পেকুয়ায় বন কর্মকর্তা ও উপকারভোগীদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন
চট্রগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া রেঞ্জের পূর্ব পাহাড়িয়াখালী এলাকায় বনবিভাগের জায়গা দখল করে স্থায়ী স্থাপনা (দালান) নির্মাণ করে ইলিয়াস উদ্দিন সুমন।
গত শুক্রবার চট্রগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের বারবাকিয়া বিটের সংরক্ষিত বনের সোনাইছড়ি মৌজায় অবৈধ-ভাবে নির্মিত পাকা স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযানের পর থেকে জবর দখলকারী সুমন সহ এলাকার কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গ বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দিচ্ছে।
এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে নামে-বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করবে এবং মিথ্যা মামলায় ফাসানোর হুমকি সহ জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বারবাকিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার মোঃ হাবিবুল হক সহ অভিযানে অংশগ্রহনকারি বারবাকিয়া বিটের স্টাফ ও সুফলের সুবিধা ভোগীদের। বনখেকো,ভূমি জবরদখলকারী,বালুখেকো সিন্ডিকেট আবারো একজোট হয়ে বিভিন্নভাবে সরকারি এ সকল অভিযানকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায় শুক্রবার সকাল ১০ টায় বারবাকিয়া রেঞ্জের বনবিট কর্মকর্তা আমীর হোছাইন গজনবীর নেতৃত্বে বনকর্মী ও সুফলভোগীর সদস্যদের নিয়ে উপজেলার টৈটং ইউপির পূর্ব ধনিয়াকাটা এলাকার মোঃ ইসমাঈলের ছেলে ইলিয়াস উদ্দিন সুমনের নির্মিত পাকা স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে তা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষিত বনভূমিতে স্থাপনা নির্মাণ না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় বারবাকিয়া রেঞ্জের সুফলভোগীর সভাপতি জমির উদ্দিন টৈটং কমিটির সভাপতি আবদু রহিম সহ দুই কমিটির ১২২ জন সদস্য ও বন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় বনকর্মকর্তাসহ সুফলভোগীদের মামলা ও হামলার হুমকি প্রদান করে আসছে ইলিয়াস উদ্দিন সুমন এমন অভিযোগে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বনকর্মকর্তা ও সুফলভোগীর সদস্যরা।
গত রবিবার বিকাল ৩ টায় স্থানীয় ছনখোলার জুম স্টেশনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় জমির উদ্দিন বলেন, সরকারের অনুমোদন পেয়ে এবং বনায়নের সুফলভোগীদের কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। বারবাকিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তার অধীনে বনায়ন ও বনভূমি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব অব্যাহত আছে।
তবে ইলিয়াস উদ্দিন সুমন হামলা ও মামলার হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি আমরা। বিট কর্মকর্তা আমীর হোছাইন গজনবী বলেন, সরকারি সংরক্ষিত জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ করায় রেঞ্জার হাবিবুল হকের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করি এবং তার বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।