সাতক্ষীরা সদর সাবরেজিস্ট্রার ফ্যাসিস্টের দোসর অমায়িকের নেতৃত্বে চলছে হরিলুট
ফ্যাসিষ্ট লীগের দোসর সাতক্ষীরা সদর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িকের ঘুষ দুনীতি কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতারা।
ফ্যাসিষ্ট লীগের দোসর সাতক্ষীরা সদর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িকের ঘুষ দুনীতি কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতারা। এক কথা জিম্মি হয়ে পরেছেন সাধারণ দলিল লেখক সহ দাতা গ্রহীতারা সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক কতৃক ঘুষ বানিজ্যর হিম শিম খাচ্ছেন দাতা গ্রহীতার। সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক বাবুর সকল বেধে দেওয়া ঘুষের টাকা উত্তলন করেছেন উক্ত অফিসের পিওন মহাসিন। পতিত লীগ সরকারের দাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন পিওন মহাসিন। স্বৈরাচারী লীগ সরকারের পতন হলেও এখন বহাল তরিয়াতে আছেন সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু ও পিওন মহসিন। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের সাবেক আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের অনুসারী আত্মীয় দুনীতিবাজ পিওন মহসিন। তাঁর দেশের বাড়ি বি- বাড়িয়া কসবা উপজেলা হওয়াতে অবৈধ্য ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মহাসিন কে নিবন্ধন অধিদপ্তরের পিওন পদে নিয়োগ দেন সাবেক আই জি আর সহিদুল ইসলাম ঝিনুকের মাধ্যমে। তাঁর চাকরি নিবন্ধন অধিদপ্তরের কর্মরত থাকার বিধান থাকলেও অদৃশ্য শক্তি কারণে সাবরেজিস্ট্রার অফিস কর্মরত থেকে সাবরেজিস্ট্রারদের সহোযোগিতায় ঘুষের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন পিওন মহাসিন ও সাবরেজিস্টার অমায়িক।
অন্য দিকে ঘুষখোর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু পতিত স্বৈরাচারী লীগ সরকারের আমলে সাবরেজিস্ট্রার পদে চাকরি পেয়ে দাপটের সাথে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে গেছেন তিনি। সাবরেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পেয়ে যখন যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছিলেন অমায়িক। লীগ সরকারের দোসর অনেকের চাকরিচুত কিংবা শাস্তি মুলক ব্যবস্হা নেওয়া হলেও আজও পর্যন্ত বহাল তরিয়াতে আছেন লীগ পন্থী সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক।
সাতক্ষীরা জেলার সদর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িকের বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যর কারণে সেখানে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতার পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্চেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘুষের রমরমা কমিশন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশেয় মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক এর নেতৃত্বে। এক কথায় হয়রানির আরেক নাম সাতক্ষীরা সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিস। মহা ক্ষমতাধর সাবরেজিস্ট্রার কাউকে তোয়াক্কা করেননা। তাঁর অধিনে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা জিম্মি হয়ে পরেছেন ব’লে একাধিক সুত্রে যানা গেছে। তাঁর বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যর বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলে তাদেরকে চাকরি খেয়ে ফেলা’র হুমকি ও দেন সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক । নারী কেলেংকারীতে ও পিছিয়ে নেই তিনি তাঁর অফিসে দাতা কিংবা গ্রহীতা সুন্দরী নারীরা দলিল সম্পাদন করতে আসলেই সলে বলে কৌশলে তাদের যৌন হয়রানি করেন বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক দলিল লেখক গন আজকের সংবাদ কে জানান। এছাড়া তাঁর অধিনস্ত সুন্দরী নকল নবিশ দেরকে বিভিন্ন ভাবে কু প্রস্তাব দেন বলে তারা আরও জানান। সম্প্রতি সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখকরা সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক ও পিওন মহাসীন এর বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্য ও দলিল আটকে রেখে হয়রানি ও তাদেরকে জিম্মি করে অবৈধভাবে ঘুষে নেওয়ার বিষয়ে পতিকার চেয়ে জেলা রেজিস্ট্রার সাতক্ষীরা নিকট লিখিত অভিযোগ করে তাঁর কোন প্রতিকার না পেয়ে আন্দোলন করছেন দলিল লেখকরা। দলিল লেখকরা তাদের হয়রানি ও ঘুষ বন্ধের দাবীতে দলিল সম্পাদন করা বন্ধ রেখেছেন যে কারণে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে দৈনিক লক্ষ টাকা। দলিল লেখক সুত্রে আরও যানা যায় প্রতিদিন উক্ত অফিসে সেবা নিতে আশা দাতা গ্রহীতারা তাঁর চাহিদা মাফিক দাবি কৃত ঘুষ দিতে হিম শিম খাচ্ছে। দলিল প্রতি সর্ব নির্ন তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় তাঁকে।
