দখল, চাঁদাবাজি আর লুটপাটে কেরানীগঞ্জ কাঁপাচ্ছে যুবদল নেতা অনিক
আগস্টের গণআন্দোলনের পরপরই যুবদলের নাম ভাঙিয়ে
আগস্টের গণআন্দোলনের পরপরই যুবদলের নাম ভাঙিয়ে ইকুরিয়াসহ আশপাশের এলাকায় এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে পড়ে, এর মধে অনতম হচ্ছে কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল হাসান অনিক।
অভিযোগ উঠেছে, অনিক যুবদলের নাম ভাঙ্গিয়ে মাটি চুরি ব্যক্তিগত ও সরকারি জমি ও অফিস দখল করে “দলীয় কার্যালয়” নামক আড়ালে অবৈধ দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ময়লার গাড়ি (ডাস্টবিন পরিবহন) থেকে চাঁদা আদায়, ইকুরিয়া ও মিরেরবাগ এলাকার ডিস ও ওয়াইফাই লাইন দখল করে মাস শেষে অতিরিক্ত বিল আদায় করা, এমনকি সাপ্তাহিক মেলার নামে জুয়া ও মাদক বাণিজ্য চালানো—এসবই অনিকের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চলছে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ইকুরিয়াতে দুই থেকে তিনবার অভিযান চালায়, তবে তাৎক্ষণিক সংবাদ পেয়ে অনিক এলাকা ত্যাগ করায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।জানা গেছে, অনিকের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা এবং সাধারণ ডায়েরি থানায় নথিভুক্ত রয়েছে।ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সাজ্জাদ আল ইসলাম জানান, “আমার নেতৃত্বে স্থানীয় ছাত্র জনতা অনিকের চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সে আমাকে টার্গেট করে এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গত ১৭ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “সারা বাংলাদেশেই একই চিত্র। অনিকরা কি ৫ আগস্টের জনগণের প্রতিরোধ ভুলে গেছে? আজ যারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, তারা যখন থাকবে না, তখন অনিকদের পরিণতি কী হবে তা সময়ই বলে দেবে।”এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।