হত্যা মামলার চার্জশীট থেকে ফ্যাসিবাদের নেতাদের অব্যাহতি দিতে কোটি টাকার মিশনে নেমেছে সাতক্ষীরা পিবিআই’র ওসি শামিম

লীগ সরকারের আমলে দাপটি ওসি শামিম ফ্যাসিবাদের দোসর দের বাচানোই জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে।

হত্যা মামলার চার্জশীট থেকে ফ্যাসিবাদের নেতাদের অব্যাহতি দিতে কোটি টাকার মিশনে নেমেছে সাতক্ষীরা পিবিআই’র ওসি শামিম

লীগ সরকারের আমলে দাপটি ওসি শামিম ফ্যাসিবাদের দোসর দের বাচানোই জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে। লীগের দাপট দেখিয়ে ঘুষ বানিজ্য চালিয়ে গেছেন দেদারসে এখনো বহাল তরিয়াতে ঘুষ দুনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন হরহামেশেই।

সুত্র জানা গেছে সাতক্ষীরা পিবি আই এর ওসি শামিম এর বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে  লীগের দোসর দের মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুত্রে জানা যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ছয়ঘরিয়া গ্রামের ইবাদ আলীর ছেলে ইছানুর ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা জজকোর্টে ৭৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন যার নং সি আর ৪৭/২৪ উক্ত মামলাটি তদন্ত করার দায়িত্ব দেন বিজ্ঞ আদালত পি বি আই সাতক্ষীরা কে।

পিবি আই সাতক্ষীরা মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ইন্সপেক্টর শামীমকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। মামলা সুত্রে জানা যায় বিগত ২৮/৫/২০১৮ সালে মামলার বাদীর বড় ভাই ইমদাদুল (ইন্দ গাজী মিস্তিরি) নিকট সাতক্ষীরা সদর থানা সাবেক ওসি মারুফ হোসেন সহ অন্য অন্য আসামির মৃত্যু ইমদাদুল  এর নিকট দশ লক্ষ টাকা চাঁদ দাবী করলে ইমদাদুল ও তাঁর পরিবার তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন এজাহারে উল্লেখীত এক আসামীর সামনে। বাকি সাত লক্ষ চাঁদার  টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে লীগের দোসররা ইমদাদুল গাজীকে অপহরণ করে পুলিশের সহযোগিতায়।

গত ২৮/৫/২০১৮ সালে রাত তিন ঘটিকা হয়তে ভোর ছয় ঘটিকা এর মধ্যে এজাহার ভুক্ত একাধীক আসামি ও সাবেক ওসি মারুফ হোসেন সহ অন্য অন্য আসামী আমিনুর বাবু. রাজেশ স্ব. মোশা.শফি শফিউল.  মিজান শেখ.  শান্তু. আখের.  আহাদ সহ এলোপাতাড়ি মারধোর করে এবং গুলি করে হত্য করে বাজুয়ার ডাঙা আগুন পুর (আলীপুর ইউপি) নামক সস্থানে জনৈক সবুর সাহেবের  ঘেরের উত্তর পাশে কাঁচা রাস্তার উপরে  নির্মম ভাবে  হত্য করে ইমদাদুল কে। ইমদাদুল কে হত্যার মুল কারণ তিনি বিএনপি পন্থী হিসেবে দল করার কারণে।

সুত্রে আরও জানা যায় উক্ত মামলার আইও ইন্সপেক্টর শামীম আসামিদের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ বানিজ্য করে এজাহার ভুক্ত নির্ভর যোগ্য লীগ সরকারের আমলের দাপটি নেতাদের ও পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তা দের নাম বাদ দিয়ে শুধু মাত্র কনেস্টবল সহ মাত্র চার জন কে আসামি করে মামলার চাটসিট প্রদান করার জন্য পি বি আই এর অতিরিক্ত ডি আই জি প্রশাসন খুলনা রেঞ্জের নিকট মামলার চার্জ সীটে স্বাক্ষর নিতে গেল মামলার এজাহার ও চার্জসীটে এর ব্যাপক গরমিল দেখে পুনরায় মাললা তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করেন বলে একটি নির্ভর সুত্র যানা গেছে।

সুত্রে আরও জানা যায় ইন্সপেক্টর শামীম বিগত পতিত লীগ সরকারের আমলে দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছিলো সিলেটে ডিবির ওসি থাকা কালিন। পতিত সৈরাচার লীগ পন্থী ওসি শামিম এখন বনে গেছেন বিএনপি পন্থা। ছাত্র আন্দোলন এর বিরুদ্ধে নির্বিকারে গুলি করে অনেক ছাত্র হত্যা করেছিলেন সৈরাচারী লীগ সরকারের দোষর ওসি শামিম।

লীগ পন্থী নেতাদের সাথে গোপনে অর্থের বিনিময়ে আসামীদের কে গ্রেফতার না করে অব্যহতি দেওয়ার বিষয়ে মামলার বাদী তার ভাই হত্যার বিচার পাবেনা বলে আসংঙ্খা করছেন। বাদী ইছানুর আজকের সংবাদ কে জানান তাঁর দায়ের করা মামলার তদন্তের বিষয়ে একবার ফোন দিয়েছিলেন পিবি আই এর ওসি শামিম। বাদি আইওকে জানান তিনি ঢাকায় চাকরি করেন পরবর্তী তে তাঁর সুবিধা মতন আইওর সাথে দেখা করবেন। তাঁকে একবার নোটিশ দিয়েছেন ও তার মনোনিত সাক্ষীদের কে সাক্ষ গ্রহণ না করে একতরফা ভাবে মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পায়তারা করছেন ওসি শামিম। মহা ঘুষখোর ওসি শামিম যখন যেখানে কর্মরত ছিলেন সেখানে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তুলেছিলেন সু বিশাল সিন্ডিকেট। দিনকে রাত আর রাত কে দিন বানানোই তাঁর কাজ।

টাকার বিনিময়ে আসামীদের কে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি। লীগের প্রভাব শালী স্থায়ী কমিটির সদস্যের মেয়ে কে বিয়ে করে বনে গিয়েছিলেন লীগ পন্থী। তাঁর শশুরের নামকরে লীগের দাপট দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি। রাজধানী ঢাকা সহ তাঁর দেশের বাড়ি বরিশাল বিভাগের মঠবাড়ীয়াতে অঢেল সম্পাদের মালিক তিনি।

উল্লেখীত মামলার র্চাটসিট এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আজকের সংবাদ কে জানান মামলার তদন্ত এখনো বহাল আছেন। আরেক প্রশ্নের মামলা বাদীকে ডাকা হয়েছে কি না জবাবে বলেন বাদীকে তিন বার নোটিশ করা হয়েছে তিনি হাজির হয়নি। অপর আরেক প্রশ্নের আপনি লীগ সরকারের প্রভাব শালী সস্থায়ী কমিটির সদস্যর মেয়ে কে বিয়ে করে পতিত লীগ সরকারের দাপটে দাপিয়ে বেড়িয়েেিছন জবাবে ওসি শামিম বলেন মামলার সাথে লীগের সর্ম্পক কি? তিন বিজি আছেন বলে লাইন টি কেটে দেন।