ড্রেজিংয়ের প্রধান প্রকৌশলী ও সিবিএ সভাপতির তত্ত্বাবধায়নে
বিআইডব্লিউটিএতে ৩০ কোটি টাকার অনিয়মতান্ত্রিক নিয়োগ বানিজ্য ॥ দেখার কেউ নেই
বিআইডব্লিউটিএ এক নিয়োগ বানিজ্য ড্রেজিংয়ের প্রধান প্রকৌশলী ও সিবিএ নেতার তত্ত্ববধায়নে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায় ড্রেজিংয়ের কাজ সঠিকভাবে না করে ব্যাপক অনিয়ম এবং গ্রীজার, তোপাষ,ভান্ডারী, পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগে সরকারের নিয়োগ বিধি ও জেলা কোটা অনুসরন না করে নিয়োগ বানিজ্য ব্যাপক দূর্নিতী অনিয়ম হয়েছে।
৬৫ টি জেলার মধ্েয শুধুমাত্র টাংগাঈল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর এবং সিরাজগঞ্জ জেলায় ৮০% চিন্হিত বিএনপি জামাত শিবিরের কর্মীদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় গ্রীজার সহ সকল পদে নিয়োগপ্রাপ্ত দের স্বহস্তে লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে তাদের পক্ষে ঢাকা সহ দেশের স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দিয়ে প্রক্সি পরীক্ষা নিয়ে প্রতিজন নিয়োগপ্রাপ্ত চাকুরীজীবিদের নিকট হতে গড়ে ১৫ (পনের লক্ষ) টাকা নিয়ে সর্বমোট প্রায় ৩০ (ত্রিশ) কোটি টাকার নিয়োগ বানিজ্য করেছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত দের লিখিত পরিক্ষার খাতা দুর্নিতী দমন কমিশন, ডিজিএফআই, এনএসআই এর মাধ্যমে যাচাই বাছাই /পরীক্ষা নিরিক্ষা করলে এই মহাদূর্নিতীর প্রমান পাওয়া যাবে। এই মহাদূর্নিতীর কাজটি করেছে, এ্যাব ও বিএনপি জামায়াতের চিন্হিত, টাঙ্গাইলের স্বক্রিয় নেতা, মতিঝিল শাফলা চত্বরে হেফাজত ইসলামকে মোটা অংকের টাকা যোগানদাতা, বর্তমানে ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) মহাদূর্নিতীবাজ রকিবুল ইসলাম তালুকদার।
বিআইডব্লিউটিএর সিবিএর কথিত নেতা এবং বিএনপি জামাতের টাঙ্গাইলের সক্রিয় সদস্য কর্তৃপক্ষের নিন্মমান সহকারি (ঢাকা বরিশাল নৌপথে চলমান ৫টি লঞ্চের মালিক,) সরোয়ার হোসেন। ড্রেজিং বিভাগের সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী(যান্ত্রিক) ও ৩৫ টি ড্রেজারসহ জলযান ক্রয় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক -সিরাজগঞ্জের বিএনপির সক্রিয় নেতা, মোঃ মজনু মিয়া, বিআইডব্লিউটিএর সিবিএর কথিত সভাপতি, নিন্মমান সহকারী বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর মতিঝিল থানায় মামলার আসামি আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী মোঃ আবুল হোসেন এবং রাজশাহী বাঘমারার বাংলা ভাইয়ের খালাতো ভাই ড্রেজিং বিভাগের নিন্মমান সহকারী এবং বিআইডব্লিউটিএর কথিত সিবিএ নেতা, বতর্মানে আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী মোঃ আক্তার হোসেন গং।
তাদের প্রধান কাজ অফিসের রুটিন মাফিক ডিউটি না করে বছরের পর বছর ধরে সমগ্র বিআইডব্লিউটিএতে নিরীহ কর্মকর্তা,কর্মচারীদের হয়রানি মূলক বদলী,অবৈধ্য নিয়োগ বানিজ্য করা। সরকারি বিভিন্ন প্রোগ্রামে আওয়ামীলীগের নৌ মন্ত্রী, টাঙ্গাইলের কৃষিমন্ত্রী, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিকভাবে সম্পাদক মির্জা আজম, বিজ্ঞান প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, নৌ সচিব,সংসদ সদস্যদের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করা এদের নিত্য নৈমিত্তিক কাজ হয়ে দাড়িয়েছে। এরা কিছু সংখ্যক হলুদ সাংবাদিকদের মোটা অংকের মাসোয়ারা দিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্নিতী করে যাচ্ছে। এদের ভয়ে বিআইডব্লিউটিএর সাধারন কর্মচারী -কর্মকর্তাদের দিন কোন রকম কাটলেও রাতকাটে নির্ঘুমে। তারা সবসময় হয়রানিমূলক বদলী আতংকে থাকে।
বর্নিত দুর্নিতি বাজরা সরকারের শতশত কোটি টাকা তছরুপ করলেও দুর্নিতি দমন কমিশন এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা নিচ্ছে না। এদের বিরুদ্ধে দুর্নিতী দমন কমিশন সহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্হা যৌথভাবে কাজে লাগিয়ে এসকল চিন্হিত দুর্নীতিবাজ অবৈধ্য শতশত কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে দেশকে দুর্নিতীমুক্ত করার জন্য বিআইডব্লিউটিএর সাধারন কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে।