পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে পাসপোর্ট অধিদপ্তরে অস্থিরতা
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ পদে সাম্প্রতিক এক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গোটা অধিদপ্তরে কর্মরতদের মধ্যে চলছে চরম অস্থিরতা।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ পদে সাম্প্রতিক এক নিয়োগকে কেন্দ্র করে গোটা অধিদপ্তরে কর্মরতদের মধ্যে চলছে চরম অস্থিরতা। গত ২৫ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহির্গমন- ৪ শাখা থেকে এক অফিসাদেশে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বে নিয়োজিত উপপরিচালক শাহ মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ কে প্রধান কার্যালয়ে (পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ) পদে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হয়। ইতোপূর্বে এ পদে সিনিয়র পরিচালকগণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে ও সিনিয়র পরিচালকদের বাইপাস করে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে বলে একাধিক কর্মকর্তা আক্ষেপ করে বলেন।
এ ছাড়া পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ নুরুল আনোয়ার গত ৯ ডিসেম্বর স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে প্রেরিত এক চিঠিতে খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের দায়িত্বে নিয়োজিত পরিচালক মোঃ আবু সাঈদকে পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) পদে পদায়নের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের সুপারিশের বিষয়টি ওভারলুক করা হয়েছে বলে আলোচনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) পদটি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং কর্মভার সম্পন্ন একটি পদ। অধিদপ্তরের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের নিয়োগ-বদলি-পদোন্নতি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মহাপরিচালক-কে সহায়তা করা, ক্রয় কার্যক্রম তত্ত্বাবধান, দেশের অভ্যন্তরে অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন সকল পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ভিসা সেল ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়ে আধুনিক ও জনবান্ধব সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্থার সাথে যোগাযোগ ও সমন্বয় সাধন কার্যক্রম তদারক করার দায়িত্ব পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এর উপর ন্যন্ত।
তাই এই পদে একজন যোগ্য সিনিয়র কর্মঠ কর্মকর্তাকে পদায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট মহল।