দারোগার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়া সত্বেও তদন্তে নির্দোশ বানালেন সাতক্ষীরা তালা এএসপি শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ
পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এস আই শাকিল জোয়ার্দারকে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রমাণ থাকা সর্তেও অভিযুক্ত কে অভিযোগ থেকে মুক্ত করে নির্দোষের প্রমাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত এস আই শাকিল জোয়ার্দারকে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রমাণ থাকা সর্তেও অভিযুক্ত কে অভিযোগ থেকে মুক্ত করে নির্দোষের প্রমাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুনীতিবাজ এস আই শাকিল জোয়ার্দার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রামন থাকা সর্তে ও নির্দোষ বানালেন কোন স্বার্থে তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার। এ প্রশ্ন ভুক্তভোগী মহলের।
স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের পতনের পরে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন হলেও তাদের মন মানুষীকতা পরিবর্তন হয়নী এখনো। গোটা কয়েক পুলিশ কর্মকর্তাদের দুনীতির কারনে গোটা পুলিশ বাহী কলঙ্কিত হচ্ছে। শুধু মাত্র তাদের আর্থিক অনিয়ম দুনীতি কারণে। লীগের দোসর এস আই শাকিল জোয়ার্দার সাতক্ষীরা এলাকাতে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে দের্দাচ্ছে। সাবেক ওসি শামিনুল হকের যোগসাজশে মিথ্যা মামলা বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কারী কারী টাকা বলে একাধিক মামলা সুত্রে যানা যায়। আতংকে আরেক নাম এস আই শাকিল জোয়ার্দার। সুত্রে যানা যায়,ভুক্তভোগী দৈনিক আজকের সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ নাজিবুর রহমান নাজমুল, বাদী হয়ে বিগত ৭ /০৯/ ২৫ তাঁরিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে মহা পুলিশ মহাপরিদর্শকের বরাবর সাতক্ষীরা সদর থানায় কর্মরত এস আই শাকিল জোয়ার্দার ( বিপি-৮৯১৭১৯৯৫৯৯) বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পরিপেক্ষিতে ২৫/০৯/২৫ তারিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টার কতৃক যার স্বারক নং,৪৪,০১,০০০০,১০১,৭৯,০০১,২৫/৩৮৬৫ স্মারকে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারকে তদন্তে নির্দেশনা প্রদান করেন। সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের স্মারক নং -৪৫৪১/ আর, ও তাঁরিখ ৪/১০/২৫ স্মারক মুলে অভিযোগের তদন্তের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল্লাহকে। উল্লেখীত স্মারকে পরিপেক্ষিতে সাতক্ষীরা তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ ৫/১০/২৫ তারিখে স্মারক নং ১৩৫৬,তাঁর কার্যলয়ে অভিযোগ কারীকে হাজির হয়ে অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করেন।
তদন্তে বিষয় সাতক্ষীর সদর থানার মামলা নং (৪৫)তাঁরিখ ২৭/০১/২৫ মামলার তদন্তের দায়িত্ব থাকা এস আই শাকিল জোয়ার্দার বাদীপক্ষের নিকট ম্যানেজ হয়ে,একতরফা ভাবে, সরেজমিনে তদন্ত না করে, একই পরিবারের লোকজনকে সাক্ষীকরে, অভিযোগ কারী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরুয়া ছেলে শেখ নাহিদ হাসান ঘটনা স্থলে উপস্থিত না থেকেও চার্জসিট ভুক্ত আসামি,করে ত্রুটি পুর্ন একতরফা রিপোর্ট দাখিল করেন বিজ্ঞ আদালতে। এছাড়া আরেক আসামি মামুন মালয়েশিয়ার প্রবাসী দীর্ঘ দশ বছর যাবৎ পুর্বে বাংলাদেশ বেড়াতে এসে মামলার চার্জশিট ভুক্ত আসামি করা হয়েছিল। যার পরিপেক্ষিতে পতিকার চেয়ে পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তা নিকট লিখিত অভিযোগ করে কোন কাজে আসেনি। উক্ত ৪৫ নং মামলার সাক্ষীদের বয়ান ও অসংগতি পুর্ন ছিল বলে অভিযোগে তথ্য প্রমাণ সহ অন্য অন্য বিষয় উল্লেখ থাকা সর্তে ও নির্দোষ বানিয়ে দিলেন ঘুষখোর সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ। অভিযোগকারী সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করেন,মামলা নং( ৪৬) নং রাসেদ গং দের বিরুদ্ধে।
