কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ নেতৃত্বে পত্রিকা বিলিকারী শওকতকে রুমে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুনীতিবাজ কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশের পরে খামারবাড়ি পত্রিকা বিলি কারী শওকত হোসেন কে মারধর করে রুমে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুনীতিবাজ কর্মকর্তা দের বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশের পরে খামারবাড়ি পত্রিকা বিলি কারী শওকত হোসেন কে মারধর করে রুমে আটক করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সুত্রে যানা জায়, গত ৮ই এপ্রিল দৈনিক আজকের সংবাদ পত্রিকায় “ডিএই’র বিএনপিপন্থী সরকারি কল্যান সমিতির সভাপতির ব্যানারে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রটোকল অফিসার আমিনুর’র ক্ষমতার রাজত্ব চলছে “শিরোনামে প্রকাশিত হলে, পত্রিকার বেতন ভুক্ত তেজগাঁও বিভিন্ন দপ্তরে পত্রিকা বিলিকারী শওকত প্রতিদিনের ন্যায় গত কাল খামারবাড়িতে আজকের সংবাদ সহ অন্নান্য পত্রিকা বিভিন্ন দপ্তরে বন্টন করার সময়ে প্রশাসন শাখার কর্মরত প্রটোকল অফিসার আমিনুর, প্রধান সহকারী শাহাদাত, আমির হামজা ও হটি কালচার উইংয়ের প্রধান সহকারী হাবিবুর রহমান সহ আরও ১০/১২ জনের অজ্ঞাত বহিরাগত লোকজন নিয়ে মবসৃষ্ট করে তাঁকে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ রুমে নিয়ে আটকে রেখে হয়রানি করে।
পরবর্তীতে প্রধান সহকারী শাহাদাত হোসেনের রুমে আটকে রেখে পত্রিকা প্রকাশিত রিপোর্টারকে হাজিরকরার জন্য প্রহার করেন বলে শওকত হোসেনকে জানান। শওকত হোসেনের আটকে রেখে হয়রানি করছে বলে এই প্রতিবেদককে জানালে তাতক্ষনিক পরিচালক প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের হাবিবউল্লাহ এর মোবাইলে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান কর্মচারীদের নেতাদের সাথে বাকবিতন্ড হয়েছে, শাহাদাত হোসেন রুমে আটকে বিষয় টি অশিকার করেন তিনি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মব সৃষ্টির মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন আমিনুর রহমান খান সেলিম ও শাহাদাতেরা পালিত সিন্ডিকেট বাহিনী। তাদের অনিয়ম দুনীতি বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চাইলে তাদের মব সৃষ্টির মাধ্যমে নির্যাতন করে হয়রানি করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বেপরোয়া ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর ও প্রশাসন শাখার কর্মরত শাহাদাত ও তার সিন্ডিকেট বাহীনি।
সুত্রে আরও যানা যায়, আটকে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রতিবেদককে আটককৃত শওকত কে ফোন দিলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ নির্দেশে, প্রধান সহকারী শাহাদাতের রুমে এখনো আটকে রেখে প্রহর করছেন প্রটোকল অফিসার আমিনুর, শাহাদাত গংরা। এই প্রতিবেদককে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক, আব্দুর রহিমের মোবাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পত্রিকা বিলিকারী শওকত কে আটকে রেখে হয়রানি নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রশাসন শাখার কর্মরত প্রটোকল অফিসার আমিনুর, শাহাদাত বাহিনী তিনি আজকের সংবাদ কে জানান বিষয়টি আমি অবগত নাই তবে আমি মন্ত্রণালয়ের আছি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। আজকের সংবাদের রিপোর্টে বিপরীতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পরিচালক প্রশাসন হাবিবউল্লাহ এর নেতৃত্বে,প্রটোকল অফিসার আমিনুর, শাহাদাত গংরা আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের বিষয় টি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব, ড. রফিকুল ই মোহামেদকে অবহিত করলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান পত্রিকা বিলিকারী শওকত হোসেন কে মারধর করে টাকা পয়শা ছিনিয়ে নেওয়া বিষয়ে কঠোর ভাবে দেখা হবে।
উল্লেখ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে প্রটোকল অফিসার আমিনুর রহমান খান সেলিম, প্রশাসন শাখার প্রধান সহকারী শাহাদাত, তাঁর স্ত্রী ক্রপ্স উইংয়ের প্রধান সহকারী নাজনীন আক্তার সহ একটি সিন্ডিকেট মধ্যেমে দীর্ঘ দিন ধরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কর্মরত থেকে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারসে। নিয়োগ বানিজ্যে,বদলী বানিজ্য, টেন্ডার বানিজ্য, কমিশন বানিজ্য, কেনাকাটা সহ বিভিন্ন পন্থায় নয় ছয় করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল পরিমাণ টাকা।
শাহাদাত ও তার স্ত্রী নাজনীন আক্তার ও তাদের সিন্ডিকেট বাহীনি দারা আতংকে থাকেন সাধারণ কর্মকর্তারা বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। তাদের সিন্ডিকেটের বাহিরে কোন কর্মকর্তা কর্মচারীরা মুখ খুলতে সাহসও পাননা। আর যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চাইলে তাদের কে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল, কিংবা বদলী হতে হয়। নাম প্রকাশ না করার সর্তে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আজকের সংবাদ কে জানান বিগত তিন মাস পুর্বে কুষ্টিয়ার উপ পরিচালকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী রেজাউল করিম কে প্রটোকল অফিসারের পদে পদায়ন করার জন্য প্রশাসন শাখা থেকে ডাকাহলে তাকে বর্তমান প্রটোকল অফিসার আমিনুর ও তাঁর সাংঙ্গ পাংঙ্গরা বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে খামারবাড়ি থেকে বিতাড়িত করে।
আমিনুরের সিন্ডিকেট বাহীনির বিরুদ্ধে যে কোন সময় ফুশে উঠতে পারে সাধারণ কর্মকর্তা রা বলে একাধিক সুত্রেযানা গেছে। দুনীতিবাজ প্রটোকল অফিসার আমিনুর ও তাঁর সিন্ডিকেট বাহিনী বিরুদ্ধে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।