রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তনে সংস্কারের বিকল্প নেই- তারেক রহমান
রাষ্ট্র ও রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের জন্য সংস্কারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, তবে কেউ স্বৈরাচার হতে চাইলে তার কাছে সংবিধান বাধা হয় না। রাষ্ট্র ও সরকারকে স্বৈরাচার থেকে সুরক্ষিত রাখতে নাগরিক জীবনে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা অত্যন্ত জরুরি।
রোববার (১৫ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কী করতে চাইছে, রাষ্ট্র মেরামতের জন্য সরকারের আর কত সময় দরকার তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
তিনি বলেন, জনজীবনের নিত্য দুর্ভোগ বা বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করে অন্তবর্তীকালীন সরকার যদি সংস্কারের নামে শুধু সময় ক্ষেপণ করে, তাহলে জনগণের কাছে সংসার আগে নাকি সংস্কার আগে সেই প্রশ্ন মুখ্য হয়ে উঠতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মনে করি, রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক চর্চার অন্যতম প্রাতিষ্ঠানিক কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা গঠিত জাতীয় সংসদ।
জবাবদিহিমূলক সরকার ও সংসদ যথাযথভাবে কার্যকর থাকলে জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতাও নিশ্চিত থাকে। তারেক বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের। আর ২০২৪ সাল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারের বিজয় দিবস অনেক বেশি আনন্দের, গৌরবের। অনেক বেশি অর্থবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, বিজয় দিবস আগামীতে শুধু আনন্দ উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
জনগণের প্রতি রাষ্ট্র ও সকারের দায় বা প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি অর্থবহ দিন হিসেবেও পরিগণিত হবে।আলোচনা সভাটি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুলের সভাপতিত্বে এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, স্থায়ী কমিটির ড.খন্দকার মোশারফ হোসেন,নজরুল ইসলাম খান, সালাউদ্দিন আহম্মেদ,সেলিমা রহমান,ডা.এ জেড.এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা আব্দুস সালাম,যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাইফুল ইসলাম নিরব,আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল,সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু,আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী,যবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না,নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষক দলের সভাপতি আবু জাফির তুহিন,মৎসজীবী দলের আব্দুর রহিম,সহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সকল পর্য়ায়ের নেতৃবৃন্দ।