এছাড়াও কমিশন দলিল এর খেত্রে তো কথায় নেই লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে কোটি তেও পারপায়না। দলিলে ধরন বুঝে গুনতে হয় তাঁর বেঁধে দেওয়া ঘুষের টাকা। সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক তাঁর আছে নিজস্ব সিন্ডিকেট বাহীনি ও নিযুক্ত পিওন মহাসিন। তাদের মাধ্যমে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। সুত্র যানা যায় লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক সাবরেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ পেয়ে অল্প দিনের মধ্যে পেয়ে যান আলাউদ্দীন চেরাগ।সাবরেজিস্টার এর চাকরির বদলতীতে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। বনে জান রাতারাতি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক।
সুত্র আরও যানা যায় বাংলাদেশ রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিআরএস এর) কর্তা ব্যাক্তীদের দোহাই দিয়ে রামরাজত্ব কায়েম করে চলেছেন দুনীতিবাজ সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক। বর্তমানে অন্তবর্তী সরকারের মন্ত্রণালয়ের সচিব উপদেষ্টার সাথে রয়েছে নাকি তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বলে প্রকাশ্য দলিল লেখক সমিতির নেতা দের কাছে জাহির করেন সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক।
অভিনব ঘুষ দুর্নীতি আর রমরমা দলিল বাণিজ্যে কারনে ডুবতে বসেছে সরকারের রাজস্ব। আর রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজেই হয়েছেন কয়েক বছরের ব্যবধানে কোটি কোটি টাকার অবৈধ্য সম্পদের মালিক।বনে গেছেন রাতারাতি অঢেল সম্পাদের মালিক সাব রেজিস্ট্রার অমায়িক। টাকার বিনিময়ে দিনকে রাত আর রাত কে দিন বানানোই তাঁর কাজ।
সাতক্ষীরাসদর সাবরেজিস্টার পদে যোগদান করে দলিল আন্ডার ভ্যালু দেখিয়ে ভিটা জমিকে নালা দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েচ্ছেম। মৃত্যু ব্যাক্তী কে জিবিত দেখিয়ে দাতা গ্রহীতা ও দলিল লেখক এর যোগ সাজসে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দলিল সম্পাদন করে দিয়েছেন বলে নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক দলিল লেখক আজকের সংবাদ কে দুদক কিংবা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে গোয়েন্দা সংস্থা নজর দারী রাখলে সত্যতা মিলবে বলে একাধিক সুত্র জানিয়েছেন।
সিন্ডিকেট দুনীতির আতুড়ঘর নামে সু পরিচিত ও মিষ্টার কমিশন বানিজ্য নামে সু পরিচিত সকল দলিল লেখক দের নিকট সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক।তাঁর সিন্ডিকেটের কতিপয় সদস্য ও তার কথিত সহকারীর পিওনের মাধ্যমে প্রতিদিন সাব রেজিস্ট্রার হাতিয়ে নিতেন লক্ষ লক্ষ টাকা বলে অভিযোগ ছিল ভরি ভরি তাঁর বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে আরও যানা যায় দাতা গ্রহীতা দের “কাগজপত্রে সমস্যা ” এ কথা বলে দাবি করা হচ্ছ মোটা অংকের উৎকোচ। আর যে সকল দাতা গ্রহীতারা তার ও তার সিন্ডিকেট এর দাবি কৃত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তাদের কে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সাতক্ষীরা সাবরেজিস্ট্রার ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। তার অফিসের মোহরার থেকে শুরু করে অফিসের মোহরার, টিসি মোহরার নকল নবিশ সবাইকে ঘুষ দিতে সুকৌশলে বাধ্য করা হয় দাতা গ্রহীতা দের কে। ফ্রেশ নাল জমিকে ডোবা, নালা, পতিত ও ধানী জমি বলে মোটা অংকের নজরানা নিয়ে রেজিস্ট্রি করা হয় তার খাস কামরায় গোপনে চুক্তিতে পিওন মহাসীন এর যোগসাজশে।
অভিযোগ রয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে খুলনায় প্রকাশ্য মিছিল মিটিং করে ছিলো লীগ সরকারের দাপটি সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু।গোপন সুত্রে আরও যানা গেছে নিষিদ্ধ ঘষিত ইসকোন এর সক্রিয় সদস্য। ইসকোনের অর্থ যোগানদাতা নাকি অমায়িক। এছাড়া পতিত লীগ সরকারকে পুর্ন বাসন করার লক্ষে বিভিন্ন ভাবে সরযন্ত্র কারছেন লীগের দোসর সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক।
অবৈধ ঘুষ দুর্নীতি আর দলিল বাণিজ্যের টাকায় খুলনা সদর সোনাডাঙ্গা ২য আবাসিক এলাকায় ১১ নং রোডে বিলাল বহুল ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন তিনি তাঁর স্ত্রী প্রতিমা মন্ডল এর নামে। তাঁর নাবালীকা ছেলে সপ্তর্ষি বিশ্বাস ও কন্যা অম্বেয়া বিশ্বাস এর নামে গড়ে তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড়। এছাড়াও তাঁর দেশের বাড়িতে পিতা মদন মোহন বিশ্বাস এর নামে গড়েছেন নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। আইনের হাত থেকে বাঁচতে চতুর অমায়িক এসব সম্পদ কিনেছেন পিতা মাতার স্ত্রী সন্তানের নামে।। দে-শ ছাড়িয়ে ভারতের পচ্চিম বঙ্গে বারাসাত এলাকায় ও শশানগাছী একালাতেবিপুল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন মহা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মাত্র ৮/ ৯ বছর আগে সাব রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করে হাতে পেয়ে যান আলাদীনের চেরাগ। দ্রুত ঘুষ দুর্নীতির টাকায় ভাগ্যে চাকা ঘুরে যায়। একসময় তাদের নুন আনতে পানতা ফুরাতো। অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে এত সম্পদশালী হলেন কোন পথে ব’লে তার এলাকা বাসী আজকের সংবাদ কে জানান। উক্ত অভিযোগ এর বিষয় সাবরেজিস্ট্রার অমায়িক এর মতামত জানান জন্য তার ফোনে ফোন দিলে ফোন রিসিভ না করায় তাঁর কোন মতামত পাওয়া যায়নি। পিওন মহাসীন এর মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ও ফোন রিসিভ করেন নাই।