কালো টাকার মালিক নবাবগঞ্জের সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল এখনো বহাল তবিয়তে
আইন মন্ত্রণালয়ে কর্তাদের বিআরএস এর নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের ঘুষ বানিজ্য অব্যহত
নিবন্ধন অধিদপ্তরের আই আরও মাহাফুজুর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী নবাবগঞ্জের সাবরেজিস্ট্রার বেপরোয়া হয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছাত্র লীগের কোটায় সাবরেজিস্ট্রার পদে চাকরি হাতিয়ে নেওয়া নবাবগঞ্জ উপজেলার সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসানের বেপরোয়া আর্থিক দুনীতি থামাতে ব্যার্থ আইন মন্ত্রণালয়ের কর্তা ব্যক্তীরা। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এর দোহাই দিয়ে, লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের ঘুষের রাজত্ব চলছে।
তাঁর ঘুষের রাজত্ব পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন আইন মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু ব্যক্তী আইআরও মাহফুজুর রহমানের ছত্রছায়ায় বলে প্রকাশ আছে সাধারণ সাবরেজিস্ট্রার নিকট বলে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। একাধিক গণমাধ্যমে দুনীতির বরপুত্র ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের ঘুষ দুনীতি সংবাদ প্রকাশ করা হলেও আইন মন্ত্রণালয়ের কৃত পক্ষে নিরবতা এখন প্রশ্ন বিদ্ধ। দুনীতিবাজ নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের নেতৃত্বে, তাঁর গঠিত সিন্ডিকেট বাহীনির মাধ্যমে রমরমা কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশেই। অসহায় হয়ে পরেছেন সাধারণ দলিল লেখক ও সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতা উভয় পক্ষই। হয়রানির আরেক নাম সাবরেজিস্ট্রার নবাবগঞ্জ।
সুত্রে আরও জানা জায়, মহা পরিদর্শক নিবন্ধন অধিদপ্তরের আওতায় নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার অফিসে যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির এক দুর্ভোগের অভয়ারণ্য। দেশে গণঅভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও পতিত লীগ পন্থী সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল এখনো বহাল তবিয়তে আছেন নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্টার হিসেবে। ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্টার অফিস গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ফাঁকির মহোৎসব চলছে। রাজস্ব লুটকারীর ভাগ্যের সুবাতাস বইছে বিআরএস এর পরোক্ষ মদদে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাতে দুর্নীতির ধারা এখনও বেগবান। ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়ে আওয়ামী লীগ আমলে অত্যন্ত ক্ষমতাবান ছিলেন, লাগামহীন দুর্নীতি-অপকর্মে ডুবে ছিলেন সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল। বনে গেছেন মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে শত কোটি টাকার মালিক। অবৈধ ক্ষমতা ও অর্থের প্রভাবে সাধারণ কর্মকর্তা দের কে তোয়াক্কা করেনা তিনি।
সাধারণ সাবরেজিস্ট্রার দেয় দাবি বর্তমান বিএনপির সরকরের আমলে রেজিষ্ট্রেশন ডির্পারমেন্টকে নতুন করে সিন্ডিকেট তৈরি করে দুর্নীতির পুরনো ধারা অব্যাহত রেখেছেন দুনীতিবাজ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসান।
যা নিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সেক্টরে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ক্ষো/ভ-অ/সন্তোষ। আর এই দু/র্নীতির সিন্ডিকেটের মাস্টার/মা/ই/ন্ড হলেন- সাবরেজিস্টার নাজমুল হাসান উক্ত অফিসে ঘাপটি মেরে থাকা কেরানি রাসেল ও বর্তমান বিআরএসএর কিছু অসাধু নেতাদের ছত্র ছায়ায় থেকে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে।
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দায়িত্বে থাকা মো. নাজমুল হাসানের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলায় হলেও তিনি রাজধানী মোহাম্মদ ও গুলশানে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। যার আইয়ের সাথে সামঞ্জস্য নেই। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের নানা অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে সেই সকল অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি আজও পর্যন্ত। সাব-রেজিস্ট্রার, নবাবগঞ্জ,মূল বাড়ি: মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলা, চাকরি পাওয়ার আগে তাদের নুন আনতে পানতা ফুরাতো এখন এত সম্পদশালী হলেন কোন পথে যা, সাটুরিয়া উপজেলার সাধারণ জনগণের মুখ মুখে।
আলোচিত বিষয় হল জমি রেজিস্ট্রি ও শ্রেণি পরিবর্তন দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও রাজস্ব ফাঁকি,ভুয়া কাগজ পত্র, ফটোকপি যুক্ত কাগজ পত্র, দলিলের ধরন বুঝে গুনতে হয় মোটা অংকের ঘুষের নির্ধারিত ঘুষের টাকা। আর কমিশন দলিল এর ক্ষেত্রে কথায় নেই লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ না,দিলে দলিল সম্পাদন করা দূঢ় ব্যপার বলে সাধারণ দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান।নবাবগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুষের হাট বসিয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসান। এছাড়া নবাবগঞ্জ, তথ্য: জমির দলিল নিবন্ধন, তল্লাশি ও নকল সরবরাহের কাজের বিপরীতে পদে পদে হয়রানি ও ঘুষ ছাড়া কোন সেবা পাওয়া যায়না।
অফিসটির কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে নবাবগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গত সপ্তাহে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল তাঁর খাশকামরায় বসে তাঁর গঠিত দালাল সিন্ডিকেট বাহীনি মাধ্যমে দলিল সম্পাদন করছেন। সাধারণ দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান নবাবগঞ্জ সাবরেজিস্ট্রার নাজমুলের নেতৃত্বে হচ্ছে টা কি? আই জি আর অফিসের এক আই আর-ও ছত্রছায়ায় থেকে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল।
নবাবগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের নির্দিষ্ট কোনো সেবা, যেমন জমির দলিল রেজিস্ট্রি খরচ বাবদ গুনতে হয় মোটা অংকের টাকা। হয়রানির আরেক নাম সাবরেজিস্টার নাজমুল হাসান। উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে সাবরেজিস্ট্রার নাজমুল হাসানের মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নী।