লীগের দোসর সাবেক এমপি শিবলী সাদিক’র তথা কথিত পিএস ঠিকাদার রাসেদ’র নেতৃত্বে গিলে খাচ্ছে দিনাজপুর জেলার স্বাস্থ্য খাতের কোটি কোটি টাকা

লীগের দোসর সাবেক এমপি শিবলী সাদিক’র তথা কথিত পিএস ঠিকাদার রাসেদ’র নেতৃত্বে গিলে খাচ্ছে দিনাজপুর জেলার স্বাস্থ্য খাতের কোটি কোটি টাকা

লীগের দোসর দিনাজপুর ৬ আসেনর সাবেক এমপি শিবলী সাদিক ও পলাতক মামলার আসামী পতিত লীগ সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্বীয় নিক্সন চৌধুরীরর তথা কথিত পিএস রাসেদ এর নেতৃত্বে গিলে খাচ্ছে জেলার স্বাস্থ্য খাতে কোটি কোটি টাকা। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন সে দানবের পরিনত হয়। তেমনি দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা লীগের পুর্ন বাসন করার লক্ষে এমপি শিবলী সাদিক এর পিএস ঠিকাদার রাসেদকে অবৈধ্য পন্থায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ঘুফছি টেন্ডারের কোটি কোটি টাকার সাফলাই এর কাজ দিয়ে সরকারে অতিরিক্ত কোটি টাকা গচ্ছা দিচ্ছে তাঁর। ঘাপটি মেরে বসে আছেন লীগের দোসর বিরামপুর ও নওয়াবগঞ্জ এর দুইটি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত নারী লুভী দুনীতিবাজ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সোলাইমান হোসেন মেহেদী ও চিরিরবনন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল্লাহ আল ইমরান।

শুধু মাত্র তাদের আর্থিক দুনীতি কারণ মুখ থুবড়ে পড়েছে দিনাজপুর জেলার স্বাস্থ্য খাতে। বিগত সময়ে ঐ সকল কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে মহা- পরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক ঠিকাদার গন লিখিত অভিযোগ করে কোন পতিকার পায়নী কারণ ডাঃ মেহেদী ও ডাঃ ইরফান এর আর্শীবাদ হিসেবে ছিলেন একাধিক পতিত সরকারের  এমপি ও মন্ত্রী। যে কারণে বেপরোয়া হয়ে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে গেছেন দেদারসে তাঁরা। সুত্রে আরও যানা যায় মের্সাস আলম এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক শাখিউল আলম বাদী হয়ে মহা পরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন তিনি দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল্লাহ আল ইরফান এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ সুত্রে যানা যায় চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অধিনে বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে সংৎ সামর্গ্রিরিক মালামাল ক্রয়ের লক্ষ্যে ১৯/১২/২০২৪ তাঁরিখে E- GP দরপত্র আহবান করেন। পরবর্তী ৬/১/২৫  দরপত্র উন্মুক্ত করেন।ডাঃ রবিন এর আহবান কৃত টেন্ডারের কারসাজি না করার কারনে লীগের দোসর পি এস ও ঠিকাদার রাসেদ তাঁর নেতৃত্বে দিনাজপুর জেলার এনসিপির এক কথিত নেতার ছত্র ছায়ায় তাকে বদলী করেন রংপুরে। সেখানে তাঁর মননিত চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পতিত সরকারের ছাত্র লীগের নেতা ডাঃ ইরফান কে বদলীকরে এনে যোগদান করে বিগত ৩/২/২০২৫ তারিখে msr সামগ্রী ক্রয়ের দরপত্রের সমস্ত নথি বুঝে নেন তিনি। উক্ত আহবান কৃত টেন্ডারে অংশ গ্রহণ কারীদেরকে অবগত না করে কারচুপির মাধ্যমে গত ২৩/৩/২০২৫ ঊ- এচ তে পুনরায় দরপত্র আহবান করা হয়। পুর্বের দরপত্রের টেন্ডার সিকিউরিটি এবং পন্যের নমুনা প্রদান ও না করে  নিয়মবহির্ভূত ভাবে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করেন তার মনোনীত ঠিকাদার লীগের দোসর রাসেদকে অবৈধভাবে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য। অভিযোগে আরও উল্লেখ থাকে চিরিরবন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংৎ এর শর্তাবলি হুবহু ঘোড়াঘাট. নবাবগঞ্জ. বিরামপুর. বিরোল.কাহারুল. উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দরপত্রের শর্তাবলী হুবাহু একইরকম। এতে করে বোঝা যায় লীগের দোসর দের পক্ষ নিয়ে আর্থিক অনিয়ম দুনীতি মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে শুধু মাত্র তাদের আর্থিক সুবিধা নিয়ে। দিনাজপুর জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে টেন্ডার বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে পতিত সরকারের এমপির পিএস ঠিকাদার রাসেদ।  লীগের দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন এখনো তিনি। দিনাজপুর জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তাদের রয়েছে সু বিশাল সিন্ডিকেট তাদের সিন্ডিকেট এর বাহিরে কাজ পাওয়া কষ্টের ব্যাপার। অভিযোগ রয়েছে মামামাল গ্রহণ না করে ঠিকাদার দের সাথে আতাত করে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করে ভাগবাটোয়ারা করে নেয় তাঁর। তাদের দাখিলকৃত অভিজ্ঞতা দেওয়া হয়েছিল ১ বছরের অথচ টেন্ডারে শর্ত ছিল ৩ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল। ক্ষমতার অপব্যবহার করে লীগের দোসরকে কাজ পাইয়ে দেন দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তারা।

