এলজিইডি’র জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে মনগড়া তথ্য পরিবেশন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি

সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় এলজিইডির জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে সীমাহীন দুর্নীতির খবর প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এলজিইডি’র জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে মনগড়া তথ্য পরিবেশন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি

সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় এলজিইডির জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে সীমাহীন দুর্নীতির খবর প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রকল্পে গত ২ বছরে জনবলের বেতন ও অন্যান্য খাতে ২১ কোটি টাকা ব্যয় হলেও প্রতিবেদন সমূহে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির কথা লেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ ইনামুল কবির।

২৪৬১ কোটি টাকার জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে বিভিন্ন পদে ২৫৫ জন out Sourcing Staff নিয়োগের পরে বিশেষ স্বার্থসিদ্ধির জন্য এ ধরনের খবর প্রকাশিত হচ্ছে। নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পরামর্শক্রমে সকল পরীক্ষার্থীর লিখিত পরীক্ষা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কৃর্তপক্ষের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বুয়েট কর্তৃপক্ষ প্রার্থী নির্বাচন করে- যার সকল ডকুমেন্ট প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রতি শুরু হলেও কোন নির্মাণ কাজের দরপত্র বা কাজ অদ্যবধি শুরু হয়নি। প্রকল্পে জনবলের বেতন ও অন্যান্য খাতে গত ২ বছরে সর্বমোট ২১ কোটি টাকা ব্যয় হলেও- হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে। যাতে জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। কাজ বাস্তবায়ন না করে বিল প্রদান, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলী বাণিজ্য ইত্যাদি-এর মাধ্যমে নামে-বেনামে একাধিক বাড়িসহ সম্পদের পাহাড় গড়ার খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

এলজিইডি ভবনে অত্র প্রকল্পে প্রায় ৮০-৯০ জন জনবলের জন্য পর্যাপ্ত Office Space নেই বিধায় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে শেওড়াপাড়ায় অফিস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। গ্রামে ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ, শত শত বিঘা জমি ক্রয়, হেলিকাপ্টারে করে ঢাকা হতে বাড়িতে গমন বা সিলেট নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন কালে ভূয়া বিল, নিয়োগ বাণিজ্য, বদলী বাণিজ্য, টেন্ডার বাণিজ্যের তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবি করেন। তিনি প্রতিবেদকগনকে প্রজেক্ট প্রোফাইল, কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আরো অনুসন্ধান করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।