সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া
সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সেনাকুঞ্জে পৌঁছান বেগম খালেদা জিয়া। সেনাকুঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধানসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এসময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি।এর আগে আজ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে বাসভবন ফিরোজা থেকে নিজের সাদা রঙের প্রাডো গাড়ি করে সেনাকুঞ্জে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা হন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। হুইল চেয়ারে করে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে এসময় পাশের চেয়ারে এসে বসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কিছুক্ষণ আলাপ করেন।
এসময় তাঁদের দুজনকেই হাস্যোজ্জ্বল দেখায়। পরে অনুষ্ঠান শেষে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া।বিএনপির চেয়ারপাসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তার ছোট ছেলের স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি। এছাড়া সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ, ড. আব্দুল মঈন খান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফজলে এলাহী আকবর, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, খালেদা জিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এ কে এম শাসমুল ইসলাম,ব্যাক্তিগত সহকারী মাসুদ রানা প্রমুখ।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর করেন খালেদা জিয়া। আর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় কারাগারে যান। তারপর ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের মধ্যে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেলেও কোনো জনসম্মুখে অনুষ্ঠানে যাননি তিনি। ৬ বছর পর কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। সর্বশেষ ২০১২ সালে সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। ২০১০ সালের নভেম্বরে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াাকে তার সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। এর পর থেকে তিনি আর সেনানিবাসে যাননি।