বিআইডব্লিউটিসিতে চলছে প্রকৌশলী সুবল চন্দ্রের হরিলুট ॥ দেখার কেউ নেই
বিআইডব্লিউটিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট। লীগের দাপট দেখিয়ে পতিত লীগ সরকারের আমলে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ফুয়েলসেল এর পদটি বাগীয়ে নেন তিনি। লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো সুবল চন্দ্র সরকার। পতিত লীগ সরকারের সাবেক কৃষি মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এর ছত্র ছায়ায় থেকে ঘুষ দুনীতি সর্গরাজ্য পরিনত করেছিলেন সৈরাচারী লীগ সরকারের দোসর সুবল চন্দ্র সরকার। আরেক দূর্ণীতিবাজ অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত স্বদেশ প্রসাদ এর নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক একতরপা রায় নিয়ে চাকুরীতে পুন:বহালের পায়তারা করছেন। বিআইডব্লিউটিসির আইন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে বিজ্ঞ আদালত থেকে একতরফা রায় পেয়েছেন। স্বদেশ প্রসাদ এখন পদোন্নতীর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় কর্তৃক স্বদেশ প্রসাদ মন্ডলের বিষয়ে দ্রুত সময়ে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত স্বদেশ প্রসাদ’র বিষয়ে সর্বেোচ্চ আদালতে আপিল করার আহবান জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তাগন। সাথে সাথে আইন কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্য গ্রহনের আহবান জানিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যানের নিকট।
তসুত্রে যানা যায় মহা- দুনীতিবাজ সুবল চন্দ্র সরকার বিআইডব্লিউটিসিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। যোগদান করে তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী একলাগারে বিশ বছর যাবৎ পাটুরিয়া ঘাটে কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি সর্গরাজ্য পরিনত করেছিলেন সৈরাচারী পতিত লীগ সরকারের দোসর সুবল চন্দ্র সরকার। পাটুরিয়াঘাটে গড়ে তুলেছিলেন তাঁর নেতৃত্বে এক সু-বিশাল শক্তিশালী সিন্ডিকেট। তাঁর কথার বাহিরে কোন কাজ সম্পাদন করা কঠিন বিষয় ছিল। রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানানোই ছিল তার কাজ? একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি কর্মরত থাকার বিধান না থাকলেও সুবল চন্দ্র সরকারের বিষয়ে ছিল তার উল্টো চিত্র। পাটুরিয়া ঘাটে কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতির মাধ্যমে ও ভুয়া বিল ভাও চারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ ছিল সুবল চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে। সুত্রে আরও যানা যায় বিগত সময়ে তিনি যে এলাকায় চাকরি করেছেন সেই এলাকাতে ঘুষ দুনীতি র অভিযোগ ছিল ভরি ভরি। তাঁর অবৈধ টাকার প্রভাবে সেই সকল অভিযোগ আলোর মুখ দেখেনি।তাঁর অধীনে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা জিম্মি হয়ে ছিলেন। নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ঢাকা ঘাট. নারায়নগঞ্জের ও চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন তিনি। নাম প্রকাশ না করার সর্তে চট্রগ্রামের বিআইডব্লিউটিসির একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই প্রতিবেদককে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র সরকারের আর্থীক অনিয়ম দুনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তিনি সেখানকার পতিত লীগ সরকারের ঠিকাদার দিয়ে প্রান নাশের হুমকি দিয়েছিলেন। এবং নিত্য নতুন সুন্দরী রমনীদের আনাগোনা দেখা যেত তার বাস ভবনে।
বিআইডব্লিউটিতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চ:দ:) পদটি বাগীয়ে নিয়ে বেসামাল হয়ে টেন্ডারের কারসাজি করে গোপন দর প্রদান করেন তার মনোনীত ঠিকাদার দের কে? সেই সকল ঠিকাদার দের কে কাজ পাইয়ে দিয়ে তাদের থেকে করেন কমিশন বানিজ্য। আবার টেন্ডার সংক্রান্ত বির্তকের সৃষ্টি হলে তার অধীনস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীদের কে ফাঁসিয়ে দিতে দিধা বোধ করেননা তিনি। নিজেকে অতি চালাক মনে করেন খুবই ধুতরোবাজ সুবল চন্দ্র সরকার। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর সুবল এত সম্পদ সম্পদ বানালেন কোন পথে। তাঁর সম্পদের বিবরণী দেখলে যে কারওর চোখ উল্টে যাবে।
বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র তিন অনিয়ম, জাল-জালিয়াতি করে তিনি এখন শত কোটি টাকার মালিক। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। আছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, জমি, ও ধানি জমি। তিনি চাকরি শুরু থেকে সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি এই সম্পদ গড়েছেন। শুধু দেশে নয়, সম্পদ কিনেছেন বিদেশেও পাশের রাষ্ট্র ভারতে। অনুসন্ধান চালিয়ে খোঁজ নিয়ে জানাযায় জ্ঞাত-আয় বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়াগেছে।
অনুসন্ধানে জানাগেছে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় রয়েছে তাঁর স্ত্রী নামে ফ্ল্যাট। ঢাকা জেলা সাভার উপজেলায় পাঁচ কাঠা জায়গায় একতলা বাড়ি নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ চাষারা এলাকায় রুপায়ন সিটিতে এগারোশত স্কয়ার ফিট এর দুই টা ফ্ল্যাট একয়ই দিনে ক্রয় করেছিল। এছাড়া তাঁর দেশের বাড়ি টাংগাইল জেলা মির্জাপুর উপজেলায় কয়েক একর জায়গা ক্রয় করেছেন নামে - বে নামে এছাড়াও দেশের টাংগাইল উপজেলায় সুবল চন্দ্র সরকারের ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে এসব সম্পদের তথ্য মিলে।
উল্লেখীত অভিযোগ এর বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুবল চন্দ্র সরকারের মোবাইলে ফোন দিয়ে তাঁর মতামত জানতে চাইলে সুবল চন্দ্র সরকার সকাল অভিযোগ অশিকার করেন।এবং তাঁর বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশিত হলে তিনি এই প্রতিবেদককে দেখা নিবেন ও মামলা করবেন বলে হুমকি দিয়ে লাইন টি কেটে দেন। পরবর্তী তে বিআইডব্লিউটিসির এক কর্মকর্তা দিয়ে ফোন করে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন সুবল চন্দ্র সরকার।