আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ও সাবেক স্পীকারকে একদিনেই পাসপোর্ট প্রদান
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সাভার থানায় এলাকায় লাশ পোড়ানোর ঘটনায় আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল কাফিকে পাসপোর্ট পেতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহায়তার বিষয়টি সামনে এসেছে।
ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সাভার থানায় এলাকায় লাশ পোড়ানোর ঘটনায় আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল কাফিকে পাসপোর্ট পেতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহায়তার বিষয়টি সামনে এসেছে। আব্দুল্লাহ কাফি পাসপোর্ট আবেদন করেন ১৫ আগস্ট ২০২৪, তার পাসপোর্ট ইস্যু হয় একই দিন ১৫ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে। এমনকি অবৈধ ভাবে পাসপোর্ট প্রদানে অধিদপ্তর তাকে সিটি কর্পোরেশনের স্প্রে ম্যান হিসাবে উপস্থাপন করে। আব্দুল্লাহ কাফি এর আবেদিত পাসপোর্ট এর ইনরোলমেন্ট আইডি- ৪০০০০০১২৩৪৯২৬।
এই ঘটনায় অধিদপ্তরের মূল হোতাদের বাঁচাতে বহিষ্কার করা হয় হুকুমের দাস ছোট কর্মকর্তাকে। এছাড়া স্পীকার শিরিন শারমীন চৌধুরী ও তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইন কে তরিঘরি করে পাসপোর্ট দিতে তার বাসায় অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলদের পাঠিয়ে বিশেষ তদারকিতে পাসপোর্ট প্রদানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয় ১০অক্টোবর ২০২৪ইং তারিখে।
যার ইনরোলমেন্ট আইডি- ৭০২৩০০০০০০৫২১ ৭০২৩০০০০০০৫২২। বিপ্লবী ছাত্র জনতার মতে এই ঘটনা দুটি প্রমান করে যে, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মাঝে সাবেক সরকারের দোসররা স্বাচ্ছন্দের সাথে স্বৈরাচারকে সুবিধা প্রদান করে যাচ্ছে। বিপ্লবী ছাত্রের জনতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক আবেদনে উল্লেখ করেন, ভারতে পালিয়ে থাকা স্বৈরাচার ও তাদের দোসরদের পাসপোর্ট বানিয়ে দিতে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সহযোগিতা করতে পারে, রাষ্ট্র যেন এ বিষয়ে গুরুত্ব রাখে, একটি পাসপোর্টও তাদের ইস্যু না করা হয়।
প্রবাসে থাকা অনেক বাংলাদেশী পাসপোর্টের জটিলতায় মানবতার জীবনযাপন করছেন। তাই প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের বিষয়টি এড়িয়ে যাবার সুযোগ নাই। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য দিশেহারা হয়ে আছে। তাদের যাবার কোন জায়গা নাই। ইউরোপে অবস্থিত প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের বিষয়টি আমলে নেয়া হচ্ছে না, তবে জানা যায় ঘুষ দিয়ে অনেকে পাসপোর্ট পাচ্ছে। এমনকি কোন ত্রুটি নাই এমন পাসপোর্ট পেতেও স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি সময় প্রয়োজন হচ্ছে।
প্রবাসীরা হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। বিপ্লবী ছাত্র জনতার কর্মসূচি হতে বিভিন্ন দাবি উত্থাপিত হয় তার মধ্যে ১. পাসপোর্ট অধিদপ্তর হতে হাসিনার নিয়োগকৃত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিতে হবে। ২. আব্দুল্লাহ কাফি ও স্পীকার শিরিন ও তার স্বামীকে পাসপোর্ট প্রদানে সহযোগিতা কারী অফিসারদের অপসারণ করতে হবে। ৩, প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধন ও পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজীকরণ করতে হবে।