সুত্রে যায় যায় বিগত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে দিনাজপুর জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে টেন্ডার বানিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা লীগের দোসর রাসেদ। লীগ সরকারের পতন হলেও পি এস রাসেদ রয়েগেছেন বহাল তরিয়াতে। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের পতনের পরে রাসেদ এখন বি এনপি ব’লে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। দিনাজপুর  জেলার সকাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সÕর ১২ টি উপজেলায় মাহির ট্রেডার্স, বিসমিল্লাহ করপোরেশন ও আব্দল্লাহ ট্রেডার্স এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে জেলার ১২ টি উপজেলা uhfpo দের যোগসাজশে অবৈধভাবে টেন্ডার বাগীয়ে নিচ্ছেন লীগের দোসর ঠিকাদার রাসেদ। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান  পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বানিজ্য চালিয়ে গেছেন রাশেদ। স্বৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের পতন হলেও এখনো বিএনপি পন্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করে হাতিয়ে নিচ্ছেন মালামাল সরবরাহের কাজ।

খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায়, আওয়ামী লীগের দোসর ঠীকাদার রাশেদ (সাবেক এমপি শিবলী সাদিকের তথাকথিত বন্ধু এপিএস) বিরামপুর হাসপাতালে কর্মচারী মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) শাহ আল এমরান রাজুর ব্যবসায়িক পার্টনার বলে সুত্রে যানা যায়  ।তারা একত্রে বিগত কয়েক বছর ধরে বিরামপুর এবং আশেপাশের কয়েকটি উপজেলার এম এস আর টেন্ডার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। হুমকি দিয়ে /অর্থের বিনিময়ে বিভিন্নভাবে কাজ আদায় করতো লীগের দাপট দেখিয়ে। পূর্বে ঘোড়াঘাটের ডাঃ তৌহিদ ঠীকাদার রাসেদ কে কাজ না দেয়ার কারনে বদলি করিয়েছে তিনি এখনো লীগের অবৈধ ক্ষমতার দেখিয়ে। ০৫ ই আগস্টের পরে রাশেদ রাতারাতি ভোল পাল্টে বিএনপি র ছত্রছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করে।সায়েম কে তার ব্যবসায়িক পার্টনার বানায়।সায়েম সহ রাশেদ কয়েকবার বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগমন করে এবং এমএসআরের কাজ তাদের কে প্রদানের জন্য বিরামপুর হাসপাতালের প্রধান সহকারী হাফিজ কে প্রস্তাব দেয়।হাফিজ রাজি না হওয়ায় হাফিজ কে বদলী করে দেয়ার হুমকি দেয় এবং সায়েম বলে যে, ইউএইচএফপিও তাদের কাজ না দিলে উনি থাকতে পারবেন না এখানে। তারা তাদের পছন্দের লোক কে এখানে এনে বাসাবে।

পরবর্তীতে তারা তাদের ব্যবসায়িক পার্টনার বানায় এবং শাহ আল এমরান রাজুর ডায়াগনোষ্টিকে চেম্বার করতে বলে। রাশেদ সায়েম রাজু এবং আহাদ ডাঃ সোলায়মান মেহেদী সহ পরিকল্পনা করে প্রথমে ঘোড়াঘাটের uhfpo ডা সালাউদ্দিন কে অপসারণ করে ডাঃ মেহেদী কে তার স্থলাভিক্তিক করে। পরবর্তীতে বিরামপুর এর uhfpo কে তারা পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অপসারণ করে। তাকে টেন্ডার সিন্ডিকেটের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপসারণ করা হয়।অথচ উনি টেন্ডারের কোন কার্যক্রম ই সম্পন্ন করেন নি। সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বানোয়াট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে অপসারণ করা হয় ।বিরামপুরের আপামর জনসাধারণ তার বদলির আদেশ প্রত্যাহারের জন্য মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। তারা চিরিরবন্দরের ডাঃ তানভীর আহমেদ রবিন কে এরপর অপসারণের হুমকি প্রদান করে।

উল্লেখ যে, বিরামপুরের নবাগত uhfpo কে ডাঃ আহাদ যোগাদানে আসার পূর্বেই তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন তাই করতে বলে।এবং সায়েম সহ যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করতে আসে। এ সব কিছু তাদের পরিকল্পনার অংশ।তারা বিরামপুরের প্রধান সহকারী হাফিজ কেও বদলি করায়।শাহ আল এমরান রাজুর বদলি হলেও ডাঃ আহাদ ডাঃ সোলায়মান মেহেদী সহ রাজু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে সেটি বাতিল করায় তাদের অবৈধ্য টাকার প্রভাবে।উল্লেখীত লীগের সিন্ডিকেট এর নিকট সাধারণ ঠিকাদার ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা জিম্মি হয়ে পরেছেন।