ ছিল শুরু থেকেই।নিয়োগের কিছুদিন পরই নিয়োগপ্রাপ্তরা ভুয়া, তাদের অনেকেই মুজিবনগর কর্মচারী নন এবং মুজিবনগর কর্মচারী হিসেবে তারা যে সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন, তাও ভুয়া এমন অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগ তদন্তে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এরপর ২০১১ সালের জুনে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারীর ভুয়া পরিচয়ে চাকরি নেওয়া ১৬ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে বরখাস্ত করা হয়। পরে তারা ফের হাইকোর্টে রিট করে চাকরিতে ফিরেন বলে সূত্র জানায়। ৪-৫ বছর বয়সী যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো কর্মরত: মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার লুৎফর হোসেন মোল্লা রাজধানী ঢাকার উত্তরা থেকে বদলী হয়েছে সম্প্রতি।
তিনি ৫ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা। জন্ম ১৯৬৬ সারের ১ জানুয়ারি। তার চেয়েও কম বয়সী ঢাকার ধানমন্ডির সাব-রেজিস্ট্রার মো. আবুল হোসেন। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১১ নভেম্বর। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার খোন্দকার গোলাম কবির। সাব-রেজিষ্ট্রার গোলাম কবির চাকুরী নিয়োগের সময় তার ভুয়া শিক্ষা সনদ দাখিল করেন এমবিএ পাশের, নিজ জেলা রংপুর বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন এছাড়াও ঢাকা, উত্তরা, মতিঝিল, খিলগাঁও সহ নামে-বেনামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ক্রয় করেছেন তিনি।
গাজীপুর, কালিকৈর, গাজীপুর কালিগঞ্জ, সাব-রেজিষ্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ভুয়া দলিলপত্র ও সরকারের বন বিভাগের রাষ্ট্রীয় জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেজিষ্ট্রি করে দিতে পিছ পা হন নাই তিনি। টাকা হলে নামজারি ও খারিজ খতিয়ানের ফটোকপি দিয়ে দলিল সম্পাদন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম রাউজান বদলী করা হলে সেখান থেকে পুন:রায় নারায়ণগঞ্জ জেলায় রূপগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে ১১-১২-২০২৩ সালে যোগদান করেন। আগামী ০৯-০২-২০২৬ সালে অবসরে যাবেন এই মজিব নগর কর্মচারী মহা ঘুষখোর সাব-রেজিষ্ট্রার খন্দকার গোলাম কবির। যে কারণে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ, বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার একান্ত সহচর হিসেবে আছেন নকল নবিশ মঞ্জুরুল, দলিলের পেনসিল দিয়ে সংকেত দিলে দেখে দলিল সম্পাদন করে থাকেন সাব-রেজিষ্ট্রার গোলাম কবির।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উক্ত অফিসের একাধিক কর্মচারী আজকের সংবাদকে জানান সাব-রেজিষ্ট্রার গোলাম কবির তার সাথে দুপুরের খাবারের টিফিন বাটির ভিতরে রাতে ঐ সকল ঘুষের টাকা বহন করেন। তিনিও ৫ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। গাজীপুরের শ্রীপুরের ওসমান গনি মন্ডল। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ২৪ জুলাই। কেরানীগঞ্জ মডেল অফিসে সাব-রেজিষ্ট্রার থাকালীন ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া কোন দলিল সম্পাদন হতো না তার নিকট। নারী কেলেঙ্কারীতেও পিছিয়ে নেই তিনি।
অফিসে সুন্দরী নকল নবিশদের কে বিভিন্ন অজুহাতে সম্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে ও অসৎ আচারণের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। রাজধানী উত্তরায় ৬ষ্ঠ তলা বিশিষ্ট বাড়ী নির্মাণ করেছেন কয়েক কোটি টাকা খরচ করে। তার নিজ জেলা কুড়িগ্রামে ডুপ্লেক্স বাড়ী নির্মাণ করেছে কোটি টাকা খরচ করে। এভাবে নামে-বেনামে অবৈধ পন্থায় কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি। নরসিংদী সদরের সোহরাব হোসেন সরকার। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৫ অক্টোবর। কিশোরগঞ্জ সদরের মিনতী দাস। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১৪ মার্চ। তিনিও ৫ বছর বয়সে মুক্তিযোদ্ধা। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের সাব-রেজিস্ট্রার ইউসুফ আলী মিয়া। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৮ জানুয়ারি। চট্টগ্রামের রাউজানের আবু তাহের মো. মোস্তফা। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৯ আগস্ট।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাব-রেজিস্ট্রার মো. ওমর ফারুক। তার জন্ম ১৯৬৫ সারের ১৫ জুন। নোয়াখালীর চাটখালরির মো. আবুল বাশার। তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৫ মে। ফেনী সদরের সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার। জন্ম ১৯৬৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। নওগাঁর মহাদেবপুরের সাব-রেজিস্ট্রার রফিক উদ্দিন। জন্ম ১৯৬৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। নওগাঁর নিয়ামতপুরের মুক্তিওয়ারা খাতুন। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৮ অক্টোবর।
রংপুর সদরের রামজীবন কুন্ডু, জন্ম ১৯৬৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। রংপুরের পীরগঞ্জের আফছার আলী। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১১ অক্টোবর। বাগেরহাটের মোংলার সাব-রেজিস্ট্রার স্বপন কুমার দে। তার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১৮ এপ্রিল। পটুয়াখালী সদরের মো. ফারুক, জন্ম ১৯৬৮ সালের ২৫ মে। ভোলার লালমোহনের সাব-রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম, জন্ম ১৯৬৫ সালের ২ ডিসেম্বর। মেহেরপুরের জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত মো. আকবর আলী। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি, জেলা রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম। তার জন্ম ১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ। তারা সবাই মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী বিবেচনায় মুক্তিযোদ্ধা। তাদের মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যাই বেশি বলে অভিযোগ আছে। তবে নিবন্ধন অধিদপ্তরে তাদের দাপট অনেক বেশি। তারা ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সাব-রেজিষ্ট্রীর অফিসগুলোতে পদায়ন বাগিয়ে নেন। এভাবে পদায়নের ক্ষেত্রে নিবন্ধন অধিদপ্তরের একজন সহকারী পরিদর্শক ও আইনমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ঐ সকল লোভনীয় জায়গায় পুষ্টিং নিয়ে দৈনিক লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোিগ আছে তাদের বিরুদ্ধে।
সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ মঞ্জুরুল এর মোবাইল ফোনে উল্লেখিত দলিলের রাজস্ব ফাকি, শিক্ষা সদন জালিয়াতি, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদে চাকুরী, ৪ বছর ৯ মাস বয়সে কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা হলেন বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোন মতামত দিতে রাজি হননি। রুপগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রার খন্দকার গোলাম কবিরের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তার কোন মতামত পাওয়া যায়নি। ঢাকা জেলা রেজিষ্ট্রার মোখলেছুর রহমান এর মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তার কোন মতামত পাওয়া যায়নি।