পেকুয়ায় চালককে মারধর করে জবানবন্দি আদায় করলেন ইউএনও
কক্সবাজারের পেকুয়ায় গাড়ী চালককে মারধর রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জবানবন্দি নিলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
কক্সবাজারের পেকুয়ায় গাড়ী চালককে মারধর রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জবানবন্দি নিলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।
০৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াই টার দিকে টৈটং হাজ্বী বাজার এলাকা থেকে পাহাড়ি মাটি ভর্তি ৪টি ড্যাম্পার গাড়ী সহ চালক আটক করে।
ওই রাতে ইউএনও সাইফুল ইসলাম চালকদের তার অফিসে তুলে চালকদের বলে"তোমরা এ যে পাহাড় কাটছ এটা রেঞ্জ কর্মকতা হাবিবের ইশারায় কাটছ,তিনি পাহাড় কাটার জন্য অনুমতি দিয়েছেন,এটা ভিডিওতে বল। প্রথমে না বলায় একজন চালককে মারধর করে ইউএনও ও তার সাথে থাকা ব্যক্তিরা। মরধর করে রেঞ্জারের বিরুদ্ধে জবানবন্দি নিয়ে চার জনের কাছ থেকে চারটা ফরমে সাক্ষর নেন। বলে দেন এখানে যা হয়েছে ওঠা যদি বাহিরে গিয়ে বল তাহলে একজনকে ১০/২০বছর করে জেল দিব। ওই জবানবন্দি ডিবিসি নামে আইডি সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
ইউএনও জবানবন্দি নেওয়া কালে একচালক বলতেছে, আবু সালেক ও বাচ্চু(আজিজুল হক) সাংবাদিক আমাদেরকে বলেছে রেঞ্জার হাবিব থেকে অনুমতি নিয়েছেন, কোন সমস্যা হবে না,সমস্যা হলে তারা দেখবেন।
অনুসন্ধানে জানায়,প্রায় ৬মা আগ থেকে টৈটং মৌজার রমিজ পাড়া গিয়াস উদ্দীনের বসতবাডী সংলগ্ন। তার মালিকানাধীন বিএস নামজারি খাতিয়ান ২৫২১ খতিয়ানের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছেন। ওই জায়গায় অভিযান চালান পেকুয়ার ইউএনও সাইফুল ইসলাম।
ভোক্তভোগী একজন চালক বলেন, আমাদের গাড়ি আটক করে মোবাইল কেড়ে নেয়। মাটি কে কাটতেছে সেই বিষয়ে জবানবন্দি নিয়েছে, ইউএনও ও অন্য একজন লোকজন।তারা রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবের নাম বলতে বলে। প্রথমে না বলায় মারধর করে। আবার বলে এখানে যা হয়েছে সেটা যদি বাহিরে বল তোমাদের আমাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে তোমাদের ধরে নিয়ে আসব। আমদের মারধর করে যে মিথ্যা কথা বলতেছি সেটা যদি বাহিরে বলে দেয়। রেঞ্জ কর্মকর্তার কথা না বলায় ইউএনও মারধর করে। আমাদের কাছ থেকে ফরম চারটা পূরন করে রাখছে, যদি আমরা বলি আমাদের মারধর করে নিয়েছে তোমাদের জন্য মামলা করে রাখছি একজনকে ১০/ ২০ বছর জেলা হাজতে পচিয়ে মারবো।
এই বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের কাছে মুটোফোনে যোগাযোগ করে মারধর করা হয়েছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চেয়ে প্রশ্ন করার সাথে সাথে ফোন কেটে দেন।এর পরে ফোন দিলেও আর রিসিভ করেন নি।
চট্রগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বনসংরক্ষক (এফিএফ) দেলোয়ার হোসেন বলেন, এরাও সরকারের অংশ, আমরাও সরকারের অংশ।এখানে আমাদের কারোও সাথে কোন রেশারেশি নাই। বালু প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমারা আমাদের এ চেষ্টা ।আমরা আমাদের মত চেষ্টা করছি এটা কোন ভাবেই যেন নিলাম দিতে না পারে। আমরা কোর্টের পারমিশন এনে স্পর্টে সেটা ডিসমিস করে ফেলব। যদি আমাদের কর্মকতাদের কেউ শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি করা বা ক্ষতি করার চেষ্টা করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।