পাসপোর্ট অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাদিরা আক্তারের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পার্সোনালাইজেশন সেন্টার, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা (সংযুক্ত: ভিসা শাখা, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা’র উপ-পরিচালক নাদিরা আক্তারের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের পার্সোনালাইজেশন সেন্টার, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা (সংযুক্ত: ভিসা শাখা, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা’র উপ-পরিচালক নাদিরা আক্তারের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি ভিসা শাখায় পোস্টিং পাবার পর এনভিআর প্রতি ৫০ হাজার টাকার ঘুষ প্রবর্তন করেছেন। প্রতি মাসে আফ্রিকার মাদক চোরাকারবারীদেরকে এনভিআর এর মাধ্যমে থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, জানা যায় তিনি ২০০১ সালের এপ্রিলে এই অধিদপ্তরে যোগদান করার পর দীর্ঘ ২২ বছরই ঢাকায় পোষ্টিং নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। সাবেক সকল মহাপরিচালকগনের সাথে তার সখ্যতা থাকার কারণে তাকে কোনদিনই ঢাকার বাইরে যেতে হয়নি।
ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ দায়ের হলেও তিনি মোটা অংকের বিনিময়ে অব্যাহতি নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অন্যান্য অভিযোগ সমূহের মধ্যে রয়েছে তিনি অফিসিয়াল পাসপোর্ট কেলেঙ্কারি করে টাকার বিনিময়ে অফিসিয়াল পাসপোর্ট প্রদান, উত্তরা অফিসে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের মাধ্যমে পাসপোর্ট প্রদান করে প্রতিদিনই ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হারে ঘুষ আদায়, কলেজ শিক্ষক স্বামীর কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে চিকিৎসার নামে চাঁদা আদায় করে ভারত ও সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ ৯ মাস অবস্থান করে পাসপোর্ট অফিস থেকে ৩ কোটি টাকা জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, বৈশ্বিক মন্দার সময় অফিসের কেউ বিদেশ যেতে না পারলেও তিনি ২বার সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন।
মালয়েশিয়াতে তিনি সেকেন্ড হোম করেছেন। এত কিছুর পরও তিনি ভিসা শাখায় পোস্টিং নিয়ে এনভিআর’র নামে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা অবৈধ উপার্জন করলেও দেখার কেউ নেই। দোর্দান্ত প্রতাপশালী এই উপ-পরিচালক অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও ড্যাম কেয়ার ভাব প্রদর্শন করে অফিসের পরিবেশ নষ্ট করছেন বলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার অভিযোগ। তাদের মতে অবিলম্বে এই মহিলা কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করে অধিদপ্তরে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা উচিত।