প্রধান প্রকৌশলী ও সচিবের দোহাই দিয়ে চালাচ্চেন রামরাজত্ব
গনপুর্ত অধিদপ্তরের সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী ফ্যাসিবাদের দোসর শফিউল সংস্কার ও মেরামতের নামে বেপরোয়া লুটপাট চালালেও দেখা’র কেউ নেই
গনপুর্ত অধিদপ্তরের অধিনে তেজগাঁও এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী লীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলামের দুনীতির কারণে উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গনপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী ও গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রণালয়ের সদ্য পদোন্নোতি প্রাপ্ত সচিব অবায়দুর রহমানের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন দুনীতির মহা নায়ক,ঘুষখোর নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। তেজগাঁও এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের যোগদান করে তাঁর নেতৃত্বে চলছে রমরমা কমিশন বানিজ্য। একাধিক সুত্রে আরও যানা গেছে, তাঁর মনোনীত ঠিকাদার ছাড়া কার্যাদেশ পাওয়া দৃঢ় ব্যপার। ভয়ংকর রুপে দুনীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
একাধিক সুত্রে জানা জায়, বিএনপি সরকার প্রধান জনাব তারেক রহমান তেজগাঁও নবথীয়েটার পরিশর্দন ও আগমন উপলক্ষে, মবথীয়েটারের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য তাঁর মনোনীত ঠিকাদার লীজা ইন্টার প্রাইজ ১৭ লক্ষ টাকা, তিন টি প্যাকেজে মোট ৫০ লক্ষ টাকা কার্যাদেশের বিপরীতে অগ্রীম ১০% হারে কমিশন নিয়ে নাম মাত্র মুল্যে সৌন্দর্য বৃদ্ধির কাজ সম্পূর্ন করার পায়তারা করছেন ঠিকাদারি ও নিবাহী প্রকৌশলী মিলে।এছাড়াও তেজগাঁও বিঙ্গান যাদুঘর সাজানো, মেরামত সংস্কার কাজের বিপরীতে একই কায়দায় তাঁর মনোনীত ঠিকাদার দিয়ে নাম মাত্র সংস্কার মেরামত কাজ করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করছেন নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিনে খামারবাড়ি তুলা ভবনের মেরামত সংস্কার কাজের প্রাক্কলন করে চরামুল্য, সেখানেও নয় ছয় করে মেরামত সংস্কার কাজ দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ বলে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান। আর আনুষাঙ্গিক কাজের বিষয় তো উল্টো চিত্র কাগজে কলমে সংস্কার মেরামত কাজ করা হয়। বাস্তবে কাজের হদিস পাওয়া যাবেনা। বরাদ্ধের পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে গিলে খাচ্ছেন দুনীতির বর পুত্র নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। সম্পদ বিভাগের অধিনে ট্রেনিং একাডেমির মেরামত সংস্কার কেনাকাটা কাজের বিপরীতে একই কায়দায় অতিরিক্ত প্রাক্কলন করে বরাদ্দকৃত অর্থ তসরুপ করছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম। একেই বলে চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। লুটপাটের মহোৎসব চলছে তেজগাঁও এলেন বাড়ী সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলাম নেতৃত্বে। এ যেন দেখা’র কেউ নেই।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা জায়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের তেজগাঁও সম্পদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোঃ শফিউল ইসলামের আর্থিক অনিয়ম দুনীতি থামাবে কে? অতি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে, সরকারের অর্থ লুট করছেন ফ্যাসিবাদের দোসর দুনীতি পরায়ন নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল। বিগত সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু পত্র পত্রিকা তে সংবাদ প্রকাশ ও অনলাইন গণমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও সংস্থার প্রধান, প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী ছত্র ছায়ায় থাকার কারণে সেই সকল সংবাদ ও লিখিত অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি আজও পর্যন্ত। অদৃশ্য শক্তি কারণে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেদারসে। গনপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দাপটে তছনছ, অনিয়ম করে চলেছেন তিনি।
দুর্নীতির বিবরণ অনিয়ম ও হরিলুট চলছে এলেনবাড়ি এলাকায় অবস্থিত গণপূর্ত সম্পদ বিভাগের দায়িত্বে থাকা দুনীতিবাজ শফিউল ইসলামের নেতৃত্বে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যাক্তীদের নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে।
সুত্র মতে, প্রভাবশালীদের যোগসাজশ তাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে এনেহ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি করছেন সাধারণ ঠিকাদার গন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের সংবাদ কে জানান যে তিনি বিশেষ সুবিধার মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নানাবিধ প্রভাবে এসব অভিযোগ দৃশ্যত ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে থলের বিরাল বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন তার।
ড. মোঃ শফিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা সুনির্দিষ্ট অনিয়ম আর্থিক দুনীতি বা এ সংক্রান্ত দুদকে তদন্ত করার আহবান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ ঠিকাদারা। তাদের দাবী গনপুর্ত সম্পদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল নেতৃত্ব চলছে হরিলুট সরকারি অর্থ লুটকারী নিবাহী প্রকৌশলী আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী শফিউল ইসলাম এখনও বহাল তবিয়তে আছেন কি ভাবে? উল্লেখীত অভিযোগের ব্যাপারে নিবাহী প্রকৌশলী শফিউল ইসলামের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি।