বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ সরকার জড়িত: হাফিজ উদ্দিন 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন (অবসর প্রাপ্ত) বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল অত্যন্ত ন্যক্কারজনক।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ সরকার জড়িত: হাফিজ উদ্দিন 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর হাফিজ উদ্দিন (অবসর প্রাপ্ত) বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছিল অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার উদ্দেশ্যে এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপে এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সরকার সরাসরি জড়িত বলে আমরা মনে করি।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। হাফিজ উদ্দিন বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে। এ ঘটনায় কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল তা তদন্তের জন্য প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা হয়েছে। স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে। সেজন্য তাদেরকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। বিএনপি নেতা হাফিজ বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর যখন সেনাবাহিনী বিদ্রোহ দমন করার জন্য অ্যাকশনে যাবে তখন সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদসহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা কোনো ধরনের অপারেশন চালাতে নিষেধ করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যক্রম অত্যন্ত রহস্যজনক ছিল। সেনাবাহিনী যেন কোনো ধরনের অ্যাকশনে না যায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের একটি কক্ষে বসিয়ে রেখেছিলেন। মেজর হাফিজ বলেন, এ হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছিল, অভিযানের ভয়ে তারা আতঙ্কিত ছিল। কিন্তু অতি অল্প সময়ের মধ্যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছিল, ডিএডি তৌহিদকে মেজর জেনারেল পদোন্নতি দিয়ে বাহিনীর প্রধান করে দেওয়া হলো। এটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, এতে বোঝা যায় এই হত্যাকাণ্ডটি একটি সুপরিপকল্পিত। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের যোগসাজশে এটি সম্পন্ন হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সালাউদ্দিন আহমেদ।