কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ত্রি-রত্ন
পরিচালক প্রশাসন হাবিবুল্লাহ, অতিরিক্ত উপ পরিচালক সহিদুল আমিন ও ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হারুনের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে রমরমা কমিশন, বদলী বানিজ্য, সহ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের বিপরীতে ও নানান ভাবে ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ, অতিরিক্ত উপ পরিচালক (লিসাসা) সহিদুল আমিন, উপ সহকারী প্রকৌশলী, ইকবাল হারুন বাপ্পীর নেতৃত্বে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আধিপত্য বিস্তার ইকবাল হারুন, সহিদুল আমিনের দাপটে তছনছ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নিয়মনিতি। অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চালাচ্ছে হরিলুট সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুন মেকানিক আরিফুল ইসলাম।
সুত্রে জানা যায়, রুপপুর বালিশ কান্ড কে হার মানিয়ে দীর্ঘদিন (ডিএই), ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্ধ নিয়ে কাজ না করে ভুয়া বিল ভাওছার বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত উপ পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের শহিদুল আমীন,তাঁর সিন্ডিকেটের মুল হোতা, পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ, উপ সহকারী প্রকৌশলী (পাওয়ার) ইকবাল হারুন বাপ্পী, (অতিরিক্ত দায়িত্ব ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন শাখার নির্বহী প্রকৌশলী। মেকানিক, আরিফুল ইসলাম গংরা। এই সিন্ডিকেট বাহীনির চক্রর বিরুদ্ধে বেপরোয়া হয়ে ভুয়া বিল ভাউচার করে বিল উত্তোলনের ও দুর্নীতির সর্গরাজ্য পরিনত করেছেন দুর্নীতির মাস্টারসাইন্ড ইকবাল হারুন। একাধিক সুত্রে আরও যানা গেছে, (ডিএই) এর ৩০০ জনের মত bsc নিবাহী প্রকৌশলী কর্মরত থাকা সত্বেও একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (পাওয়ার) উপ সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পীকে (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ টাকা সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুন। শুধু তা-ই নয়, সাবেক ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি শাখার নিবাহী প্রকৌশলী কামাল হোসেন গত এক বছর আগে পি আর এল এ, গেছেন। এছাড়া এক বছর হল অবসরপ্রাপ্ত হলেও তাকে তাঁর পুর্বের কর্মস্থলে বহাল থেকে সরকারি কাজ করে যাচ্ছে। অবসরে যাওয়ার পারে ও কিভাবে (ডিএই) তে অফিস করছেন, জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান, প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা আমাকেই এখানে অফিস করতে মৌলিক অনুমোদন দিয়েছে। আরেক প্রশ্ন,আপনার বেতন হয় কি ভাবে, জবাবে কোন উত্তর দিতে রাজি নই বলে তিনি জানান।
উক্ত অফিসে বসে ঠিকাদারি কাজ করছেন জবাবে সকল উত্তর, পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ ও অতিরিক্ত উপ পরিচালক সহিদুল আমিন দিতে পারবেন, অদ্যাবদি আজও পর্যন্ত পর্যন্ত অফিস করছেন, প্রশ্ন করতেই লাইন টি কেটে দেন কামাল হোসেন। খোঁজ নিয়ে আরও যানা জায়, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ,রিপিয়ারিং,ম্যান্টানেজ,বিল্ডিং নির্মাণ, মেরামত সংস্কার, লিফট মেরামত, প্রথম বিল্ডিং, ত্বতীয় বিল্ডিং এর সিড়ি ঘর মেরামত, ৩ য় বিল্ডিং প্যারাফেট, অল পুর্ন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক কাজ, লিফ্ট রুমের জলছাদ,ড্রেন নির্মাণ সহ অন্য অন্য কাজের বিপরীতে ঠিকাদার দের সাথে গোপনে আঁতাত করে টেন্ডার ছাড়া কোটেশনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা,ইকবাল হারুন, অতিরিক্ত উপ পরিচালক সহিদুল আমিন। সরকারি অর্থ লুটপাটের মহোৎসব চলছে এই তিন কর্মকর্তার নেতৃত্বে।পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ যোগদানের পর হতে নিয়োগ বানিজ্যের করে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা। বদলী বানিজ্যতেও পিছিয়ে নেই মহা ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ন লীগের দোসর পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ। আজকের সংবাদ এ-র হাতে এসেছে প্রায় ১০০ কপির অধিক বিভিন্ন বিল ভাউচার পরিশোধ এর কপি,এর মধ্যে একটি চাহিদা পত্রে দেখা যায় উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের উপ- পরিচালক রপ্তানি তার অফিসের এসি ঠান্ডা কম হয়,ডান পাশের পিছনের দরজা ডেন পেন্ট, হুইপার ব্লেড দরকারের চাহিদা পত্র পেরন করেন (লীসাসা) প্রশাসন শাখায়। তাঁর চাহিদার বিপরীতে ডেন্ট এন্ড পেইন্ট (আংশিক) বিল ভাউচার করা হয়েছে ২৮০০০ টাকা। এছাড়াও এসি মেরামত সংক্রান্ত ওয়াইপার ব্লেড একসেট,৩৬০০ টাকা, এসি কুলিং চেম্বার একটি ১২৬০৪ টাকা। এসি কন্ডেসার ১ টি ১১২৫৩ টাকা, এসি ব্লোয়ার একটি, ৪৯৫০ টাকা, এসি রিসিভার একটি, ২৫২০ টাকা। এসি কপার পাইপ একটি ৩৬০০ টাকা, এসি ব্লক ভালভ একটি ৫৫৮০ টাকা, এসি ফ্যান মটর একটি ৮১০০ টাকা, এসি গ্যাস চার্জ একটি ৪৬০০ টাকা। সর্ব মোট বিল ভাউচার করা হয়েছে ৭৪৭০৭ টাকা। রুপপুর বালিশ কান্ড কেও হার মানিয়েছে, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের শহিদুল আমীন, উপ সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হারুন, মেকানিক আরিফুল ইসলাম।
পরিষোধিত বিলে ম্যাকানিক আরিফুল ইসলাম, সাবেক দুনীতি পরায়ন প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান ও অতিরিক্ত উপ পরিচালক সহিদুল আমিন ছাড়া অন্য কোন কর্মকর্তা দের সাক্ষর নাই পরিশোধিত বিলে। এই ভাবে প্রতিটি বিলে এই তিন জন,আবার কোনটাই দুই জনের সাক্ষর দিয়ে মেরামত সংস্কার কেনাকাটা সহ বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
এছাড়াও আজকের সংবাদ এর হাতে আসা অন্য অন্য বিল ভাওছারে দেখা গেছে ব্যাপক অসংগতি। রাতকে দিন আর দিন কে রাত বানিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ সরকারী অর্থ এই সকল কর্মকর্তারা। আগামীতে আজকের সংবাদের হাতে আশা ভুয়া বিল ভাউচারের বিবরণ সহ তথ্য প্রকাশ করা হবে। উম্মচন করা হবে অতিরিক্ত উপ পরিচালক সহিদুল আমিন ও ইকবাল হারুন বাপ্পীর নেতৃত্ব দুনীতির অজানা তথ্য। উল্লেখীত অভিযোগের বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী ইকবাল হারুন বাপ্পীর মোবাইলে ফোন দিলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান তাঁর অফিসে গিয়ে কথা বলতে। আরেক প্রশ্নে তিনি আজকের সংবাদ কে আরও জানান উপ সহকারী প্রকৌশলী কিভাবে, নিবাহী প্রকৌশলী দ্বায়িত্ব আছেন, তাহলে ডিএইতে কি ৩০০ জনের অধিক মতন bsc ইঞ্জিনিয়ার কর্মরত আছেন তারা কি যোগ্য না, জবাবে আজকের সংবাদ কে বলেন সকল মন্তব্য পরিচালক প্রশাসন ও অতিরিক্ত উপ-পরিচালক প্রশাসন সহিদুল আমিন দিতে পারবেন বলে লাইন টি কেটে দেন।