সাতক্ষীরা পিবিআই’র ইন্সপেক্টর চাকলাদার আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত বানিজ্যর নামে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য ও হয়রানির অভিযোগ
পিবিআই সাতক্ষীরা পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয় পরুয়া ছেলেকে মিথ্যা মামলার আসামি করে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করলেন মামলার বাদী এলাকার শীর্ষ চোর পকেটেমারের পক্ষে নিয়ে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পিবিআই সাতক্ষীরা পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয় পরুয়া ছেলেকে মিথ্যা মামলার আসামি করে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করলেন মামলার বাদী এলাকার শীর্ষ চোর পকেটেমারের পক্ষে নিয়ে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রক্ষক এখন ভক্ষকের কারনে গোটা কয়েক পুলিশের কারনে পুরো বাহীনি কলংকিত করে ছারছে। কথায় বলে মাছের রাজা ইলিশ আর চাকরির রাজা পুলিশ তার সেই কথায় প্রমাণ করলেন পিবিআই এর ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান। টাকার জন্য মরিয়া হয়ে সত্য কে মিথ্যা আর মিথ্যা কে সত্য বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। দুনীতি পরায়ন লীগের দোসর পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান বেসামাল হয়ে পরেছেন টাকার জন্য। অবৈধ ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান।
ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন ইন্সপেক্টর চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামানের কারণে ডুবতে বসেছে পুলিশের ভাবমূর্তি। রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানানোই তাঁর কাজ টাকা পেলেই তিনি সবই করতে পারেন। খোঁজ নিয়ে জানা জায়, সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা নং ৪৫ /২৫ বাদী হুনুফা,আরেক মামলার বাদী শেখ নাজিবুর রহমান মামলা নং ৪৬/২৫ উভয় পক্ষই একই এলাকার বাসিন্দা ও পতিবেশী( ২) কাঠা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয়। উক্ত মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই শাকিল জোয়ার্দার সরেজমিনে তদন্ত না করে,একই পরিবারের লোকজনকে স্বাক্ষী করে,এলাকাবাসীর নিরপেক্ষ স্বাক্ষী না নিয়ে, মিথ্যা একতরফা ভাবে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। উল্লেখীত ৪৫ নাং মামলার আসামি বিশ্ববিদ্যালয় পরুয়া নাহিদ ঘটনা স্থলে উপস্থিত না থাকার সর্তে ও তাঁকে চার্জশিটে আসামি করা হয়েছিল।
তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল কৃত তদন্ত রিপোর্টের বিপক্ষে বিজ্ঞ আদালতে নারাজী দেন উভয় পক্ষই। আদালত সাতক্ষীরা বিশেষ পুলিশ সুপার পিবিআই কে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিল করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। ৪৫/২৫ মামলার আইও ইন্সপেক্টর চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামানের উপর তদন্তে বিষয় ন্যাস্ত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) বিপি -৭৪০১০৪২৩৭২) তাঁর তদন্তে অভিযোগ পত্রে আসামি শেখ নাহিদ হাসান তেজগাঁও কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। নাহিদের মোবাইলের লোকেশন (CDR) নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন ভুক্তভোগী নাজিবুর। ঘটনাস্থলে ও এলাকাবাসীর নিকট হুনুফা কতৃক মিথ্যা মামলার বিষয়ে সঠিক তদন্ত করার অনুরোধ জানান।