ভান্ডারিয়ায় সন্ত্রাসী সুমন’র হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে জিয়াসহ তার পরিবার
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুমন সরদার (৪৫) হাত থেকে বাঁচতে ও নিজসহ পরিবারের জান মালের হেফাজত থাকার জন্য জেলা পুলিশ সুপার পিরোজপুর বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান নামে এক সরকারি কর্মচারী।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুমন সরদার (৪৫) হাত থেকে বাঁচতে ও নিজসহ পরিবারের জান মালের হেফাজত থাকার জন্য জেলা পুলিশ সুপার পিরোজপুর বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান নামে এক সরকারি কর্মচারী। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়ি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী হোসেন সিকদারের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের সরকারি গাড়িচালক সমিতির সভাপতি এবং কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক। পরে পুলিশ সুপার ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমানের আবেদনটি গত ১৫ এপ্রিল ওসি ভান্ডারিয়াকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ভান্ডারিয়া থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরাবতায় সন্ত্রাসী সুমন সরদার প্রকাশ্যে থাকলেও পুলিশ এখনো তার বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুমন সরদার একজন পেশাদার ডাকাত এবং মাদক ব্যবসায়ী তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। সে দীর্ঘদিন ধরে কচা নদীতে রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন ট্রলারে ডাকাতি করাসহ এলাকায় মাদক ব্যবসা করারও অভিযোগ আছে। এলাকায় সন্ত্রসীর রাজত্ব কায়েম করতে কারো পান থেকে চুল খসলেই সাধারণ মানুষকে গালিগালাজ এবং মারধর করাসহ নানা রকম অপরাধ-কর্ম কান্ড করে থাকেন। এলাকায় কেও তার ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। এক কথায় সুমন সরদার এলাকাবাসীকে অনেকটা জিম্মি করে রেখেছে বলে ভ’ক্তভোগীর অভিযোগ।
আবেদন সূত্রে আরো জানা যায়, গত ১০/১/২০২৪ তারিখে দুপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী সুমন সরদার তার বাহিনী নিয়ে জিয়াকে খুন করার জন্য মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। পরে জিয়া চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়। জিয়ার চিকিৎসা কালীন সময়ে তার বড় ভাই মোঃ মিজান শিকদার বাদি হয়ে উক্ত ঘটনা উল্লেখ করে ভান্ডারিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। যার নং- ৫২১ তারিখ ১০/১/২০২৪। উক্ত ডায়েরি করার পর হতে বিবাদী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুমন জিয়া ও তাঁর ভাইদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। এবং ডায়েরি প্রত্যাহার করার জন্য তাদেরকে নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে। পওে গত ১৮ মার্চ ৩ বেলা সাড়ে ১১টায় সন্ত্রাসী সুমন সরদার তার সাথে আরো সন্ত্রাসীসহ জিয়াউরের বাড়ির সামনে গিয়ে জিডি প্রত্যাহার করার হুমকি দেয়। অন্যথায় তাদের দুই ভাইকে হত্যা করে লাশ কচা নদীতে ফেলে দেবারও হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে জিয়াউর আবারো থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে যার নং-১০৫৩ তারিখ ২০ মার্চ ২০২৪। পওে সন্ত্রাসী সুমনের হুমকিতে জিয়াউর পরিবারসহ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আইনি ব্যবস্থা পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপারের বরাবর তিনি অভিযোগপত্র আবেদন করে।