ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়া হায়দার এখনো বহাল তবিয়াতে

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করা লীগ সরকারের দোসর মৎস্য অধিদপ্তরে অতিরিক্ত মহা পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী এখনো রয়ে গেছেন বহাল তরিয়াতে।

ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়া হায়দার এখনো বহাল তবিয়াতে

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করা লীগ সরকারের দোসর মৎস্য অধিদপ্তরে অতিরিক্ত মহা পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী এখনো রয়ে গেছেন বহাল তরিয়াতে। লীগের অনুসারী অনেক কর্মকর্তাদের শাস্তি মূলক, বদলীর ব্যবস্থা নেয়া হলেও তার বিষয়ে উল্টো চিত্র।

লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলেন তিনি। মৎস্য অধিদপ্তর এর আতংকে আরেক নাম ছিল লীগ সরকারের আমলে জিয়া হায়দার চৌধুরী। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহসও পেতেন না। কথায় কথায় গোপালগঞ্জ এর বিভিন্ন মন্ত্রী নেতাদের দোহায় দিতেন, কারণ ফরিদপুর সদর এ দেশের বাড়ি হওয়াতে তার অনৈতিক কর্মকান্ডে বিষয় সবাই নিশ্চুপ থাকতেন। আর যে সকল কর্মকর্তার কিংবা কর্মচারীরা আর বিরুদ্ধে মুখ খুলতেন তাদেরকে বদলী সহ নানাবিধ শাস্তি মুলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতেন। সাবেক মৎস্য ও প্রনি সম্পদ  মন্ত্রী স ম রেজাউল করিম এর কাছের লোক হওয়ার কারণ সকলকে জিম্মি করে দুনীতি চালিয়ে গেছেন দেদারসে। প্রকাশ আছে যে, জিয়া হায়দার চৌধুরী ও তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাবেক মন্ত্রী স ম রেজাইল করিমকে বিভিন্ন জেলা থেকে উঠতি বয়সী মেয়েদের এনে দিয়ে মনোরঞ্জন করাতেন এবং তিনিও মনোরঞ্জন করতেন সে সকল মেয়েদের সাথে বলেও মৎস্য অধিদপ্তরে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পিওন ও ড্রাইভার জানায়।

গত ৫ ই আগষ্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি বর্ষণের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সাবেক মৎস্য ও প্রনি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী  স ম রেজাউল করিম  এর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হলেও তার একান্ত সহোযোগি  ঘনিষ্ঠ সহযোগী মৎস্য অধিদপ্তর এর পতিত সরকারের দোসর  জিয়া হায়দার চৌধুরীর নামে কোন হত্যা মামলার আসামি না হওয়ায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বি এন পি পন্থী  মৎস্য ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে।

সুত্র আরও জানা যায় বিগত লীগ সরকারের দাপটে দাপিয়ে ২০২৪ সালে মৎস্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদের বিপরীতে রাজস্বক্ষাতে ৭৩০ জন জনবল নিয়োগে জন প্রতি ৭/৮ লাক্ষ থেকে শুরু করে বিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত  ঘুষ নিয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের নিকট থেকে জিয়া হায়দার ও তার গঠিত সিন্ডিকেটদের মাধ্যমে। মৎস্য অধিদপ্তর এর অধিনে গাড়ি চালক.পিওন. অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর. হিসাব রক্ষক গাড, মালী, ক্লিনার, হেচারী টেকনিশিয়ান. ল্যাবটেকনিশিয়ান. সহ একাধিক পদে নিয়োগবানিজ্য করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। উল্লেখিত পদে নিয়োগ পান পতিত লীগ সরকারের লোক জন। নিয়োগ প্রাপ্তরা কর্মস্থলে যোগ দান করে ফেব্রুয়ারি ২০২৫। নিয়োগ প্রাপ্ত লীগ সরকারের দোসররা মৎস্য অধিদপ্তরে ঘাপটি মেরে আছেন যে কোন সময়ে  বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘষিত পতিত লীগ পন্থী হিসেবে আন্দোলন করতে পারেন অতিরিক্ত মহা পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী নেতৃত্বে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা আজকের সংবাদ কে জানান। দুনীতিবাজ ঘুষখোর অতিরিক্ত মহা পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী বনে গেছেন কোটি কোটি টাকার অঢেল সম্পদের মালিক। বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্র পত্রিকা তে দুনীতির রিপোর্ট প্রকাশিত হলে মন্ত্রণালয় থেকে তেমন কোন কার্যকরী ব্যবস্হা না নেওয়াতে আরও বেপরোয়া হয়ে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশ জিয়া হায়দার। উক্ত অভিযোগ এর বিষয়ে মতামতের জন্য তার মোবাইলে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় এবং মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠালে তার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।