আসামি একই এলাকা প্রতিবেশী দীর্ঘ দিন জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আচ্ছে। উল্লেখীত মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি মেহেদী হাসান ৯-(১)/৯(৪) খ ধারায় ধর্ষনের মামলার পলাতক আসামি সাতক্ষীরা সদর থানা ১৫ নং মামলার। ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মেহেদী হাসান ও অভিযোগ কারীরা ৪৫ নং মাললার সাক্ষীকে কি ভাবে সাক্ষ গ্রহণ করলো তা পরিস্কার ভাবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল।
এছাড়া ও ফাতেমা কতৃক ধর্ষণ মামলার আইও এস আই শাকিল জোয়ার্দার, ৪৫ নং মামলার সাক্ষীর জবানবন্দি নিলেন ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মেহেদী হাসানের জবানবন্দি নিলেন এস আই শাকিল জোয়ার্দার। সুত্রে আরও যানা যায়, বস্তুনিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ তথ্য থাকার সর্তে ও নির্দোষ প্রমাণ করে সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ। অভিযোগ আরও উল্লেখ থাকে যাদের পক্ষ নিয়ে এস আই শাকিল জোয়ার্দার মির্থা চার্জশিট দাখিল করেন তাঁরা সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ, মির্থা মামলাবাজ, চোর, পকেট মেরে জীবন যাপন করায় তাঁদের পেশা। বিগত ৬/৮/২৫ তাঁরিখে সাতক্ষীরা শ্যামনগর থানা এলাকায় পকেটে মারতে গিয়ে রাসেদ জনতার হাতে ধরা পরেছিল। জনতার রোষানল থেকে রক্ষা করে শ্যামনগর থানার এস আই মতিন বিশ্বাস। পরবর্তী তে রাসেদ কে ২৯০ নং জিডিমুলে তাঁকে আদালতে প্রেরণ করেন। সকল প্রমাণকের কপি অভিযোগের সাথে সংযুক্ত করা ছিল। সকল প্রমাণকের প্রমাণ থাকা সর্তে ও অভিযোগ কারী ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে শুধু মাত্র লীগের দোসর এস আই শাকিল জোয়ার্দারকে পক্ষ পাতের মাধ্যমে মির্থা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ। বাঁচানোর জন্য সত্য কে আরাল করে তাঁকে অভিযুক্ত থেকে অব্যহতি প্রদান করেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায় ফাতেমা নামক জনৈক ব্যাক্তী এস আই শাকিল জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে পুলি মহাপরিদর্শকের নিকট পতিকার চেয়ে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের দায়ের করেছেন যার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা ইন সার্ভিস ট্রেনিং। পতিত লীগ সরকারের আমলে শাকিল জোয়ার্দার চাকরীতে যোগদান করে ডি এম পর বিভিন্ন থানার তাঁর নেতৃত্বে চলে ভুয়া মামলা বানিজ্য, মাদক বানিজ্য সহ নানান অপরাধের লিপ্ত হয়ে পরেছিলেন।টাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। ডিএমপির মোহাম্মদ থানায় কর্মরত থাকা কালিন বৈশম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিলে গুলি চালিয়েছিল তিনি। অনেক কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখনো বহাল তরিয়াতে আছেন এসআই শাকিল জোয়ার্দার। পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পুনরায় তদন্ত করে অভিযুক্ত এস আই শাকিল জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্হা গ্রহণ ও তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল্লাহের বিরুদ্ধে শাস্তি মুলক ব্যবস্হা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।