তিনিও মামলার এজাহারে একই পরিবারের লোকজনকে স্বাক্ষী করে এলাকাবাসীর নিরপেক্ষ স্বাক্ষী না নিয়ে একই ভাবে চার্জশিট দাখিল করেন। অভিযোগ পত্রে আরের আসামি শেখ মামুন কে পলাতক দেখানো হয়েছে, অথচ জামিনে আদেশে কপি তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রেরণ করা হয়েছিল তাঁর পরে ও তাঁর পলাতক আসামি হিসেবে অভিযোগ পত্রে দেখানো হয়েছে। ৪৬/২৫বাদী দৈনিক আজকের সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ নাজিবুর রহমান কর্তৃক মামলার স্বাক্ষী শেখ দৌলাত আলীকে ও আরেক স্বাক্ষী শেখ গফুর আলী কে হুনুফার ৪৫/২৫ মামলার স্বাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে অভিযোগ পত্রে এতে করে বোঝা যায় তাঁর চাহিদা মাফিক ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করার একতরফ ভাবে ত্রুটিপুর্ন মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেছে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন তিনি। উল্লেখ থাকেযে ৪৫/২৫ মামলাটি তদন্ত করার জন্য আসামি নাজিবুরের নিকট থেকে ঘুষ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা গ্রহন করেছেন চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান যার প্রমাণ ভুক্তভোগী নিকট সংরক্ষণ রয়েছে।
বিভিন্ন সময়ে একাধিক ফোন করে তদন্ত কর্মকর্তা তার সাথে দেখা করতে বলেন ঘুষ চাওয়ার ইংগিতদেয় যার সকল তথ্য প্রমাণ আছে ঐ ভুক্তভোগীর নিকট বলে আজকের সংবাদ কে জানান। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক বাদী,বিবাদীগন আজকের সংবাদ কে জানান সাতক্ষীরা পিবিআই এর পুলিশ পরিদর্শক চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামানের দাবি কৃত ঘুষের টাকা দিতে হিমসিম খাচ্ছেন মামলার বাদী, বিবাদী পক্ষ। তাঁর দাবীকৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কিংবা চাহিদামাত্রা কম হলে ঘটে যায় বিপত্তি, তাঁর মনগড়া মিথ্যা বানোয়াট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন একতরফা ভাবে চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামান। চাকরি জীবনে যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে চলেছে মামলা বানিজ্য। তাঁর বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যর কারণে পিবিআই এর ভাব মুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে চরমভাবে। দুনীতি পরায়ন ইন্সপেক্টর চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামানের কারণে গোটা পুলিশ বাহীনির সুনাম নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন সাধারণ কর্মকর্তারা। একাধিক সুত্রে আরও জানা জায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জোড়দিয়া গ্রামের শেখ মাজেদ আলীর পুত্র শেখ নাজিবুর রহমানের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে ২ কাঠা জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আচ্ছে তাঁর প্রতিবেশী এলাকায় শীর্ষ চোর,পকেটেমার,মিথ্যা মামলাবাজ রাসেদ গং দের সাথে।
জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে জানুয়ারী ২০২৫ তারিখে উভয় পক্ষই হাতাহাতি হলে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা পর্যন্ত গড়ায়। সাতক্ষীরা সদর থানার বাদী নাজিবুর রহমানের দায়ের কৃত মামলা নং জি আর ৪৬/২০২৫ উক্ত মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি অত্র এলাকার শীর্ষ চোর পকেটে মার রাসেদ ও স্ত্রী হুনাফা তাঁর ছেলে বুয়েটের ( চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী) প্রশাসনের নিকট বড় মাপের কর্মকর্তা পরিচয় দানকারী মেহেদী হাসান সহ ৫ জন কে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।এছাড়া সাতক্ষীরা সদর ফড়িং ইউনিয়নে সাধারণ এলাকাবাসী ৫৭ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও আশাশুনী থানার গুনারাকাঠী ১৪ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সহ একাধিক নিরীহ মানুষের নামে মামলা করে চলেছেন পকেটে মার ধর্ষণ মামলার জেল খাটা আসামি রাসেদ ও তার ছেলে মেহেদী হাসান। কোন স্বার্থে অত্র এলাকার চিহ্নত চার,পকেটেমার,ধর্ষণ মামলার এজাহার ভুক্ত জেল খাটা আসামি রাসেদ। তাঁর ছেলে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মেহেদী হাসান গংদের পক্ষে নিয়ে তাদের দায়ের করা মিথ্যা মামলার অভিযোগ পত্র দাখিল করলেন যা ক্ষতিয়ে দেখা’র জরুরি উদ্ধৃত কর্মকর্তা দের। দুনীতিবাজ ঘুষখোর মিথ্যা মামলা চার্জশিট প্রদানকারী ইন্সপেক্টর চাকলাদার মোঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার ও পিবিআই এর ডিআইজি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ভুক্তভোগী নাজিবুর রহমান কতৃক।